
Lionel Messi: লিওনেল মেসি তাঁর দুই দশকের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের ইতি টানলেন। নিজের বিদায়ী ম্যাচেও তিনি দারুণভাবে জ্বলে ওঠেন। সেই সুবাদেই আর্জেন্টিনা ৩-০ গোলে হারিয়ে দিয়েছে আফ্রিকার দেশ বেনিনকে। মেসি দুটি অ্যাসিস্ট এবং পেনাল্টি থেকে একটি গোল করে নিজের শেষ ম্যাচটিকে রীতিমতো স্মরণীয় করে রাখলেন (Lionel Messi)। প্রথমার্ধে কোনও গোল না হলেও, দ্বিতীয়ার্ধে তিনটি গোল তুলে নেয় আর্জেন্টিনা। ওটামেন্ডি ৪৮ মিনিটে, মেসির নেওয়া কর্নার কিক থেকে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন। তরুণ ফুটবলার নিকো পাজ এরপর ৬১ মিনিটে, মেসির পাস থেকে গোল করেন। মেসি ৭১ মিনিটে পাওয়া পেনাল্টি থেকে নিখুঁত নিশানায় গোল করে যান তিনি। এখেলার ১০ মিনিটে, ম্যাজিশিয়ানকে সম্মান জানাতে ম্যাচ কিছুক্ষণ বন্ধ রাখা হয় (argentina vs benin score)।
#AD10S 🐐
Sos los brazos al cielo.
Sos el abrazo eterno.
Sos resiliencia.
Sos los momentos más felices.
Sos esa pasión que es productiva para el corazón, quizá la más productiva de las pasiones.
¡Gracias! Simplemente gracias, Leo. https://t.co/FGQJKTFoYk
— 🇦🇷 Selección Argentina ⭐⭐⭐ (@Argentina) October 7, 2026
প্রসঙ্গত, ২০২২ সালের বিশ্বকাপজয়ী আর্জেন্টিনা দলের সতীর্থরাও এদিন মেসির সঙ্গে মাঠে নেমেছিলেন। মেসি নিজের শেষ ম্যাচ খেলতে চোখে জল নিয়েই স্টেডিয়ামে ঢোকেন। সমর্থকদের উপচে পড়া ভিড়ের কারণে, টিম বাস পৌঁছতে কিছুটা দেরি হয়। ফলেম ম্যাচ শুরু হতেও কিছুটা সময় লাগে। সমর্থকরা মেসিকে মাঠে পা রাখতে দেখেই আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন। ম্যাচ শেষের বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গেই আর্জেন্টিনার হয়ে মেসির দুই দশকের দীর্ঘ ফুটবল যাত্রার সমাপ্তি ঘটে। তিনি ২০০৫ সালে জাতীয় দলের হয়ে প্রথম মাঠে নামেন। এলএম১০ ২০৭টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলে ১২৫টি গোল করেছেন। আর্জেন্টিনা মেসির হাত ধরেই তিনবার বিশ্বকাপের ফাইনালে পৌঁছয়। তারা ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হয়। এছাড়া মেসি আর্জেন্টিনার হয়ে দুটি কোপা আমেরিকা শিরোপাও জিতেছেন। তবে ভক্তরা ইন্টার মায়ামির জার্সিতে তাঁর বাঁ পায়ের জাদু এখনও দেখতে পাবেন।
শেষদিন অবধি গোলের খিদে, সেই হিমশীতল মানসিকতা এবং শেষ মিনিট পর্যন্ত, সতীর্থদের নিয়ে লড়ে যাওয়া। আসলে মেসি হলেন গোটা একটা প্রজন্ম। ইতিহাস এবং নিজেই একটা আস্ত ঐতিহ্য। দাপুটে ফর্ম এবং হাসি। সব ম্যাচেই দাপুটে পারফরম্যান্স দেখিয়ে নিজেকে প্রমাণ করেছেন মেসি। বিপক্ষ ডিফেন্সকে একেবারে নাস্তানুবাদ করে ছাড়লেন গোটা ক্যারিয়ার জুড়ে। দুরন্ত গতির মুভ, কাট করে ভিতরে ঢুকেই আক্রমণ। লিওনেল মেসি আসলেই ম্যাজিশিয়ান। তিনি কাউকে পরোয়া করেন না। আক্ষরিক অর্থেই বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন দলের এক তৃপ্ত অধিনায়ক। বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম তারকা, যার ধারেকাছে কেউ নেই। যিনি নিজের রেকর্ড নিজেই ভাঙেন। সেই লিওনেল মেসি। যেন সতীর্থদের অসাধারণ পারফরম্যান্স দেখে তৃপ্ত এক সম্রাট। আকর্ষণীয় স্কিল, অসাধারণ দক্ষতা, অনবদ্য ফুটবল এবং দুরন্ত পারফরম্যান্স। যার ঝুলিতে সমস্ত সাফল্য রয়েছে।
আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।