
Taki Rajbari: টাকির ৩০৭ বছরের প্রাচীন পুবের বাড়ির দুর্গাপুজোয় মা দুর্গার বিসর্জন ঘিরে বিষাদের সুর। পান্তা ভাত ও কচুশাক নিবেদন, ২৪ বেড়ার কাঁধে উমার কৈলাসযাত্রা এবং প্রাচীন পারিবারিক রীতি মেনে কীভাবে দেবীকে বিদায় জানানো হয়, জানুন এই প্রতিবেদনে।
টাকি: ঢাকের বাদ্যি থেমে আসতেই বিষাদের সুর টাকির ঐতিহ্যবাহী রাজবাড়িতে। ৩০৭ বছরের প্রাচীন পুবের বাড়ির দুর্গোৎসবে দেবী দুর্গার বিদায়পর্ব ঘিরে রয়েছে বিশেষ আয়োজন। প্রাচীন পারিবারিক রীতি মেনে পান্তা ভাত ও কচুশাক নিবেদন করে উমাকে বিদায় জানানোর প্রস্তুতি চলছে। এই পুজোর অন্যতম আকর্ষণ ২৪ বেড়ার কাঁধে চড়ে দেবীর কৈলাসযাত্রা।
উত্তর ২৪ পরগনার ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী টাকির পুবের বাড়ির দুর্গাপুজো শুধু ধর্মীয় উৎসব নয়, বাংলার ইতিহাস ও সংস্কৃতির এক গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে চলে আসা এই ঐতিহ্য আজও ধরে রেখেছে পরিবারের সদস্যরা।
দেবীর বিদায়লগ্নে সিঁদুর খেলা ও প্রাচীন আচার-অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে আনন্দের সঙ্গে মিশে যায় বিচ্ছেদের বেদনা। ইছামতি নদীকে ঘিরে টাকির সাংস্কৃতিক পরিচিতি এবং দুই বাংলার আবেগও এই উৎসবকে বিশেষ তাৎপর্য দিয়েছে।
পান্তা ভাত-কচুশাকের নিবেদন থেকে ২৪ বেড়ার কাঁধে উমার কৈলাসযাত্রা, টাকির পুবের বাড়ির এই ব্যতিক্রমী রীতি আজও দর্শনার্থীদের আকর্ষণ করে। বিসর্জনের মধ্য দিয়ে দুর্গোৎসবের সমাপ্তি ঘটলেও রাজবাড়ির অন্দরে শুরু হয় আগামী বছরের অপেক্ষা।