
Trump Ocean: নিজেকে তিনি খুব ভালবাসেন। এটা বরাবর দাবি করেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এবার সেই ট্রাম্পের সেই 'আত্ম-প্রেম'-এর গভীরতা মহাসাগর ছাড়িয়ে গেল। আটলান্টিক মহাসাগরের নাম বদলে 'ট্রাম্প মহাসাগর' (Trump Ocean) রাখতে চেয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প! আর সেই প্রস্তাব নিয়ে নাকি সরাসরি গুগলের সিইও সুন্দর পিচাইয়ের সঙ্গে ফোনে কথাও বলেছিলেন তিনি। কিন্তু ট্রাম্পের দাবি, তাঁর সেই প্রস্তাবে সাফ খারিজ করে দেন গুগল প্রধান। সম্প্রতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সাউথ ক্যারোলিনার ক্লেমসনে একটি নির্বাচনী জনসভায় দাঁড়িয়ে নিজেই এই অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন ট্রাম্প। তাঁর বক্তব্য ঘিরে ইতিমধ্যেই চর্চা শুরু হয়েছে।
ট্রাম্পের দাবি, আটলান্টিক মহাসাগরের নাম বদলের বিষয়টি তিনি নিছক মজা করে বলেননি। বরং বিষয়টি নিয়ে গুগল ম্যাপসের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন তিনি। সেখানেই সুন্দর পিচাইয়ের সঙ্গে কথা হয় তাঁর। ট্রাম্পের কথায়, আটলান্টিকের নাম ‘ট্রাম্প ওশান’ করার প্রস্তাব শুনে পিচাই তাঁকে বলেন, “না, না, না। এবার অন্তত আমি এটা করতে পারব না। দয়া করে আমাদের এই কাজ করতে বলবেন না।”
দেখুন ভিডিও
Trump: I called Google Maps to change the name of the Atlantic Ocean to Trump Ocean. Sundar said, “No, no, no. This time I'm not doing it.” He said, “Oceans are different, sir. They cover a lot of countries. Please don't ask us to do that.”
https://t.co/mfK2ugKs38
— The_Real_Fly (@The_Real_Fly) October 22, 2026
ট্রাম্পের বর্ণনা অনুযায়ী, নাম বদলের প্রস্তাবে আপত্তির কারণও ব্যাখ্যা করেছিলেন গুগল প্রধান। আটলান্টিক মহাসাগর কোনও একটি দেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। একাধিক দেশের উপকূল ও ভৌগোলিক অঞ্চলের সঙ্গে এই মহাসাগর জড়িয়ে রয়েছে। ফলে একক ভাবে তার নাম বদলে দেওয়া সহজ নয়। জনসভায় দাঁড়িয়ে এমনটাই জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
তবে সুন্দর পিচাইয়ের সঙ্গে কথোপকথনের প্রসঙ্গ তুললেও গুগল প্রধানের প্রশংসা করতে ভোলেননি ট্রাম্প। পিচাইকে মেধাবী ব্যক্তি বলে উল্লেখ করার পাশাপাশি গুগলের সহ-প্রতিষ্ঠাতা সের্গেই ব্রিনের কথাও বলেন তিনি। ট্রাম্পের দাবি, এর আগে আমেরিকার কয়েকটি ভৌগোলিক স্থানের নাম পরিবর্তনের ক্ষেত্রে গুগল ম্যাপস তাঁকে সহযোগিতা করেছে।
“প্রসঙ্গত, এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট থাকাকালীন গুগল ম্যাপসে 'মেক্সিকো উপসাগর'-এর নাম বদলে 'গাল্ফ অব আমেরিকা' হিসেবে দেখানোর দাবি করেছিলেন ট্রাম্প।”