Air Conditioner: গরমের হাত থেকে বাঁচতে সবাই এখন এসির দিকে ঝুঁকছেন। কিন্তু বাজারে এত ব্র্যান্ড আর স্টার রেটিংয়ের ছড়াছড়ি যে, কোনটা কিনবেন তা নিয়ে অনেকেই বিভ্রান্ত হয়ে পড়েন।
এসি ব্যবহার শুরু করার আগে অবশ্যই সার্ভিসিং করিয়ে নিন। বিশেষ করে গ্যাস লিক হচ্ছে কিনা দেখে নিলে কুলিং ভালো হয়। ইনডোর এবং আউটডোর ইউনিট পরিষ্কার রাখলে বিদ্যুৎ খরচও কমে। সার্ভিসিং করালে এসির আয়ু বাড়ে এবং আপনি ঠান্ডা হাওয়া পান।
25
স্টার রেটিংয়ের আসল পার্থক্য:
৩ স্টার ও ৫ স্টার এসির বিদ্যুৎ বিলে খুব বড় কোনও পার্থক্য হয় না। যে সব মধ্যবিত্ত পরিবার দিনে ৬ ঘণ্টা এসি চালায়, তাদের জন্য ৩ স্টার এসি-ই সেরা। এসি কেনার সময় শুধু দাম নয়, কম্প্রেসরের ওয়ারেন্টি এবং বিক্রির পরের পরিষেবা কেমন, সেটাও জেনে নেওয়া দরকার। তবেই আপনার বিনিয়োগ সার্থক হবে।
35
Samsung, Panasonic-এর এসি:
Samsung ও Panasonic-এর মতো ব্র্যান্ডগুলো দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহারের জন্য বেশ ভালো। এদের ১.৫ টনের এসি ৩৫ থেকে ৪০ হাজার টাকার মধ্যে পাওয়া যায়। ওয়াইফাই ফিচার থাকায় আপনি অফিস থেকে বেরোনোর সময়ই এসি অন করতে পারবেন। Panasonic-এর ডাস্ট বাস্টার টেকনোলজি বাতাসের সূক্ষ্ম ধুলিকণাও ফিল্টার করে, যা স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী।
এসি কেনার সময় ইনস্টলেশন চার্জ এবং স্টেবিলাইজারের খরচও বাজেটে ধরে রাখতে হবে। সাধারণত ইনস্টলেশনের জন্য ২ থেকে ৩ হাজার টাকা খরচ হয়। ভোল্টেজের ওঠানামা থেকে এসিকে বাঁচাতে ২ হাজার টাকার মধ্যে একটি ভালো স্টেবিলাইজার কেনা জরুরি। এটি বজ্রপাত বা ভোল্টেজ ফ্ল্যাকচুয়েশনের সময় এসিকে সুরক্ষিত রাখে।
55
বাজেট অনুযায়ী সেরা ডিল:
MarQ-এর মতো কিছু ব্র্যান্ড ২০ হাজার টাকাতেও এসি বিক্রি করে। যাদের বাজেট কম, তাদের জন্য এটি একটি ভালো বিকল্প। তবে ভালো ব্র্যান্ডের জন্য ৩০ হাজারের বেশি খরচ করাই বুদ্ধিমানের কাজ। গরমের অফারে বিভিন্ন ব্যাঙ্কের ডিসকাউন্ট ব্যবহার করলে দাম আরও কমতে পারে। এসিকে সবসময় একটি দীর্ঘমেয়াদী বিনিয়োগ হিসেবে দেখুন এবং ভালো মানের মডেল বেছে নিন।