Lionel Messi World Cup Performance: লিওনেল মেসির নেওয়া সেই সিদ্ধান্তের জন্য অবশ্যই আর্জেন্টিনা টিম ম্যানেজমেন্টের ধন্যবাদ জানানো উচিত (Lionel Messi World Cup record)। তাহলে কি তিন বছর আগে থেকেই ২০২৬ সালের বিশ্বকাপ জেতার ছক কষে রেখেছিলেন ‘এলএম১০' (Lionel Messi Argentina)?
কারণ, চলতি বিশ্বকাপে তিনি যে ফর্মে রয়েছেন, তাতে সেই প্রশ্নই বারবার ঘুরপাক খাচ্ছে। মাত্র দুটি ম্যাচেই পাঁচ গোল করে ফেলেছেন মেসি। তার মধ্যে আবার একটি হ্যাটট্রিকও আছে। কার্যত, অপ্রতিরোধ্য আর্জেন্টিনা। এই সাফল্যের নেপথ্যে কি মেসির কোনও চাল রয়েছে?
প্রসঙ্গত, ২০২২ সালে কাতার বিশ্বকাপ জেতার সময়, ফরাসি ক্লাব পিএসজি-তে খেলতেন মেসি। কিন্তু বিশ্বকাপের পর সেই ক্লাবের সঙ্গে চুক্তি শেষ হয় এবং ২০২৩ সালে, মেসি যোগ দেন আমেরিকার মেজর লিগ সকারের ক্লাব ইন্টার মায়ামিতে। আর তার ফলে, একদিকে যেমন আমেরিকায় ফুটবলের প্রচার হয়েছে, ঠিক তেমনই লাভবান হয়েছেন মেসি নিজেও।
উল্লেখ্য, তিন বছর আগে সেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার বেশ কিছু কারণ ছিল। তার মধ্যে সবচেয়ে বড় কারণ হল, ওয়ার্কলোড ম্যানেজমেন্ট। ইউরোপের কোনও ক্লাবে খেললে একটি মরশুমে অন্তত ৫০টি ম্যাচ খেলতে হত। যেটা একটা সময় মেসি খেলেছেন। সেই তুলনায় মেজর লিগ সকারে ম্যাচের সংখ্যাটা অনেক কম। তাছাড়া এখানে বাছাই করে মাঠে নামার স্বাধীনতা রয়েছে। সেই ক্লাবকেও মেসি দু-বছরে দুটি ট্রফি এনে দিয়েছেন।
ফলে, আমেরিকাতে এসে তাঁর ধকল অনেকটা কমেছে। যার ফলে, তিনি নিজের সেরাটা উজাড় করে দিতে পারছেন বিশ্বকাপে। তবে শুধু লিও একা নন, তাঁর অন্যত্যম সতীর্থ রদ্রিগো ডি পলকেও নিয়ে এসেছেন সঙ্গে করে। এবার এই জুটি আর্জেন্টিনা জাতীয় দলেও ক্লিক করে গেছে ভালোভাবে।
মেসির কথায়, “আমি ফুটবল খেলতে ভালোবাসি এবং প্রতিযোগিতাও ভালোবাসি। আরও একটা বিশ্বকাপ খেলতে নামছি। তার থেকে বেশি আনন্দ আর কিছুতে নেই। গোটা ক্যারিয়ার জুড়ে যেভাবে নিজেকে তৈরি করেছি, এখনও সেটাই করে চলেছি।” রদ্রিগো ডি পল আবার জানিয়েছেন, ”আমরা প্রতিদিন কঠোর অনুশীলন করেছি। এখন তার ফল পাচ্ছি। লিওকে দেখে তো ওর বয়সই বোঝা যাচ্ছে না। মাঠে নেমে একইরকম মজা করে খেলছে। মেসির খেলা দেখতেও ভালো লাগে।”
আর্জেন্টিনা কোচ স্কালোনি বলেছেন, "যতদিন চাইবে, ততদিনই নিজের সেরা ফর্মে থাকবে লিও। গত ২০ বছর ধরে ও এটাই করে দেখাচ্ছে।”
আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।