UP Crime Case: তরুণীকে গণধর্ষণের অভিযোগে উত্তাল উত্তরপ্রদেশ, গ্রেফতার সেনা জওয়ান সহ ৪ জন

Published : Sep 24, 2026, 10:59 AM IST
Woman Harassment

সংক্ষিপ্ত

UP Crime Case: যোগীরাজ্যে তীর্থস্থান ভ্রমণের নামে তরুণীকে ফুঁসলিয়ে নিয়ে গিয়ে গণধর্ষনের অভিযোগ। গ্রেফতার সেনা জওয়ান সহ চারজন পুলিশ অফিসার। কোথায় ঘটেছে এই ঘটনা? কী অভিযোগ জানিয়েছেন ওই তরুণী? বিস্তারিত জানতে পড়ুন সম্পূর্ণ প্রতিবেদন।।

UP Gang Rape Case: পুলিশ অফিসর, সেনা জওয়ানের লালসার শিকার ২৩ বছরের তরুণী। মন্দির দর্শণের নাম করে হরিয়ানার বছর ২৩ এর এক তরুণীকে উত্তরপ্রদেশে ফুঁসলিয়ে নিয়ে গিয়ে রাতভর ফার্ম হাউসে আটকে রেখে ধর্ষণের অভিযোগ। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে, উত্তর প্রদেশের আমরোহা জেলায়। নির্যাতিতা তরুণীর অভিযোগের ভিত্তিতে ২ পুলিশ অফিসার, ২ সেনা জওয়ান সহ মোট ৪ জনকে গ্রেফতার করেছে রাজবপুর থানার পুলিশ।

তরুণীকে গণধর্ষণের অভিযোগে উত্তাল উত্তরপ্রদেশ:-

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযুক্তরা হল- সিআরপিএফ জওয়ান মোহিত ও লালারাম যাদব। এবং দুই পুলিশ অফিসার সঞ্জয় ও প্রমোদ। সূত্রের খবর, আক্রান্ত তরুণী হরিয়ানার সোনিপতে সিআরপিএফ জওয়ান মোহিতের সঙ্গে প্রথমে দেখা করেন। মোহিতের কাছে সে মন্দির দর্শনের আবদার করলে সিআরপিএফ জওয়ান মোহিত তাতে রাজি হয়ে যায়। এবং ওই তরুণীকে মন্দিরে ঘোরানোর নাম করে গাড়ি করে উত্তরপ্রদেশের আমরোহা জেলার একটি ফার্ম হাউসে নিয়ে যায়।

সূত্রের খবর, যে ফার্ম হাউসে এই ঘটনাটি ঘটেছে সেটি উত্তরাখণ্ডের এক নির্দল বিধায়কের। পুলিশ জানিয়েছে, রাতের অন্ধকারে মোহিত গাড়ি করে ওই তরুণীকে খামার বাড়িতে নিয়ে যাচ্ছিল। সেই সময় পথেই গাড়িতে ওঠেন অপর এক জওয়ান লালারাম যাদব। এবং ওই খামার বাড়িতে আগে থেকেই এক পুলিশ আধিকারিক সেখানে উপস্থিত ছিলো। পরে আরও একজন তাদের দলে যোগ দেন।

তরুণীর অভিযোগ, এরপর রাতভর একজন একজন করে তার উপর নির্যাতন চালায়। এরপর অপর পুলিশকর্মী তাঁকে ধর্ষণের চেষ্টা করলে তিনি কোনও রকমে সেখান থেকে পালিয়ে অন্য ঘরে গিয়ে দরজা বন্ধ করে দেন। এরপর নিজের ফোন থেকে কোনও রকমে স্থানীয় থানায় যোগাযোগ করেন। তরুণীর অভিযোগের ভিত্তিতে হাসানপুর এবং রাজবপুর থানা থেকে থেকে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে নির্যাতিতাকে উদ্ধার করে।

গ্রেফতার করা হয়েছে চার অভিযুক্তকেই। ওই দুই পুলিশকর্মী এবং দুই আধাসেনা জওয়ানের বিরুদ্ধে অপহরণ, প্রলোভন দেখিয়ে অপহরণ এবং গণধর্ষণের অভিযোগ এফআইআর রুজু করা হয়েছে। আমরোহার পুলিশ সুপার লক্ষ্মণ সিংহ যাদব জানান, চার জনেই বর্তমানে জেল হেফাজতে রয়েছে। তারমধ্যে এক পুলিশ কর্মীকে নিলম্বিত করা হয়েছে। বাকিদের বিরুদ্ধেও তদন্ত শুরু হয়েছে।

আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।

PREV
Read more Articles on
click me!

Recommended Stories

যমজ বোনের আধার নিয়ে বিরল ঘটনা! যেভাবে মিলল সমাধান
Extramarital Affair: বিয়ের পরেই স্বামীকে ঘুমের ওষুধ দিয়ে প্রেমিকের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ অবস্থায় যুবতী!