Bajaj Pulsar 180: একটা সময়, ভারতের বাইকের বাজার শাসন করা Bajaj Pulsar 180 আবার ফিরে এল। প্রায় তিন বছর পর Bajaj Auto এই বাইকটি নতুন করে লঞ্চ করল। চলুন দেখে নেওয়া যাক, নতুন মডেলে কী কী ফিচার যোগ করা হয়েছে।
এই বাইকে আগের মতোই ১৭৮.৬১ সিসির সিঙ্গেল-সিলিন্ডার, এয়ার/অয়েল কুলড ইঞ্জিন ব্যবহার করা হয়েছে। ইঞ্জিনটি ৮,৫০০ আরপিএম-এ ১৬.৭৭ বিএইচপি পাওয়ার এবং ৬,৫০০ আরপিএম-এ ১৫ এনএম টর্ক তৈরি করে। মাঝারি গতিতে দারুণ পাঞ্চ দেওয়ার জন্য এই ইঞ্জিন বিখ্যাত। দৈনন্দিন যাতায়াতের পাশাপাশি হাইওয়ে রাইডিংয়ের জন্যও এটি বেশ উপযুক্ত। গত ২০২২ সালে, কোম্পানি এই মডেলটি বন্ধ করে দেয়। কিন্তু এখন আবার ২০২৬ মডেলের পালসার ১৮০ ভারতের বাজারে ১.২২ লক্ষ টাকা এক্স-শোরুম দামে লঞ্চ করা হয়েছে। পুরনো মডেলের ঐতিহ্য বজায় রেখে এটিতে বেশ কিছু নতুন পরিবর্তন আনা হয়েছে।
25
ক্লাসিক ডিজাইনে নতুন টাচ
ডিজাইনের ক্ষেত্রে বাজাজ তার পুরনো পালসারের স্টাইল খুব বেশি বদলায়নি। কারণ, সেই ডিজাইন আজও অনেকের মনে গেঁথে আছে। মাসকুলার ফুয়েল ট্যাঙ্ক, শার্প ট্যাঙ্ক শ্রাউড এবং স্পোর্টি লুক পুরনো Pulsar-এর ঐতিহ্য ধরে রেখেছে। তবে নতুন মডেলে ব্ল্যাক থিম পেইন্ট ও নতুন গ্রাফিক্স বাইকটিকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলেছে। সামনের মাডগার্ডে কার্বন ফাইবার স্টাইলের ফিনিশ দেওয়া হয়েছে, যা একটি বিশেষ আকর্ষণ।
35
নতুন LED লাইটিং ফিচার
এই মডেলের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন হল LED হেডলাইট। পুরনো মডেলের হ্যালোজেন লাইট সরিয়ে নতুন LED লাইট দেওয়া হয়েছে। এর ফলে রাতে আরও স্পষ্ট আলো, উন্নত এবং একটি আধুনিক লুক পাওয়া যায়। টার্ন ইন্ডিকেটরগুলোও LED করা হয়েছে, যা বাইকের লুককে আরও প্রিমিয়াম করে তুলেছে।
বাইকটিতে একটি ফুল ডিজিটাল LCD ইন্সট্রুমেন্ট ক্লাস্টার দেওয়া হয়েছে। এটি Pulsar 150 এবং Pulsar 220F মডেলে থাকা ডিসপ্লের মতোই। এই ডিসপ্লেতে স্পিড, ট্রিপ মিটার, ফুয়েল লেভেল এবং অন্যান্য জরুরি তথ্য স্পষ্টভাবে দেখা যায়।
55
বাইকটির দাম কত?
Bajaj Pulsar 180-এর দাম ১.২২ লক্ষ টাকা (এক্স-শোরুম)। বর্তমানে এটি একটিমাত্র ভ্যারিয়েন্টে পাওয়া যাচ্ছে। Bajaj Pulsar লাইনআপে এই বাইকটি Pulsar 150 এবং Pulsar 220F-এর মাঝে জায়গা করে নিয়েছে। অর্থাৎ, যারা দৈনন্দিন ব্যবহারের পাশাপাশি একটু বেশি পারফরম্যান্স চান, তাদের জন্য এটি একটি দারুণ বিকল্প হতে পারে।