‘অনেক স্বপ্ন নিয়ে পড়তে এসেছিল যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়। সেখানে তার সব স্বপ্ন ভেঙে চুরমার হয়ে গেল। গোটা ঘটনার গভীর তদন্ত হওয়া উচিত। এরা অপরাধী, এদের প্রকাশ্যে নিয়ে আসা উচিত। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ দায় এড়াতে পারেন না।’
'অনেক স্বপ্ন নিয়ে পড়তে এসেছিল যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়। সেখানে তার সব স্বপ্ন ভেঙে চুরমার হয়ে গেল। গোটা ঘটনার গভীর তদন্ত হওয়া উচিত। এরা অপরাধী, এদের প্রকাশ্যে নিয়ে আসা উচিত। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ দায় এড়াতে পারেন না। র্যাগিং বিরোধী আইন তৈরি হয়েছিল পশ্চিমবঙ্গে। কিন্তু ২০১৩'র পর থেকে এই সংক্রান্ত কমিটির কাজ বন্ধ হয়ে যায়।' জলপাইগুড়িতে জানালেন সুজন চক্রবর্তী।