JioFiber vs Jio AirFiber: জিও ফাইবার আর জিও এয়ারফাইবারের খরচ প্রায় এক হলেও স্পিড আর ডেটা লিমিটে বেশ কিছু তফাত আছে। আপনার বাড়ির জন্য কোনটা বেশি ভালো হবে? বেশি ডেটা আর একটানা স্পিড পেতে কোন কানেকশনটা নেওয়া উচিত, চলুন দেখে নিই।
আজকাল বাড়িতে ইন্টারনেট ছাড়া এক মুহূর্তও চলে না। ওয়ার্ক ফ্রম হোম, অনলাইন ক্লাস, সিনেমা দেখা বা গেমিং—সব কিছুর জন্যই হাই-স্পিড ইন্টারনেট চাই। এই চাহিদা মেটাতেই রিলায়েন্স জিও নিয়ে এসেছে জিও ফাইবার এবং জিও এয়ারফাইবার। দুটোই একই কোম্পানির সার্ভিস হলেও কানেকশন দেওয়ার ধরন আর ডেটা লিমিটে বেশ কিছু পার্থক্য আছে। কোনটায় আপনার বেশি লাভ, আসুন জেনে নিই।
24
তারের ঝামেলা ছাড়াই জিও এয়ারফাইবার!
জিও এয়ারফাইবার পুরোপুরি ৫জি ওয়্যারলেস প্রযুক্তির ওপর নির্ভর করে চলে। এর জন্য বাড়িতে কোনো অপটিক্যাল ফাইবার কেবল টানার দরকার পড়ে না। ৫জি নেটওয়ার্কের মাধ্যমে রাউটার দিয়ে বাড়িতে ইন্টারনেট পরিষেবা দেওয়া হয়। যেসব এলাকায় ফাইবার কেবল পৌঁছায়নি, সেখানে এয়ারফাইবার দারুণ কাজে আসতে পারে। তবে আপনার এলাকায় ৫জি সিগন্যাল কতটা স্ট্রং, তার ওপর এর স্পিড নির্ভর করবে।
34
কোন কানেকশনে বেশি ডেটা পাবেন?
জিও ফাইবার আর এয়ারফাইবারের মধ্যে সবচেয়ে বড় তফাত হলো ডেটা লিমিট। জিও ফাইবারের বেশ কিছু প্ল্যানে মাসে ৩.৩ টিবি (3.3TB) পর্যন্ত ডেটা পাওয়া যায়। অন্যদিকে, জিও এয়ারফাইবারের প্ল্যানগুলোতে সাধারণত মাসে ১,০০০ জিবি (1,000GB) পর্যন্ত ডেটা লিমিট থাকে। আপনি যদি রোজ প্রচুর ইন্টারনেট ঘাঁটেন বা বড় ফাইল ডাউনলোড করেন, তবে বেশি ডেটার প্ল্যান বেছে নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ হবে।
দুটি সার্ভিসের খরচ প্রায় কাছাকাছি হলেও ইনস্টলেশন চার্জ আর প্ল্যানের ওপর মোট খরচ নির্ভর করে। দুটোতেই নির্দিষ্ট প্ল্যানের সঙ্গে ওটিটি (OTT) সাবস্ক্রিপশন আর জিও সেট-টপ বক্সের সুবিধা পাওয়া যায়। তবে আপনার এলাকায় যদি জিও ফাইবারের সুবিধা থাকে, তবে সেটাই নেওয়া ভালো। কারণ তারের কানেকশনে স্পিড অনেক বেশি স্টেবল থাকে। আর যদি ফাইবার কেবল পৌঁছানোর উপায় না থাকে, তবে জিও এয়ারফাইবার আপনার জন্য সেরা বিকল্প হতে পারে।