চিনের নতুন স্টেলথ ফাইটার J-35AE, পাকিস্তানের হাতে গেলে ভারতের চিন্তা বাড়তে পারে

Published : May 02, 2026, 05:14 PM IST

চিন তার নতুন স্টেলথ ফাইটার জেট জে-৩৫এই (J-35AE)-এর একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে। এটি ২ মে রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারকারী সিসিটিভি-তে দেখানো হয়েছিল। জে-৩৫এই হল চিনের উন্নতমানের দুই-ইঞ্জিন বিশিষ্ট স্টেলথ ফাইটারের রফতানি সংস্করণ।

PREV
16

চিন তার নতুন স্টেলথ ফাইটার জেট জে-৩৫এই (J-35AE)-এর একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে। এটি ২ মে রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারকারী সিসিটিভি-তে দেখানো হয়েছিল। জে-৩৫এই হল চিনের উন্নতমানের দুই-ইঞ্জিন বিশিষ্ট স্টেলথ ফাইটারের রফতানি সংস্করণ। এতে একটি ব্লেন্ডেড-উইং ডিজাইন রয়েছে, যা এটিকে শত্রুর রাডার থেকে আড়াল হতে সাহায্য করে। এটি একটি বহুমুখী ফাইটার, অর্থাৎ এটি আকাশে যুদ্ধ, ভূমিতে আক্রমণ এবং অন্যান্য কাজ করতে পারে। চিন এটিকে ২০২৬ সালের জন্য একটি বড় অর্জন বলে অভিহিত করছে।

26

জে-৩৫এই একটি দুই-ইঞ্জিন বিশিষ্ট স্টেলথ ফাইটার। এর নকশা অত্যন্ত আধুনিক। এর ব্লেন্ডেড-উইং কাঠামো এটিকে রাডারে কম দৃশ্যমান করে তোলে। এই বিমানটি শত্রুর ভূখণ্ডে প্রবেশ করে আক্রমণ করতে এবং নিরাপদে ফিরে আসতে পারে। চিন দাবি করেছে যে এটি তার শ্রেণির মধ্যে সেরা পারফরম্যান্স দেবে। এই জেটটি কেবল আকাশে অন্য বিমানের সঙ্গে ডগ ফাইট করতে পারে না, বরং নির্ভুল আঘাতে টার্গেট ধ্বংস করতে পারে।

36

ভিডিওটি প্রকাশের পর পাকিস্তানকে ৩০ থেকে ৪০টি জে-৩৫এই জেট বিক্রি করতে পারে বলে খবর আরও জোরাল হয়েছে। ২০২৬ সালের মাঝামাঝি সময়ে সরবরাহ শুরু হতে পারে। পাকিস্তান ইতোমধ্যে চিন থেকে জে-১০সি যুদ্ধবিমান কিনেছে এবং এর পাইলটরা প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন। দুই দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা অংশীদারিত্ব বেশ শক্তিশালী। এই চুক্তিটি সম্পন্ন হলে পাকিস্তানের বিমান বাহিনী উল্লেখযোগ্যভাবে আরও শক্তিশালী হবে। জে-৩৫এই-এর মতো একটি স্টেলথ যুদ্ধবিমান ভারতের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে।

46

অনেক বিশেষজ্ঞ সতর্ক থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন। তবে, শুধুমাত্র ভিডিও এবং গুজবের উপর ভিত্তি করে একটি পূর্ণাঙ্গ চুক্তি হয়েছে বলে ধরে নেওয়া ঠিক নয়। চিন একটি প্রধান অস্ত্র রফতানিকারক দেশ হয়ে উঠছে, কিন্তু প্রতিটি খবরকেই সঙ্গে সঙ্গে সত্য বলে মেনে নেওয়া উচিত নয়। এদিকে, ইন্দোনেশিয়ার কাছে জে-১০সি বিক্রির একটি প্রতিবেদন দ্রুতই মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছিল।

56

চিন এখন বিশ্বব্যাপী তার অস্ত্র বিক্রি দ্রুত প্রসারিত করছে। জে-৩৫এই-এর রফতানি সংস্করণ উন্মোচন এই কৌশলেরই একটি অংশ বলে মনে হচ্ছে। চিন এর থেকে শুধু অর্থই উপার্জন করছে না, বরং তার মিত্রদের সামরিক শক্তিও বৃদ্ধি করছে। পাকিস্তানের সঙ্গে এই চুক্তিটি সম্পন্ন হলে, তা দক্ষিণ এশিয়ায় অস্ত্র প্রতিযোগিতা আরও তীব্র করে তুলতে পারে।

66

পাকিস্তান যদি জে-৩৫এই (J-35AE) সংগ্রহ করে, তবে ভারতীয় বিমান বাহিনী নতুন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে পারে। স্টিলথ প্রযুক্তিতে সজ্জিত জেটগুলো রাডার ফাঁকি দিয়ে অতর্কিত হামলা চালাতে পারে। ভারতকেও তার স্টিলথ এবং উন্নত যুদ্ধবিমান সক্ষমতা বাড়ানোর দিকে আরও বেশি মনোযোগ দিতে হবে। জে-৩৫এই (J-35AE) ভিডিওটি চিনের ক্রমবর্ধমান বিমান শক্তি এবং রফতানি উচ্চাকাঙ্ক্ষা প্রদর্শন করে। পাকিস্তানের কাছে সম্ভাব্য বিক্রির খবর এখনও অনানুষ্ঠানিক, কিন্তু সত্যি হলে তা আঞ্চলিক নিরাপত্তার উপর বড় প্রভাব ফেলবে। বর্তমানে সবাই একটি আনুষ্ঠানিক ঘোষণার অপেক্ষায় রয়েছে।

Read more Photos on
click me!

Recommended Stories