Madhuri Dixit Career News: অবোধ ছবির মাধ্যমে কেরিয়ার শুরু করলেও তেজাবের পর আর পিছু ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে। কেরিয়ারের শীর্ষে থেকেও শুনতে হয়েছে কটাক্ষ। কর্মজীবনের শুরু নানাধরণের মন্তব্যে বিরক্ত মাধুরী দীক্ষিত। জানুন আরও বিশদে।
ভারতীয় চলচ্চিত্র জগতের ইতিহাসে যে ক’জন অভিনেত্রী নিজেদের অভিনয়, নৃত্যশৈলী এবং জাদুকরী হাসির মাধ্যমে কোটি কোটি দর্শকের মন জয় করেছেন, তাঁদের মধ্যে অন্যতম হলেন মাধুরী দীক্ষিত। নব্বইয়ের দশকে বলিউডে একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তার করা এই অভিনেত্রীকে আজও 'ধক ধক গার্ল' হিসেবে চেনে আট থেকে আশি। কিন্তু কেরিয়ারের শীর্ষে থেকেও তাকে শুনতে হয়েছে কটূ কথা। অস্বস্তিকর মন্তব্য। কী বলছেন মাধুরী দীক্ষিত এই বিষয়ে? বিস্তারিত জানতে পড়ুন সম্পূর্ণ প্রতিবেদন।
26
প্রথম ছবির হাত ধরে রূপালি পর্দায় অভিষেক
আজকের দিনে মাধুরী দীক্ষিতের জনপ্রিয়তা আকাশছোঁয়া হলেও, তাঁর কেরিয়ারের শুরুটা কিন্তু খুব একটা মসৃণ ছিল না। ১৯৮৪ সালে রাজশ্রী প্রোডাকশনের ‘অবোধ’ (Abodh) ছবির মাধ্যমে মাত্র ১৭ বছর বয়সে বলিউডে পা রাখেন তিনি। এই ছবিতে তাঁর বিপরীতে অভিনয় করেছিলেন বাঙালি অভিনেতা তাপস পাল। ছবিটি বক্স অফিসে তেমন সাফল্য না পেলেও, প্রথম ছবিতেই মাধুরী নিজের অভিনয় দক্ষতার আভাস দিয়েছিলেন। তারপর অনিল কাপুরের সঙ্গে তেজাব ছবির মাধ্যমে মাধুরী আত্মপ্রকাশ করেন। আর তাকাতে হয়নি পিছন ফিরে।
36
কেরিয়ারের শীর্ষে থেকেও শুনতে হয়েছে কটূ মন্তব্য
জানা গিয়েছে. মাধুরী দীক্ষিত তার কর্মজীবনে দারুণ সাফল্য লাভ করলেও কেরিয়ারের শুরুতে শুনতে হয়েছে নানা কটূ কথা। বডি শেমিংয়ের শিকার মাধুরী দীক্ষিত। যা নিয়ে প্রশ্ন করলে বা কথা বললে বিরক্ত হন বি-টাউনের এই নায়িকা। তিনি বলেন, ‘’কেরিয়ারের শুরুতে তার রোগা শরীর নিয়ে নানা লোকে নানা মন্তব্য করত। পরে চেহারা মোটা হলেও কথা বলা বন্ধ করেনি লোকজন।'' ফলে এই ধরনের মন্তব্যকে তিনি যে বেশি গুরুত্ব দেওয়া পছন্দ করেন না তা আগেই বুঝিয়েছেন বলিউডের ধক গার্ল। কারণ, মাধুরী জানান, চেহারা নিয়ে মহিলাদের যেভাবে আতশ কাঁচের তলায় রাখা হয় তাতে তিনি বিরক্ত।
‘অবোধ’ ছবির পর বেশ কয়েকটি সিনেমা ফ্লপ হওয়ার পর, ১৯৮৮ সালে মুক্তি পায় এন. চন্দ্রা পরিচালিত ‘তেজাব’। এই ছবিই মাধুরীর কেরিয়ারের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। ছবির ‘এক দো তিন’ গানটি রাতারাতি তাঁকে স্টার বানিয়ে তোলে। এর পর আর তাঁকে পিছন ফিরে তাকাতে হয়নি।
56
চার দশকের কেরিয়ারে মাধুরীর সেরা ছবির তালিকা
চার দশকের কেরিয়ারে মাধুরীর সেরা ছবিগুলো হলো- (Madhuri Dixit Top Movie)
দিল (১৯৯০): আমির খানের বিপরীতে এই রোমান্টিক ছবিটির জন্য তিনি প্রথমবার সেরা অভিনেত্রীর ফিল্মফেয়ার পুরস্কার পান।
বেটা (১৯৯২): অনিল কাপুরের সঙ্গে এই ছবির ‘ধক ধক করনে লাগা’ গানটি তাঁকে 'ধক ধক গার্ল' উপাধি এনে দেয়।
হাম আপকে হ্যায় কৌন..! (১৯৯৪): সলমন খানের বিপরীতে এই পারিবারিক ড্রামা ছবিটি ভারতীয় সিনেমার ইতিহাসের অন্যতম বৃহত্তম ব্লকবাস্টার।
দিল তো পাগল হ্যায় (১৯৯৭) ও দেবদাস (২০০২): শাহরুখ খানের সঙ্গে এই ছবিগুলিতে তাঁর অভিনয় এবং বিশেষ করে ‘দেবদাস’ ছবিতে ‘চন্দ্রমুখী’র চরিত্রে তাঁর নৃত্যশৈলী আজও দর্শক মনে গেঁথে রয়েছে।
66
পুরস্কার ও অনন্য সম্মান
দীর্ঘ চার দশকের কেরিয়ারে মাধুরী দীক্ষিত অসংখ্য সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন। তিনি রেকর্ড সংখ্যকবার ফিল্মফেয়ার পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছেন এবং ৬ বার এই পুরস্কার জিতেছেন। ভারতীয় চলচ্চিত্রে তাঁর অসামান্য অবদানের জন্য ২০০৮ সালে ভারত সরকার তাঁকে দেশের চতুর্থ সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মান ‘পদ্মশ্রী’-তে ভূষিত করে।
Entertainment News ( বাংলা বিনোদনের খবর ): Read Entertainment News including movie reviews, Trailers, Celebrity gossips, TV shows and other Entertainment News in at Asianet News Bangla.