
India U-17 Football Team: সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশন (AIFF) ভারতের অনূর্ধ্ব-১৭ পুরুষ জাতীয় দলের নতুন হেড কোচ হিসেবে প্রাক্তন ভারতীয় ফুটবলার মেহরাজউদ্দিন ওয়াডুর নাম ঘোষণা করেছে। AIFF-এর ওয়েবসাইটে জানানো হয়েছে, ৪২ বছর বয়সী ওয়াডু বুধবার গোয়ার মারগাওতে শুরু হওয়া প্রস্তুতি শিবিরের দায়িত্ব নিয়েছেন। এই মুহূর্তে জাতীয় শিবিরে ট্রায়াল চলছে। প্রধান লক্ষ্য হল, AFC অনূর্ধ্ব-১৭ এশিয়ান কাপেের কোয়ালিফায়ার ম্যাচের জন্য দলকে ভালোভাবে তৈরি করা।
এই কোয়ালিফায়ারে ভারতকে গ্রুপ 'ই'-তে রাখা হয়েছে। খেলা হবে মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে। আগামী ১১-২০ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে এই লড়াই। গ্রুপে ভারতের প্রতিপক্ষ আয়োজক দেশ মালয়েশিয়া, প্যালেস্টাইন, সিঙ্গাপুর এবং গুয়াম। প্রসঙ্গত, সিরিয়ার বিরুদ্ধে ১-০ গোলে জয় দিয়ে অভিযান শুরু করেছে ব্লু কোল্টসরা। অন্যদিকে, আটটি গ্রুপের মধ্যে শুধুমাত্র গ্রুপ বিজয়ীরা এবং সেরা সাতটি রানার্স-আপ দল AFC U20 এশিয়ান কাপের মূল পর্বে খেলার সুযোগ পাবে। তাই প্রতিটি পয়েন্টই ভীষণ জরুরি। গ্রুপ এ-তে মাত্র তিনটি দল থাকায়, রানার্স-আপ দলগুলির তুলনার সময় প্রতিটি গ্রুপের শেষ স্থানে থাকা দলের বিরুদ্ধে ম্যাচের ফলাফল গণ্য করা হবে না। ফলে, গ্রুপের সেরা তিনটি দলের মধ্যে লড়াই আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।
বৃহস্পতিবারই, ভারতের যোগ্যতা অর্জন প্রায় পাকা হয়ে যেতে পারে। যদি ব্লু কোল্টসরা উজবেকিস্তানকে হারাতে পারে এবং অন্য ম্যাচে বাংলাদেশ যদি সিরিয়াকে হারাতে ব্যর্থ হয়, তাহলে গ্রুপের শীর্ষে থেকে ভারত AFC U20 এশিয়ান কাপ চিন ২০২৭-এর মূল পর্বে জায়গা পাকা করে নেবে।
ওয়াডুর কাছে AFC প্রো লাইসেন্স রয়েছে। কোচ এবং খেলোয়াড় হিসেবে তাঁর অভিজ্ঞতা বেশ ঈর্ষণীয়। সম্প্রতি তিনি মহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের হেড কোচ ছিলেন। এর আগে রিয়াল কাশ্মীর এফসি এবং সুদেভা দিল্লি এফসি-র হয়েও কোচিং করিয়েছেন। খেলোয়াড় জীবনে তিনি ভারতীয় দলের একজন গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ছিলেন। ২০০৮ সালে, AFC চ্যালেঞ্জ কাপ জয়ী দলের অংশ ফুটবলার তিনি। ২০১১ সালে, AFC এশিয়ান কাপেও দেশের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করেন। এছাড়াও ২০০৫ সালে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ, ২০০৭ ও ২০০৯ সালে নেহরু কাপ জিতেছেন। ২০১৫ সালে, চেন্নাইয়িন এফসি-র হয়ে আইএসএল খেতাবও তাঁর ঝুলিতে রয়েছে।
নতুন এই দায়িত্ব পেয়ে মেহরাজউদ্দিন ওয়াডু জানিয়েছেন, “ভারতের অনূর্ধ্ব-১৭ দলের দায়িত্ব নেওয়াটা একটা বড় সম্মানের বিষয়। এই বয়সটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের লক্ষ্য হল, এমন একটা পরিবেশ তৈরি করা, যেখানে ফুটবলাররা নিজেদের উন্নতি করতে পারে। আমরা ট্রায়াল দিয়ে শিবির শুরু করেছি এবং আসন্ন কোয়ালিফায়ারের জন্য সেরা প্রস্তুতি নেব। আমি খেলোয়াড়দের সঙ্গে কাজ করার জন্য মুখিয়ে আছি এবং আশা করি শিবিরটা ফলপ্রসূ হবে।”
আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।