
Rock salt Used In Puja: নবরাত্রি, একাদশী বা শ্রাবণ মাসের উপোসে রান্নার সময় দেখবেন সবাই সাধারণ আয়োডিন নুনের বদলে সৈন্ধব লবণ ব্যবহার করছেন। কিন্তু কেন উপোসের খাবারে এই বিশেষ নুনের এত মাহাত্ম্য কী? চলুন জেনে নিই।
১. সমুদ্রের লবণ নয়, পাহাড়ের লবণ
সৈন্ধব লবণ = Rock Salt = Himalayan Pink Salt। এটা সমুদ্র থেকে আসে না, পাহাড়ের গুহা থেকে পাওয়া যায়।
হিন্দু শাস্ত্র মতে উপোস বা পুজোয় "সমুদ্রজাত" জিনিস বর্জন করা হয়। তাই সমুদ্রের নুনের বদলে সৈন্ধব লবণ চলে।
২. শাস্ত্র মতে সবচেয়ে শুদ্ধ:
আয়ুর্বেদ ও ধর্মশাস্ত্রে সৈন্ধব লবণকে "সাত্ত্বিক" বলা হয়েছে। এতে কোনো কৃত্রিম কেমিক্যাল, আয়োডিন বা অ্যান্টি-কেকিং এজেন্ট থাকে না।
পুজোর ভোগ, ফলাহার, উপোসে তাই এটাই ব্যবহার হয়।
৩. শরীরের জন্য হালকা:
সাধারণ নুনের তুলনায় সৈন্ধব লবণ শরীরে জল ধরে রাখে না। হজমে সাহায্য করে, গ্যাস-অম্বল কমায়।
উপোসের দিন পেটের সমস্যা না হওয়ার জন্য এটা বেস্ট।
৪. ধর্মীয় বিশ্বাস:
মান্যতা আছে যে সৈন্ধব লবণ ব্যবহার করলে ভোগ আরও শুদ্ধ হয়। দেবতাকে নিবেদন করার জন্য "তামসিক" জিনিস দেওয়া যায় না। সাধারণ আয়োডিন নুনকে অনেকে তামসিক মনে করেন কারণ এটা প্রসেসড।
৫. উপোসে অনুমতি আছে:
একাদশী, নবরাত্রি, শ্রাবণ সোমবারের উপোসে চাল-গম বাদ যায়। কিন্তু সৈন্ধব লবণ, ফল, দুধ, বাদাম খাওয়ার অনুমতি থাকে। তাই "ফলাহারি নুন" হিসেবেও পরিচিত।
পুজোয় সৈন্ধব লবণ ব্যবহারের পিছনে বিজ্ঞান + ধর্ম দুটোই আছে। শুদ্ধতা বজায় রাখা + শরীর সুস্থ রাখা দুটো উদ্দেশ্যই সার্ভ হয়।
তাই পরের বার উপোসের খিচুড়ি বা আলুর তরকারিতে নুনের প্যাকেট দেখে নেবেন - "Sendha Namak" লেখা আছে কিনা।
আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।