রাতে বেশিক্ষণ জেগে থাকলে বায়োলজিক্যাল ক্লক বা দেহঘড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
ঘুম ঠিকমতো না হলে মস্তিষ্কের কার্যকারিতা কমে যায়। মনোযোগের অভাব, ভুলে যাওয়ার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।
পরের দিন সারাদিন ক্লান্তি অনুভূত হয়। শক্তির স্তর কমে যায়।
ঘুমের অভাবে বিরক্তি ও মানসিক চাপ বাড়ে।
রাতে ঠিকমতো ঘুম না হলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়। সর্দি-জ্বরের মতো সমস্যা সহজেই হতে পারে।
ঘুমের অভাব হার্টের স্বাস্থ্যের ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলে। রক্তচাপের ভারসাম্যহীনতা দেখা দিতে পারে।
ঘুমের অভাব অতিরিক্ত ক্ষুধার কারণ হতে পারে। এর ফলে ওজন বেড়ে যায়।
সুস্থ থাকার জন্য প্রতিদিন অন্তত ৭-৮ ঘণ্টা ঘুমের প্রয়োজন।
দাঁত মজবুত করতে ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ সাতটি খাবারের তালিকা দেখে নিন
আমলকীর রস পান করলে এই উপকারগুলো পাবেন, জানুন এক ক্লিকে
রাতে ঘুমানোর আগে জিরা জল পান করলে কী হয় জানেন?
আমলকীর রস পান করলে রয়েছে অবিশ্বাস্য উপকারিতা?