
স্বাধীনতা দিবস অর্থাৎ ১৫ অগস্ট। সেই দিন দেশ স্বাধীন হয়েছিল। সেই দিন গোটা দেশ জুড়েই থাকে উৎসবের মেজাজ। কিন্তু দিনটি স্মরণীয়। তবে এখনও স্কুল কলেজগুলিতে স্বাধীনতা দিবস নিয়ে একাধিক প্রতিযোগিতা হয়। সেখানে এগুলি কাজে লাগতে পারে। এখানে স্বাধীনতা দিবস নিয়ে দুই ধরনের প্রবন্ধ বা ছোট রচনা রইলঃ
১. ১৫ই আগস্ট ভারতের প্রতিটি মানুষের কাছে একটি অত্যন্ত আনন্দের ও গৌরবের দিন।
২. দীর্ঘ লড়াইয়ের পর এই বিশেষ দিনে আমাদের দেশ পরাধীনতার শৃঙ্খল থেকে মুক্তি পেয়েছিল।
৩. মহাত্মা গান্ধী, নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর মতো বীরদের বলিদানের কথা আমরা এই দিনে স্মরণ করি।
৪. এই উৎসবে সারা দেশজুড়ে জাতীয় পতাকা 'তেরঙা' সগর্বে আকাশে ওড়ানো হয়।
৫. বিদ্যালয়ে বিদ্যালয়ে ছাত্র-ছাত্রীরা কুচকাওয়াজ এবং দেশাত্মবোধক নাটকে অংশ নেয়।
৬. পাড়ায় পাড়ায় এবং বিভিন্ন ক্লাবে দেশাত্মবোধক গান বাজিয়ে আনন্দ প্রকাশ করা হয়।
৭. টেলিভিশনে দিল্লির লাল কেল্লার গৌরবময় অনুষ্ঠান সরাসরি সম্প্রচার করা হয়।
৮. এই দিনটি আমাদের শেখায় যে দেশের স্বাধীনতা রক্ষা করা আমাদের সবার প্রধান দায়িত্ব।
৯. আমরা সবাই মিলে প্রতিজ্ঞা করি যে দেশের উন্নতির জন্য সবসময় কাজ করব।
১০. স্বাধীনতা দিবসের এই পবিত্র দিনে আমি আমার বীর শহীদদের শত কোটি প্রণাম জানাই।
১. প্রতি বছর ১৫ই আগস্ট তারিখে ভারতের স্বাধীনতা দিবস পালন করা হয়।
২. ১৯৪৭ সালের ১৫ই আগস্ট আমাদের দেশ ব্রিটিশ শাসন থেকে মুক্ত হয়েছিল।
৩. এটি ভারতের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় উৎসব।
৪. এই দিনটিতে আমরা সকল বীর স্বাধীনতা সংগ্রামীদের শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করি।
৫. স্বাধীনতা দিবসে দিল্লির লাল কেল্লায় ভারতের প্রধানমন্ত্রী জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন।
৬. দেশের সমস্ত স্কুল, কলেজ এবং সরকারি অফিসেও এই দিনে সাড়ম্বরে পতাকা তোলা হয়।
৭. পতাকা উত্তোলনের পর সবাই মিলে একসঙ্গে জাতীয় সঙ্গীত 'জন গণ মন' গাই।
৮. স্কুলগুলিতে ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে মিষ্টি বিতরণ করা হয় এবং নানা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়।
৯. এই দিনটি আমাদের মনে দেশপ্রেম এবং একতার ভাবনা জাগিয়ে তোলে।
১০. ভারতীয় হিসেবে আমি অত্যন্ত গর্বিত এবং আমার দেশকে আমি খুব ভালোবাসি।