রাতে ঘামের একটি প্রধান কারণ হল সংক্রমণ। শরীর যখন জীবাণুর সঙ্গে লড়াই করে, তখন দেহের তাপমাত্রা বেড়ে যায়। বিশেষ করে যক্ষ্মা বা টিবি (Tuberculosis) হলে রাতে অতিরিক্ত ঘাম হতে পারে।
Image credits: Getty
Bangla
মেনোপজ বা পেরিমেনোপজ
মেনোপজ বা পেরিমেনোপজের সময় মহিলাদের শরীরে ইস্ট্রোজেন হরমোনের মাত্রা কমে যায়। এর ফলে, রাতে অতিরিক্ত ঘাম হতে পারে।
Image credits: Getty
Bangla
ক্যানসার
লিম্ফোমা বা লিউকেমিয়ার মতো কিছু ক্যানসারের ক্ষেত্রে রাতে ঘাম হতে পারে। শরীর যখন অস্বাভাবিক কোষের সঙ্গে লড়াই করে, তখন এই উপসর্গ দেখা দেয়।
Image credits: freepik
Bangla
থাইরয়েড
হাইপারথাইরয়েডিজমের ক্ষেত্রে থাইরয়েড গ্রন্থি শরীরের মেটাবলিজম বাড়িয়ে দেয়। এর ফলে, দেহের তাপমাত্রা বাড়ে এবং রাতেও অতিরিক্ত ঘাম হয়।
Image credits: Getty
Bangla
মানসিক চাপ
দুশ্চিন্তা, মানসিক চাপ বা PTSD-এর মতো সমস্যা থাকলে শরীরে অ্যাড্রিনালিন হরমোন বেড়ে যায়। এর ফলে, দিন-রাত, উভয় সময়েই ঘামের পরিমাণ বাড়তে পারে।
Image credits: Pexels
Bangla
ডায়াবেটিস
ডায়াবেটিস বা প্রি-ডায়াবেটিস থাকলে রাতে রক্তে শর্করার পরিমাণ কমে যেতে পারে। শরীর তখন গ্লুকোজের মাত্রা বাড়াতে চেষ্টা করে, যার ফলে কাঁপুনি ও ঘাম হয়।
Image credits: Freepik
Bangla
গ্যাস্ট্রোইসোফেজিয়াল রিফ্লাক্স ডিজিজ
গ্যাস্ট্রোইসোফেজিয়াল রিফ্লাক্স ডিজিজ (GERD) থাকলে রাতে পেটের অ্যাসিড খাদ্যনালীতে উঠে আসে। এর ফলেও অস্বস্তি হয় এবং শরীর ঘেমে যেতে পারে।