
বলিউড তারকা জুটি দীপিকা পাড়ুকোন ও রণবীর সিং তাঁদের মেয়ের নাম রেখেছেন 'দেবী পাড়ুকোন সিং'। আর এই নাম ঘিরেই সোশ্যাল মিডিয়ায় এখন তুমুল বিতর্ক। বাবা ও মা—দুজনের পদবিই সন্তানের নামের শেষে জুড়ে দেওয়াটা কি সত্যিই ফেমিনিজম? নাকি সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজেদের প্রগতিশীল দেখানোর একটা লোকদেখানো ব্যাপার? আসুন, পুরো বিষয়টা খতিয়ে দেখা যাক।
ইনফ্লুয়েন্সার সিমরিধি মাখিজার যুক্তিটা কী?
জনপ্রিয় ইনফ্লুয়েন্সার সিমরিধি মাখিজা একটি ভিডিও শেয়ার করে এই প্রশ্নগুলো তুলেছেন। তিনি বেশ যুক্তি দিয়েই জানতে চেয়েছেন, জোড়া পদবি থাকা কোনো মানুষ বড় হয়ে যদি এমন কাউকে বিয়ে করেন যাঁরও দুটো পদবি আছে, তাহলে তাঁদের সন্তানের কি চারটে পদবি হবে? আর তার পরের প্রজন্মের কি আটটা পদবি হবে?
থামছে না সমালোচনা!
সন্তানের নামের শেষে কটা পদবি থাকল, তা দিয়ে নারী-পুরুষের আসল সমতা বিচার করা যায় না। সিমরিধির মতে, আজকালকার ফেমিনিজম বাস্তব জীবনের পরিবর্তনের চেয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজেদের ক্ষমতায়নের শো-অফ করতেই বেশি ব্যস্ত।
আসল লড়াইগুলো কি ঢাকা পড়ে যাচ্ছে?
সম্পত্তির অধিকার, পিতৃত্বকালীন ছুটি বা প্রসব-পরবর্তী বাধ্যতামূলক যত্নের মতো আইনি ও কাঠামোগত লড়াইগুলোই আসল। সিমরিধি দাবি করেছেন, নামের মতো এসব প্রতীকী বিষয়ের ওপর বেশি জোর দিলে মেয়েদের আসল সমস্যাগুলো আড়ালেই থেকে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে।
ইন্টারনেটে মিশ্র প্রতিক্রিয়া!
এই ভিডিওটি সামনে আসার পরেই নেটিজেনরা নানা রকম মত দিচ্ছেন। লোকদেখানো ফেমিনিজম আর আসল ক্ষমতায়নের মধ্যে পার্থক্যটা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেওয়ায় অনেকেই সিমরিধির চিন্তাভাবনার প্রশংসা করেছেন। অন্যদিকে, একাংশের মতে সন্তানের নাম কী হবে, সেটা পুরোপুরি ওই দম্পতির ব্যক্তিগত ব্যাপার। সব বিষয়ে নাক গলানো ঠিক নয়। অন্যের সিদ্ধান্তকে সম্মান করাটাও ফেমিনিজমের একটা বড় অংশ বলে তাঁরা মনে করেন।
ভবিষ্যৎ প্রজন্ম নিয়ে অহেতুক চিন্তা!
যে প্রজন্মের এখনও জন্মই হয়নি, তাদের নাম কী হবে তা নিয়ে এখন থেকেই মাথা ঘামানোটা বেশ অযৌক্তিক। অনেকেই বলছেন, বাচ্চারা বড় হয়ে নিজেদের নাম 'দেবী পিএস' বা 'দুয়া পিএস' হিসেবেও তো ব্যবহার করতে পারে। সেটা তারাই ঠিক করে নেবে।
Entertainment News ( বাংলা বিনোদনের খবর ): Read Entertainment News including movie reviews, Trailers, Celebrity gossips, TV shows and other Entertainment News in at Asianet News Bangla.