ওজন কমানোর জন্য গ্রিন টি এবং ব্ল্যাক কফি, দুটোই খুব জনপ্রিয়। কিন্তু এর মধ্যে কোনটি বেশি কার্যকর? আসুন, জেনে নেওয়া যাক।
গ্রিন টি এবং ব্ল্যাক কফি, দুটো পানীয়তেই ক্যালোরির পরিমাণ বেশ কম। দুটোই হজমে কিছুটা সাহায্য করে। কিন্তু শরীরের ফ্যাট কমাতে কোনটি বেশি ভালো?
গ্রিন টি-তে EGCG (এপিগ্যালোক্যাটেচিন গ্যালেট) নামের একটি যৌগ থাকে। এই যৌগটি শরীরের ফ্যাট কমাতে সাহায্য করে বলে গবেষণায় দেখা গেছে।
ব্ল্যাক কফিতে গ্রিন টি-র চেয়ে বেশি ক্যাফেইন থাকে। এই কারণে এটি মেটাবলিজম বা বিপাকের হার আরও দ্রুত বাড়াতে সাহায্য করে।
ব্ল্যাক কফিতে ক্যাফেইনের পরিমাণ বেশি। বিশেষজ্ঞরা বলেন, ক্যাফেইন এনার্জি লেভেল বাড়ায় এবং শরীরের ক্যালোরি দ্রুত ঝরাতে সাহায্য করে।
গ্রিন টি-তে ক্যাফেইনের পরিমাণ কম এবং EGCG থাকে। এই কারণে এটি ধীরে ধীরে পেটের মেদ কমাতে সাহায্য করতে পারে।
গ্রিন টি এবং ব্ল্যাক কফি, দুটো পানীয়ই বেশ কিছুক্ষণ পেট ভরা রাখতে সাহায্য করে। ফলে বারে বারে খাওয়ার প্রবণতা কমে।
ব্ল্যাক কফি কয়েক ঘণ্টার জন্য খিদে কমিয়ে রাখতে পারে। তাই খাওয়ার আগে এটি পান করলে স্বাভাবিকভাবেই খাবারের পরিমাণ কমে যায়।
গ্রিন টি রক্তে শর্করার মাত্রা স্থিতিশীল রাখতে সাহায্য করে। এর মাধ্যমে এটি পরোক্ষভাবে ওজন নিয়ন্ত্রণেও একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
অতিরিক্ত ক্যাফেইন শরীরে গেলে অস্বস্তি, উদ্বেগ, ঘুম না আসা এবং হৃদস্পন্দন বেড়ে যাওয়ার মতো সমস্যা হতে পারে। তাই পরিমিত পরিমাণে পান করুন।
ক্যাফেইনের প্রভাব বেশ কয়েক ঘণ্টা থাকে। তাই দিনের শেষভাগে বা বিকেলে ব্ল্যাক কফি পান করলে রাতে ঘুমের সমস্যা হতে পারে।
আপনি যদি দ্রুত মেটাবলিজম বাড়াতে চান এবং ওয়ার্কআউটের আগে এনার্জি পেতে চান, তাহলে ব্ল্যাক কফি বেশি কার্যকর হতে পারে।
আপনার লক্ষ্য যদি ধীরে ধীরে এবং নিয়মিতভাবে ওজন কমানো হয়, তাহলে গ্রিন টি একটি ভালো বিকল্প। এটি সার্বিক স্বাস্থ্যের জন্যও উপকারী।