গোবিন্দভোগ, তুলাইপাঞ্জি এবং কনকচূড় পেল হেরিটেজ তকমা, ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রী মমতার

Published : Feb 18, 2026, 02:48 PM ISTUpdated : Feb 18, 2026, 03:04 PM IST
Gobindobhog Tulaipanji and Kanakchur recognized as Food and Culture Heritage by united nations

সংক্ষিপ্ত

বাংলার বিখ্যাত সুগন্ধি চাল গোবিন্দভোগ, তুলাইপাঞ্জি এবং কনকচূড়কে আন্তর্জাতিক 'খাদ্য ও সংস্কৃতি ঐতিহ্য' (Food & Culture Heritage) হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে ইউনাইটেড নেশন।

বাংলার বিখ্যাত সুগন্ধি চাল গোবিন্দভোগ, তুলাইপাঞ্জি এবং কনকচূড়কে আন্তর্জাতিক 'খাদ্য ও সংস্কৃতি ঐতিহ্য' (Food & Culture Heritage) হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে ইউনাইটেড নেশন। এই সুখবর জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে তিনি স্বীকৃতির সার্টিফিকেটও পোস্ট করেছেন। এছাডা়ও, ইউনাইটেড নেশনসের Food and Agriculture Organization (FAO) আমাদের 'মাটির সৃষ্টি' কর্মসূচিকে দিয়েছে এই আন্তর্জাতিকভাবে মূল্যবান স্বীকৃতি।

সোশ্যাল মিডিয়ায় মমতা লেখেন, 'অত্যন্ত গর্বের সঙ্গে জানাচ্ছি যে, UN আবারও আমাদের একটি পথিকৃৎ উদ্যোগকে স্বীকৃতি দিয়েছে। ইউনাইটেড নেশনসের Food and Agriculture Organization (FAO) আমাদের 'মাটির সৃষ্টি' কর্মসূচিকে দিয়েছে এই আন্তর্জাতিকভাবে মূল্যবান স্বীকৃতির শংসাপত্র। আমাদের রাজ্যের পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে ২০২০ সালে আমরা যে পথপ্রদর্শক 'মাটির সৃষ্টি' প্রকল্প শুরু করেছিলাম, তার বিপুল সাফল্যের জন্যই আন্তর্জাতিক স্তরের এই প্রশংসাপত্র। প্রাকৃতিক ঐতিহ্য এবং জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের ক্ষেত্রে কার্যকর এই বহুমুখী প্রকল্পটিকে একটি অনন্য জনমুখী উদ্যোগ হিসেবে UN স্বীকৃতি দিল। 'মাটির সৃষ্টি' প্রকল্পের মাধ্যমে, এক অনন্য বীক্ষায়, আমরা জমি, সেচ এবং পঞ্চায়েত ব্যবস্থার নানা প্রকরণকে এক সূত্রে গেঁথেছি। আমাদের মূল লক্ষ্য থেকেছে পশ্চিমাঞ্চলের রুক্ষ, অনুর্বর এবং একফসলি জমিকে উর্বর, বহুফসলি, ও বছরভর চাষযোগ্য করে তোলা। সুজলা ও উর্বর এইসব জমিতে এখন শাকসবজির ফলন ও ফলের চাষও হচ্ছে। পুকুর খনন ও অন্যান্য নতুন সেচ ব্যবস্থার মাধ্যমে জলের জোগান নিশ্চিত করা হয়েছে। এর ফলে লক্ষ লক্ষ মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে এবং গ্রামীণ পরিবারগুলির আয় বহুগুণ বেড়েছে।'

 

 

মুখ্যমন্ত্রী এরপর লেখেন,'আমি আনন্দের সঙ্গে আরও জানাচ্ছি যে, UN (FAO) এর পাশাপাশি বাংলার বিখ্যাত সুগন্ধি চাল— গোবিন্দভোগ, তুলাইপাঞ্জি এবং কনকচুরকে আন্তর্জাতিক 'খাদ্য ও সংস্কৃতি ঐতিহ্য' (Food & Culture Heritage) হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। রাষ্ট্রপুঞ্জের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার ডিরেক্টর জেনারেলের কাছ থেকে পাওয়া এই সার্টিফিকেটগুলো আমি আপনাদের সঙ্গে শেয়ার করছি। প্রাকৃতিক সম্পদ, জীববৈচিত্র্য এবং আমাদের খাদ্য সংস্কৃতি রক্ষার ক্ষেত্রে এইসব আন্তর্জাতিক সম্মান বাংলার কাজের এক বিশাল স্বীকৃতি। এই গৌরব আমি গ্রামবাংলার সকল মানুষ, বিশেষ করে বাংলার কৃষক ভাই-বোনদের উৎসর্গ করছি।'

পশ্চিমবঙ্গ সরকারের “মাটির সৃষ্টি” প্রকল্প হল একটি অভিনব উদ্যোগ, যা বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, বীরভূম, ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম বর্ধমান এবং পশ্চিম মেদিনীপুরের মত পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে পতিত ও অনুর্বর জমিকে বহারযোগ্য করে তোলা। এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য হল স্থানীয় বেকার যুবকদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা এবং উদ্যানপালন, মৎস্য ও পশুপালনের মাধ্যমে খরাপ্রবণ পতিত জমির বাণিজ্যিক ব্যবহার নিশ্চিত করা। পশ্চিমবঙ্গ সরকার ২০২০ সালের মে মাসে ছয়টি পচিমাঞ্চাল জেলায় “মাটির সৃস্টি” প্রকল্প চালু করেছে। 

PREV

West Bengal News (পশ্চিমবঙ্গের খবর): Read In depth coverage of West Bengal News Today in Bengali including West Bengal Political, Education, Crime, Weather and Common man issues news at Asianet News Bangla.

Read more Articles on
click me!

Recommended Stories

বাংলাদেশিদের অপহরণ কাণ্ডে গ্রেফতার হয়ে হাসতে হাসতে কী বললেন অভিযুক্ত?
BJP: ময়নায় বিজেপি নেতাকে তুলল পুলিশ, থানার সামনে দাঁড়িয়েই পুলিশকে চরম বার্তা শুভেন্দুর! দেখুন