Rakesh Bedi Controversy: ‘ধুরন্ধর ২’-এর জামিল জামালির এক মন্তব্য ঘিরে তুমুল বিতর্ক! কেন ক্ষমা চাইলেন অভিনেতা?

Published : Apr 06, 2026, 12:59 PM IST

'ধুরন্ধর ২' ছবিতে জামিল জামালির চরিত্রে অভিনয় করে প্রশংসা পাচ্ছেন রাকেশ বেদী। কিন্তু বাস্তবে এমন এক মন্তব্য করে বসলেন, যা নিয়ে বিতর্ক তুঙ্গে। শেষে ক্ষমাও চাইতে হল তাঁকে। জানুন পুরো ঘটনা।

PREV
15
কয়েক মাস আগে একটি সাক্ষাৎকারে ডঃ বি. আর. আম্বেদকর সম্পর্কে কথা বলতে গিয়ে রাকেশ বেদী 'হরিজন' শব্দটি ব্যবহার করেন। ভারতে এই শব্দটি অনুপযুক্ত বলে মনে করা হয় এবং এর সরকারি ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। এই মন্তব্যের পরেই বিতর্ক শুরু হয়। এবার সেই মন্তব্যের জন্য ক্ষমা চাইলেন বর্ষীয়ান অভিনেতা।
25

রাকেশ বেদীর একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে, যেখানে তিনি তাঁর ব্যবহৃত নিষিদ্ধ শব্দটির জন্য ক্ষমা চেয়েছেন। ভিডিওতে তিনি বলছেন, 'নমস্কার বন্ধুরা, আমি রাকেশ বেদী। কয়েক মাস আগে আমি একটি ভিডিওতে বলেছিলাম যে আমাদের দেশে ভীমরাও আম্বেদকরজি দলিত, হরিজন এবং পিছিয়ে পড়া সমাজের জন্য অনেক কাজ করেছেন। তাঁদের উন্নতির জন্য তিনি কঠোর পরিশ্রম করেছেন। এখন আমি জানতে পেরেছি যে আমাদের দেশে 'হরিজন' শব্দের ব্যবহার নিষিদ্ধ। আমার এই শব্দ ব্যবহারে যদি কোনও ব্যক্তি বা সমাজের ভাবাবেগে আঘাত লেগে থাকে, তাহলে আমি তার জন্য ক্ষমা চাইছি। আমি এটা ইচ্ছাকৃতভাবে বলিনি, আমার এ বিষয়ে জানা ছিল না।'

35
মুম্বইতে আজাদ সমাজ পার্টির মহারাষ্ট্র সভাপতি কৈলাশ জয়সওয়ার রাকেশ বেদীর মন্তব্যের তীব্র বিরোধিতা করেন। তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় বিষয়টি তুলে ধরে একটি ভিডিও শেয়ার করে বেদীর সমালোচনা করেন। কৈলাশ জানান, তিনি সরাসরি রাকেশ বেদীকে ফোন করে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানিয়েছিলেন।
45

কৈলাশ জয়সওয়ার একটি ভয়েস নোটও শেয়ার করেছেন, যেখানে তাঁকে অভিনেতার সঙ্গে ফোনে কথা বলতে শোনা যায়। কথোপকথনে তিনি জানান যে শব্দটি ভুল এবং নিষিদ্ধ। তিনি অভিনেতাকে ক্ষমা চাওয়ার জন্য অনুরোধ করেন। তাঁর কথা অনুযায়ী, বেদী তখনই ক্ষমা চাইতে রাজি হয়েছিলেন।

55

আজাদ সমাজ পার্টির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য সুনীল আস্তে X-এ একটি পোস্ট করে রাকেশ বেদীকে নিশানা করেছেন। তিনি বর্ষীয়ান অভিনেতার এই ক্ষমা চাওয়ার কারণ হিসেবে জেলে যাওয়ার ভয়কে উল্লেখ করেছেন। তিনি লিখেছেন, 'ধুরন্ধর মুভি ভেবেছিলে নাকি, এটা বাস্তব জীবন। জেলের ভয় সত্যিটা বলিয়েই ছাড়ল। ধুরন্ধর মুভির অভিনেতা রাকেশ বেদী অবশেষে বুঝলেন যে সংবিধানের চেয়ে বড় কেউ নয়। 'হরিজন'-এর মতো অপমানজনক শব্দ ব্যবহার করে যে ভুল করেছেন, তার জন্য এখন প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হল, কারণ আইন ও সমাজ দুটোই জেগে উঠেছে। এটা শুধু ক্ষমা চাওয়া নয়, এটা একটা সতর্কবার্তা। এখন থেকে কেউ আমাদের মান-সম্মান, স্বাভিমান এবং অধিকার নিয়ে খেলা করলে, তাকেও এভাবেই ঝুঁকতে হবে, নাহলে জেলে বসে রুটি খেতে হবে। মনে রাখবেন—সংবিধানই সর্বশ্রেষ্ঠ, এবং আমাদের সম্মান তার সঙ্গে জড়িত! এখন সময় বদলেছে, বহুজন সমাজ আর চুপ থাকবে না, জবাব দেবে, আইনের মধ্যে থেকেই, দৃঢ়ভাবে। এটা তো সবে শুরু। পিকচার আভি বাকি হ্যায়।

Entertainment News ( বাংলা বিনোদনের খবর ): Read Entertainment News including movie reviews, Trailers, Celebrity gossips, TV shows and other Entertainment News in at Asianet News Bangla.

Read more Photos on
click me!

Recommended Stories