বেশিরভাগ দেশেই রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে একজন রাষ্ট্রপতি বা প্রধানমন্ত্রী থাকেন। কিন্তু এমন কিছু দেশও আছে, যেখানে এই পদের কোনো অস্তিত্বই নেই। সেখানে রাজা, সুলতান, আমির বা পোপের নির্দেশেই দেশ চলে। আসুন, দেখে নিই সেই দেশগুলো।
সৌদি আরব একটি সম্পূর্ণ রাজতান্ত্রিক দেশ। এখানে রাজাই সর্বোচ্চ ক্ষমতার অধিকারী। দেশের সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ নীতি নির্ধারণ এবং প্রশাসনিক কাজ রাজা তত্ত্বাবধান করেন। তাই এখানে রাষ্ট্রপতির কোনো প্রয়োজন হয় না। বর্তমানে সলমন বিন আবদুল আজিজ আল সৌদ এই দেশের রাজা।
26
সুলতান হাইথাম বিন তারিক ওমান শাসন করেন। দেশের প্রশাসনিক এবং কার্যনির্বাহী ক্ষমতা তাঁর হাতেই রয়েছে। তিনিই সরকারের নীতি, বৈদেশিক সম্পর্ক এবং জাতীয় প্রশাসন পরিচালনা করেন। তাই এখানে আলাদা করে কোনো রাষ্ট্রপতির পদ নেই।
36
ব্রুনেইতে সম্পূর্ণ রাজতন্ত্র চালু রয়েছে, যার প্রধান সুলতান হাসানাল বলকিয়াহ। অন্যান্য অনেক রাজতন্ত্রের মতো নয়, তিনি শুধু দেশের শাসকই নন, প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বও পালন করেন। এর ফলে সমস্ত কার্যনির্বাহী ক্ষমতা একটি পদেই কেন্দ্রীভূত থাকে।
46
কাতারের রাজনৈতিক ব্যবস্থা বংশানুক্রমিক রাজতন্ত্রের উপর ভিত্তি করে তৈরি। দেশের সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষ হলেন আমির, যিনি রাজনৈতিক, প্রশাসনিক এবং কৌশলগত সিদ্ধান্ত নেন। বর্তমানে শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানি এই দায়িত্ব পালন করছেন। এখানেও কোনো রাষ্ট্রপতি নেই।
56
আফ্রিকার কয়েকটি সম্পূর্ণ রাজতান্ত্রিক দেশের মধ্যে একটি হল ইসোয়াতিনি, যার আগের নাম ছিল সোয়াজিল্যান্ড। রাজা তৃতীয় এমসওয়াতি দেশের শাসন ও জনপ্রশাসনের সমস্ত ক্ষমতা ধরে রেখেছেন। এখানে কোনো নির্বাচিত নেতার পরিবর্তে রাজতন্ত্রই রাজনৈতিক কাঠামোর কেন্দ্রে রয়েছে।
66
বিশ্বের সবচেয়ে ছোট স্বাধীন রাষ্ট্র ভ্যাটিকান সিটি পোপ দ্বারা শাসিত হয়। রোমান ক্যাথলিক চার্চের প্রধান হওয়ার পাশাপাশি, পোপ এই নগর-রাষ্ট্রের সার্বভৌম শাসক। এখানকার প্রশাসনিক, আইন প্রণয়ন এবং বিচার বিভাগীয় সমস্ত ক্ষমতা তাঁর হাতেই থাকে।