Bangla

৬ কোটি বছরের আগ্নেয়গিরির রহস্যভেদ

কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীরা ৬ কোটি বছরের পুরনো এক আগ্নেয়গিরির রহস্যের সমাধান করেছেন। এর ফলে উত্তর আটলান্টিক জুড়ে অগ্ন্যুৎপাতের কারণ জানা গিয়েছে।
Bangla

ব্যাপক অগ্ন্যুৎপাত

কেমব্রিজের বিজ্ঞানীরা ৬ কোটি বছরের পুরনো এক রহস্যের সমাধান করেছেন। তাঁরা খুঁজে বের করেছেন, কেন একসময় উত্তর আটলান্টিক জুড়ে এত ব্যাপকহারে অগ্ন্যুৎপাত হয়েছিল।

Image credits: Getty
Bangla

স্কটল্যান্ড থেকে গ্রিনল্যান্ড

আটলান্টিক মহাসাগর তৈরির অনেক আগে, আইসল্যান্ডের নীচে থাকা একটি উত্তপ্ত পাথরের স্রোত (plume) স্কটল্যান্ড থেকে গ্রিনল্যান্ড পর্যন্ত বিশাল অগ্ন্যুৎপাতের কারণ হয়েছিল।

Image credits: Getty
Bangla

আগ্নেয়গিরির ম্যাগমা

কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের ডঃ রাফায়েল বোনাডিও আবিষ্কার করেছেন যে, পাতলা টেকটনিক প্লেটগুলোই বিশাল এলাকা জুড়ে আগ্নেয়গিরির ম্যাগমা ছড়িয়ে পড়তে সাহায্য করেছিল।

Image credits: Getty
Bangla

সিসমিক টোমোগ্রাফি

ডঃ বোনাডিও সিসমিক টোমোগ্রাফি (যা অনেকটা পৃথিবীর সিটি স্ক্যানের মতো) ব্যবহার করে ব্রিটেন এবং আয়ারল্যান্ডের নীচে লুকিয়ে থাকা প্লেটের গঠন ম্যাপ করেছেন।

Image credits: Getty
Bangla

সিসমিক থার্মোগ্রাফি

তাঁরা সিসমিক থার্মোগ্রাফি নামে একটি নতুন পদ্ধতি তৈরি করেছেন। এর মাধ্যমে তাঁরা দেখিয়েছেন, কীভাবে তাপমাত্রা এবং প্লেটের পুরুত্ব প্রাচীন আগ্নেয়গিরি তৈরির স্থানকে প্রভাবিত করেছিল।

Image credits: Getty
Bangla

লিথোস্ফিয়ার

স্কটল্যান্ড এবং আয়ারল্যান্ডে আগ্নেয়গিরিগুলো সেখানেই তৈরি হয়েছিল, যেখানে লিথোস্ফিয়ার (পৃথিবীর বাইরের কঠিন স্তর) পাতলা এবং দুর্বল ছিল। ফলে ম্যাগমা সহজেই উপরে উঠে আসতে পারত।

Image credits: Getty
Bangla

উত্তপ্ত ম্যাগমা

ডঃ বোনাডিও ব্যাখ্যা করেন, উত্তপ্ত ম্যাগমা টেকটনিক প্লেটের দুর্বল জায়গাগুলোর মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত হয়েছিল। এভাবেই তা হাজার হাজার কিলোমিটার জুড়ে ছড়িয়ে পড়ে।

Image credits: Getty
Bangla

পাতলা প্লেটের অঞ্চল

আগে বলা হয়েছিল যে এর পিছনে ম্যান্টল প্লুমের (ভূ-অভ্যন্তরের উত্তপ্ত স্রোত) ভূমিকা ছিল না। কিন্তু এই গবেষণা দেখিয়েছে, প্লুমের উপাদানগুলো আসলে পাতলা প্লেটের অঞ্চলে চলে গিয়েছিল।

Image credits: Getty
Bangla

ভূতাপীয় শক্তি

অধ্যাপক সের্গেই লেবেদেভ উল্লেখ করেছেন, এই একই পাতলা অঞ্চলগুলো আজকের ভূমিকম্পকেও প্রভাবিত করে। এখান থেকে ভূতাপীয় শক্তি পাওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।

Image credits: Getty
Bangla

বিশ্বজুড়ে ভূতাপীয় হটস্পট

ডঃ বোনাডিও এবং অধ্যাপক লেবেদেভ এখন বিশ্বজুড়ে ভূতাপীয় হটস্পটগুলোর ম্যাপ তৈরি করতে চান। এর মাধ্যমে তাঁরা বিশ্বব্যাপী পরিষ্কার শক্তির উৎস খুঁজে বের করতে সাহায্য করবেন।

Image credits: Getty
Bangla

সূত্র:

এই বিষয়ে আরও জানতে পড়ুন সায়েন্সডেইলি.কম-এ। গবেষণাটি নেচার কমিউনিকেশনস জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে।

Image credits: Getty

Hailstorms: ফিলিপিন্সে গরম বাড়লেই হয় শিলাবৃষ্টি?

Sea Level Rise: জলস্তর বাড়লে জলের তলায় যাবে ১০ কোটি বাড়ি, বলছে গবেষণা

Sea Level Rise: জলস্তর বাড়লে জলের তলায় যাবে ১০ কোটি বাড়ি, বলছে গবেষণা

Sea Level Rise: সাগরের জলস্তর বাড়লে বিপদে পড়বে ১০ কোটি বাড়িঘর!