
Diwali 2026: দীপাবলির আগে ফের বাড়ছে মাটির প্রদীপের চাহিদা। একসময় ইলেকট্রিক আলোর দাপটে কিছুটা হারিয়ে যেতে বসেছিল মাটির প্রদীপ। কিন্তু এবার ছবিটা কিছুটা আলাদা। উৎসবের আগে চাহিদা বাড়ায় দিনরাত এক করে কাজ করছে মালদার গাজোলের কৃষ্ণপল্লী পালপাড়ার মৃৎশিল্পীরা। যদিও কাঁচামালের দাম বৃদ্ধি এবং লাভ কম হওয়ায় সমস্যায় রয়েছেন শিল্পীরা।
প্রদীপের আলোয় সেজে উঠবে চারপাশ। আর সেই আলোর উৎসবে বাঙালির চিরাচরিত ঐতিহ্য মাটির প্রদীপের গুরুত্বও যেন নতুন করে ফিরে আসছে। দীপাবলির আগে তাই ব্যস্ততার ছবি মালদার গাজোলের কৃষ্ণপল্লী পালপাড়ায়। ইলেকট্রিক আলোর ভিড়ে হারিয়ে যেতে বসেছিল মাটির প্রদীপ। কিন্তু এবার দীপাবলিতে ফের বাড়ছে মাটির প্রদীপের চাহিদা। আর তাই উৎসবের আগে ব্যস্ততা বেড়েছে মালদার গাজোলের মৃৎশিল্পীদের।হিন্দু বাঙালির ঘরে ঘরে দীপাবলিতে মাটির প্রদীপ জ্বালানো রীতি। সেই রীতি মেনেই এবারও প্রদীপের জোগান দিতে দিনরাত এক করে কাজ করছেন গাজোলের কৃষ্ণপল্লী পালপাড়ার শিল্পীরা।
মৃৎশিল্পী লক্ষ্মী রানী পাল জানান, "দীপাবলির জন্য আমরা দু-তিন মাস আগে থেকেই প্রস্তুতি শুরু করি। ভালো মাটি সংগ্রহ করে মেশিনে সেই মাটি প্রস্তুত করতে হয়, যা বেশ সময়সাপেক্ষ। তারপর হাতে ও মেশিনে প্রদীপ গড়ে রোদে শুকিয়ে রঙ করে বাজারে পাঠানো হয় '। পালপাড়ায় গিয়ে দেখা গেল, পুরুষদের পাশাপাশি মহিলারাও হাতে হাত মিলিয়ে বিভিন্ন রঙের, বিভিন্ন ডিজাইনের মাটির প্রদীপ তৈরি করছেন।মৃৎশিল্পী নিবারণ পাল জানান , "বাজারে ইলেকট্রিক প্রদীপ চলে আসায় মাটির প্রদীপের চাহিদা একসময় অনেক কমে গিয়েছিল। তবে গত বছরের তুলনায় এবার চাহিদা অনেক ভালো। কিন্তু সমস্যা হল, মাটি, রং সহ প্রদীপ তৈরির সরঞ্জামের দাম অনেক বেড়ে গেছে, সেই তুলনায় প্রদীপের দাম বাড়েনি। তাই লাভ প্রায় থাকছেই না। তবুও পেটের টানে আর বংশ পরম্পরার এই পেশাকে আঁকড়ে ধরে থাকা ।"
পালপাড়ার প্রদীপ শুধু মালদা নয়, আশেপাশের বিভিন্ন জেলাতেও যায়। এই শিল্পের ওপর ভর করেই চলে অনেকের সংসার। শিল্পীরা চাইছেন, সরকারি সহযোগিতা পেলে এই শিল্পকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব হবে।
West Bengal News (পশ্চিমবঙ্গের খবর): Read In depth coverage of West Bengal News Today in Bengali including West Bengal Political, Education, Crime, Weather and Common man issues news at Asianet News Bangla.