এই পদ্ধতিতে শ্বাস নিলে হার্ট রেট কমে আসে এবং মানসিক চাপ প্রায় সঙ্গে সঙ্গে কমে যায়। এটি আপনার স্নায়ুতন্ত্রকে শান্ত করার সংকেত পাঠায়, ফলে মন স্থির হয়।
এক ঝলক প্রাকৃতিক আলো শরীরে সেরোটোনিন বাড়াতে সাহায্য করে। এই হরমোনকে ‘ফিল-গুড’ হরমোনও বলা হয়। এমনকি জানলার কাছে দাঁড়ালেও আপনার মেজাজ সঙ্গে সঙ্গে ভাল হয়ে যেতে পারে।
কাঁধের পেশি শিথিল করলে পিঠের উপরের অংশের আরাম হয় এবং শরীরে জমে থাকা ক্লান্তি দূর হয়। মাত্র ১০ সেকেন্ডের এই ব্যায়াম আপনাকে অনেক হালকা অনুভব করাবে।
আপনি হয়তো বুঝতেও পারেন না, কিন্তু শরীরে জলের অভাবে এনার্জি কমে যায় এবং খিটখিটে ভাব বাড়ে। চট করে এক গ্লাস জল পান করলে শরীর সতেজ হয় এবং মস্তিষ্কও চাঙ্গা হয়ে ওঠে।
‘আমি আজ আমার সেরাটা দিচ্ছি’—এরকম ছোট্ট একটা কথা বললেই আপনার মানসিকতা বদলে যেতে পারে। নিজের প্রতি এইটুকু যত্ন সারাদিনের জন্য আপনার মনের জোর বাড়িয়ে দেবে।
কফি, পারফিউম বা কোনও এসেনশিয়াল অয়েলের এক ঝলক সুগন্ধ মস্তিষ্কের আবেগ নিয়ন্ত্রণকারী অংশকে সক্রিয় করে তোলে। পছন্দের গন্ধ মুহূর্তে মনে আরাম এবং ইতিবাচক অনুভূতি এনে দেয়।
সারাক্ষণ ফোন ব্যবহারের ফলে আমাদের হাতের তালু এবং কব্জিতে চাপ পড়ে। অল্প সময়ের জন্য হাত স্ট্রেচ করলে রক্ত সঞ্চালন বাড়ে এবং আশ্চর্যজনকভাবে আরাম পাওয়া যায়।
সোজা হয়ে দাঁড়ালে বা বসলে কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই আত্মবিশ্বাস এবং সতর্কতা বাড়ে। সঠিক ভঙ্গিতে বসলে শরীরে অক্সিজেন চলাচলও ভাল হয়, যা মেজাজ দ্রুত ভাল করতে সাহায্য করে।
এই ছোট্ট বিরতি ডিজিটাল ক্লান্তি কমায় এবং মনকে তরতাজা করে। এইটুকু বিরতি আপনার মনোযোগ বাড়াতে এবং খিটখিটে ভাব কমাতে সাহায্য করতে পারে।
কৃতজ্ঞতার এই ছোট্ট মুহূর্ত ডোপামিন হরমোন নিঃসরণ করে, যা সঙ্গে সঙ্গে মন ভাল করে দেয়। এটি আপনার মস্তিষ্ককে মনে করিয়ে দেয় যে চাপের দিনেও জীবনে ভাল কিছু ঘটছে।