
Malda : মালদহের চাঁচলে শুভেন্দু অধিকারীকে বেনজির আক্রমণ তৃণমূল সভাপতি আব্দুর রহিম বক্সির। ভোটের পর গাধার পিঠে চাপিয়ে ন্যাড়া করে চুনকালি মাখানোর হুমকি। তুঙ্গে রাজনৈতিক তরজা।
Malda : মালদহের চাঁচলে তৃণমূল এবং বিজেপির রাজনৈতিক লড়াই এখন তুঙ্গে। কনকনে শীতের মাঝেও গত কয়েকদিন ধরে দুই শিবিরের বাকযুদ্ধে জেলা রাজনীতির পারদ ক্রমশ চড়ছে। মূলত চাঁচলের কলমবাগান ময়দানকে কেন্দ্র করেই এই সংঘাতের সূত্রপাত।
সম্প্রতি এই কলমবাগান ময়দানে এক জনসভা থেকে জেলা তৃণমূল সভাপতি আব্দুর রহিম বক্সি এবং প্রাক্তন আইপিএস প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়কে তীব্র আক্রমণ করেছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি তাঁদের ‘চোর’ এবং ‘চরিত্রহীন’ বলে কটাক্ষ করেন। এই আক্রমণের পাল্টা জবাব দিতে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই ওই একই জায়গায় পাল্টা সভার আয়োজন করে তৃণমূল কংগ্রেস।
সেই সভা থেকেই শুভেন্দু অধিকারীকে বেনজির আক্রমণ করেন আব্দুর রহিম বক্সি। তিনি বলেন, শুভেন্দু অধিকারী অনবরত মিথ্যাচার করছেন এবং এর উপযুক্ত জবাব দেওয়া হবে। রহিমের হুঁশিয়ারি, বিধানসভা ভোটের পর শুভেন্দু অধিকারীকে মাথা ন্যাড়া করে এবং মুখে চুনকালি মাখিয়ে গাধার পিঠে চড়িয়ে ঘোরানো হবে। এমনকি ব্যঙ্গ করে তিনি বলেন, এর জন্য গুজরাট থেকে অনলাইনে একটি গাধা অর্ডার করেছেন তিনি।
তৃণমূলের এই মন্তব্যের কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়েছে বিজেপিও। গেরুয়া শিবিরের পাল্টা দাবি, মালদহের মানুষ আসলে রহিম বক্সিকেই গাধার পিঠে চড়াবে। তাঁদের মতে, শুভেন্দু অধিকারী যাকে নির্বাচনে হারিয়েছেন, তৃণমূলকে তাঁর ছবি দেখেই ভোট প্রচার করতে হয়। দুই পক্ষের এই পাল্টাপাল্টি হুমকিতে চাঁচল এলাকায় এখন টানটান উত্তেজনা বিরাজ করছে।