
Mysterious Shiv Temple: মহাশিবরাত্রি উৎসব হল ভগবান শিবের আশীর্বাদ লাভের সর্বশ্রেষ্ঠ সুযোগ। আজ মহাশিবরাত্রি উপবাস পালিত হচ্ছে। ফাল্গুন মাসের কৃষ্ণপক্ষের (কৃষ্ণপক্ষ) চতুর্দশী তিথি আজ বিকেল ৫:০৪ মিনিটে শুরু হয়ে ১৬ ফেব্রুয়ারি বিকেল ৫:৩৪ মিনিটে শেষ হবে। শিবলিঙ্গকে ভগবান শিবের এক রূপ হিসেবে বিবেচনা করা হয় এবং সঠিক পদ্ধতিতে এর পূজা করলে কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া যায়। আসুন জেনে নিই এই বিশেষ দিনে শিবলিঙ্গের পূজার সঠিক পদ্ধতি এবং কোন নৈবেদ্য অত্যন্ত শুভ বলে মনে করা হয়।
রাজস্থানের ধোলপুর জেলায় অবস্থিত, অচলেশ্বর মহাদেব মন্দির তার অনন্য বৈশিষ্ট্যের জন্য বিশ্বখ্যাত। এখানে স্থাপিত শিবলিঙ্গ দিনে তিনবার তার রঙ পরিবর্তন করে। সকালে, সূর্যের রশ্মির সঙ্গে এটি লাল দেখায়, বিকেলে গেরুয়া রঙ ধারণ করে এবং সন্ধ্যা নাগাদ এটি অন্ধকার হয়ে যায়। বিজ্ঞানীরা এখনও এই পরিবর্তনের সঠিক কারণ নির্ধারণ করতে পারেননি।
তেলেঙ্গানার নালগোন্ডা জেলায় অবস্থিত এই মন্দিরের স্থাপত্য আধুনিক প্রকৌশলীদের কাছেও এক রহস্য। গর্ভগৃহে অবস্থিত শিবলিঙ্গটি সর্বদা একটি স্তম্ভের ছায়ায় ঢাকা থাকে। আশ্চর্যজনকভাবে, শিবলিঙ্গের চারপাশে এমন কোনও স্তম্ভ নেই যা তাদের ছায়া ফেলতে পারে। এই ছায়ার উৎস এখনও বিজ্ঞান এর কোনও হদিশ পায়নি।
ছত্তিশগড়ের এই প্রাচীন মন্দিরটিকে লক্ষলিঙ্গও বলা হয় কারণ এখানকার শিবলিঙ্গে লক্ষ লক্ষ ছোট ছোট গর্ত রয়েছে। এই লক্ষ লক্ষ গর্তের মধ্যে একটিকে পাতালের দরজা বলা হয়। আপনি যতই জল নিবেদন করুন না কেন, এটি তাৎক্ষণিকভাবে শোষিত হয় এবং কখনও পূর্ণ হয় না। এদিকে, আরও একটি গর্ত রয়েছে যা প্রচণ্ড গরমেও জলে উপচে পড়ে।
মহারাষ্ট্রের সোলাপুরে অবস্থিত এই মন্দিরটি ভাস্কর্য এবং রহস্যের এক অনন্য উদাহরণ। ১৯৯৯ সালে খননের সময় আবিষ্কৃত এই বিশাল শিবলিঙ্গটি মনোমুগ্ধকর। প্রায় ২ মিটার লম্বা এবং ৪.৫ টন ওজনের এই শিবলিঙ্গটিতে ৩৫৯টি মুখ খোদাই করা আছে। সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হল প্রতিটি মুখের একটি স্বতন্ত্র অভিব্যক্তি রয়েছে। একাদশ শতাব্দীর এই শিল্পকর্মটি শিব এবং বিষ্ণুর ঐক্যবদ্ধ রূপকে উৎসর্গ করা।