
Indian Cricket Team: সম্প্রতি ভারতীয় দলের একের পর এক ক্রিকেটার চোট পাওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করল বিসিসিআই (BCCI)। পরিস্থিতি পর্যালোচনা করতে রবিবার বেঙ্গালুরুতে (Bengaluru) বিসিসিআই সেন্টার অফ এক্সসেলেন্সের (BCCI Centre of Excellence) প্রধান ভিভিএস লক্ষ্মণের (VVS Laxman) সঙ্গে বৈঠকে বসবেন বিসিসিআই সচিব দেবজিৎ সাইকিয়া (BCCI secretary Devajit Saikia)। মূলত ক্রিকেটারদের রিহ্যাব ও চোট সারানোর ব্যবস্থাপনা কতটা কার্যকরভাবে চলছে, তা খতিয়ে দেখতেই এই বৈঠক। এই মুহূর্তে বিসিসিআই-এর প্রধান চ্যালেঞ্জ হল, চোটগ্রস্ত ক্রিকেটারদের দ্রুত কিন্তু নিরাপদে মাঠে ফিরিয়ে আনা। একসঙ্গে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ক্রিকেটারের চোট ভারতীয় দলের সামনে বড় উদ্বেগ তৈরি করেছে। ফলে রিহ্যাবের ব্যবস্থাপনা এবং ক্রিকেটারদের মাঠে ফেরানোর প্রক্রিয়া নিয়ে বিসিসিআই-এর এই পর্যালোচনা বৈঠক যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
চোটের কারণে শ্রীলঙ্কার (India tour of Sri Lanka 2026) বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজে জসপ্রীত বুমরা (Jasprit Bumrah), বি সাই সুদর্শন (B Sai Sudharsan), হর্ষিত রানা (Harshit Rana), নীতীশ কুমার রেড্ডি (Nitish Kumar Reddy) এবং ওয়াশিংটন সুন্দর (Washington Sundar) খেলতে পারছেন না। এছাড়াও বাংলার রঞ্জি ট্রফি (Ranji Trophy) সেমি-ফাইনালে হারের পর থেকে দীর্ঘদিন মাঠের বাইরে রয়েছেন আকাশ দীপ (Akash Deep)। এর পাশাপাশি সাদা বলের ক্রিকেটের গুরুত্বপূর্ণ ক্রিকেটার হার্দিক পাণ্ডিয়া (Hardik Pandya), বরুণ চক্রবর্তী (Varun Chakravarthy) এবং প্রিন্স যাদবও (Prince Yadav) এখন বিসিসিআই সেন্টার অফ এক্সসেলেন্সে আছেন। ২০২৫ সালের শুরুতে নীতিন প্যাটেল পদত্যাগ করার পর থেকেই স্পোর্টস সায়েন্স বিভাগ কোনও পূর্ণ সময়ের প্রধান ছাড়াই অতিরিক্ত চাপের মধ্যে কাজ করছে বলে জানা গিয়েছে। সুদর্শন ও বুমরাকে ফিটনেস সাপেক্ষে শ্রীলঙ্কা সফরের দলে রাখা হয়েছিল। কিন্তু সিওই-র বিশেষজ্ঞরা পরিস্থিতির সামগ্রিক দিক বিবেচনা করে ঝুঁকি না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।
বিসিসিআই-এর এক সূত্র সংবাদসংস্থা পিটিআই-কে জানিয়েছে, ‘হ্যাঁ, পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে সচিব সাইকিয়া বেঙ্গালুরুতে থাকবেন এবং ভিভিএস লক্ষ্মণের সঙ্গে তাঁর বৈঠক রয়েছে। জাতীয় দলের প্রধান কোচ গৌতম গম্ভীর (Gautam Gambhir) কিংবা নির্বাচক কমিটির চেয়ারম্যান অজিত আগরকর (Ajit Agarkar) অনলাইনে এই বৈঠকে যোগ দেবেন কি না, তা এখনও জানা যায়নি।’ সূত্রটির আরও দাবি, এত জল্পনার মধ্যে সাইকিয়া ও লক্ষ্মণ সংবাদমাধ্যমের কয়েকটি প্রশ্নের মুখোমুখি হন কি না, সেটিও নজরে রাখার মতো বিষয়।
আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।