Best Selling Cars: ভারতে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হওয়া গাড়ি! এক নম্বরে কোন মডেলটি আছে জানেন?

Published : Oct 16, 2026, 10:55 AM IST

Best Selling Cars: নতুন গাড়ি কেনার কথা ভাবছেন? ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসে ভারতে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হওয়া গাড়ির তালিকাটা একবার দেখে নিন।

PREV
15
ভারতে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হওয়া গাড়ি

ক্রেতারা ভারতে গাড়ি কেনার সময় দাম, মাইলেজ, সেফটি আর আরামের কথা সবচেয়ে বেশি মাথায় রাখেন। ছোট গাড়ি থেকে শুরু করে ফ্যামিলি ট্রিপের জন্য এসইউভি—সবকিছুরই দারুণ চাহিদা রয়েছে শহরের রাস্তায়। ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসে, ভারতে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হওয়া গাড়ির তালিকায় মারুতি সুজুকি ব্যালেনো এক নম্বরে রয়েছে। টাটা নেক্সন এবং টাটা পাঞ্চ এরপর দ্বিতীয় এবং তৃতীয় স্থানে জায়গা করে নিয়েছে। মারুতি সুজুকি ফ্রঙ্কস আর ওয়াগনআর-ও সেরা পাঁচের তালিকায় রয়েছে। তবে বেশি বিক্রি হওয়া মানেই যে সেই গাড়ি সবার জন্য পারফেক্ট, তা কিন্তু নয়। ক্রেতাদের নিজের বাজেট, যাতায়াতের ধরন আর পছন্দের ওপর ভিত্তি করেই সঠিক গাড়ি বেছে নেওয়া উচিত।

25
মারুতি সুজুকি ব্যালেনো

মারুতি সুজুকি ব্যালেনো বিক্রির তালিকায় একেবারে শীর্ষে রয়েছে। এই গাড়িটি ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বরে ২৫,৩৯২টি ইউনিট বিক্রি করেছে। গত বছরের এই সময়ের তুলনায় গাড়িটির বিক্রি প্রায় ৯২.৭৬ শতাংশ বেড়েছে। গাড়ির বাইরের ডিজাইনের পাশাপাশি ভেতরের আরামদায়ক ফিচারগুলোও ক্রেতাদের নজর কেড়েছে। গাড়িটিতে ৯ ইঞ্চির টাচস্ক্রিন ইনফোটেইনমেন্ট সিস্টেম, হেড-আপ ডিসপ্লে এবং ৩৬০ ডিগ্রি ক্যামেরা রয়েছে। কোম্পানি সুরক্ষার জন্য ৬টি এয়ারব্যাগ আর ইলেকট্রনিক স্টেবিলিটি কন্ট্রোল দিয়েছে। ১.২ লিটার পেট্রোল ইঞ্জিনের এই গাড়িটি পেট্রোল ভ্যারিয়েন্টে ২২.৩৫ কিমি/লিটার এবং সিএনজি ভ্যারিয়েন্টে ৩০.৬১ কিমি/কেজি মাইলেজ দেয়। এটির এক্স-শোরুম দাম ৬,০৯,৯০০ টাকা থেকে শুরু হচ্ছে।

35
টাটা নেক্সন

টাটা নেক্সন এবং এর ইলেকট্রিক ভ্যারিয়েন্ট তালিকার দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। এই মডেলটি সেপ্টেম্বরে ২০,৪৫৬টি ইউনিট বিক্রি করেছে। তবে গত বছরের তুলনায় এর বিক্রি ৯.৩৮ শতাংশ কমেছে। কোম্পানি পেট্রোল, ডিজেল আর ইলেকট্রিক—তিনটি ভ্যারিয়েন্টেই এই গাড়িটি বাজারে এনেছে। গাড়িটিতে ১০.২৫ ইঞ্চির টাচস্ক্রিন আর ভেন্টিলেটেড সিটের মতো দারুণ সব ফিচার রয়েছে। পেট্রোল-ডিজেল মডেলটি ১৭ থেকে ২৪ কিমি/লিটার মাইলেজ দেয়। অন্যদিকে, ইলেকট্রিক নেক্সন একবার ফুল চার্জ দিলে ৪৬৫ কিমি পর্যন্ত চলতে পারে। টাটা পাঞ্চ তালিকার তিন নম্বরে রয়েছে। ২০,৩৩৩টি ইউনিট বিক্রির মাধ্যমে এটি গত বছরের তুলনায় ২৭.৯৫ শতাংশ গ্রোথ দেখিয়েছে। সানরুফ আর ৬টি এয়ারব্যাগ সমেত এই গাড়ির পেট্রোল মডেলটি ১৮.৮ কিমি/লিটার এবং সিএনজি মডেলটি ২৭ কিমি/কেজি মাইলেজ দেয়। পাঞ্চ ইভি-র রেঞ্জ ৪২১ কিমি।

45
মারুতি সুজুকি ফ্রঙ্কস

মারুতি সুজুকি ফ্রঙ্কস চার নম্বরে জায়গা করে নিয়েছে। এই মডেলটি সেপ্টেম্বরে ১৯,২৮২টি ইউনিট বিক্রি করে ৪০.০৬ শতাংশ বার্ষিক গ্রোথ রেকর্ড করেছে। কুপ স্টাইলের ছাদ আর ডুয়াল-টোন ইন্টেরিয়র গাড়িটিকে দারুণ লুক দিয়েছে। গাড়িটিতে ওয়্যারলেস চার্জিং আর ৬টি এয়ারব্যাগের মতো ফিচারও রয়েছে। কোম্পানি ১.২ লিটার ন্যাচারালি অ্যাসপিরেটেড এবং ১.০ লিটার টার্বো পেট্রোল ইঞ্জিনের অপশন দিচ্ছে এই গাড়িতে। ফ্রঙ্কস পেট্রোলে ২০.০১ কিমি/লিটার আর সিএনজিতে ২৮.৫১ কিমি/কেজি মাইলেজ দেয়। মারুতি সুজুকি ওয়াগনআর পাঁচ নম্বরে রয়েছে। ১৮,৮৩৫টি ইউনিট বিক্রির মাধ্যমে এটি ২২.৪০ শতাংশ গ্রোথ দেখিয়েছে। গাড়িটিতে বেশ ভালো স্পেস, ৭ ইঞ্চির টাচস্ক্রিন, ডুয়াল এয়ারব্যাগ আর এবিএস-এর মতো ফিচার রয়েছে। ওয়াগনআর-এর সিএনজি মডেলটি ৩৪.০৫ কিমি/কেজি মাইলেজ দেয়।

55
সেপ্টেম্বর ২০২৬ কার সেলস

মারুতি সুজুকি ব্যালেনো ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসের বিক্রির তালিকায় এক নম্বরে রয়েছে। তবে টাটা নেক্সন, টাটা পাঞ্চ, মারুতি ফ্রঙ্কস আর ওয়াগনআর সেরা পাঁচে নিজেদের জায়গা ধরে রেখেছে। যারা বেশি মাইলেজ চান, তারা ব্যালেনো, ফ্রঙ্কস বা ওয়াগনআর-এর সিএনজি মডেলগুলো দেখতে পারেন। আর যারা এসইউভি লুক পছন্দ করেন, তারা নেক্সন বা পাঞ্চ বেছে নিতে পারেন। ক্রেতাদের ইলেকট্রিক গাড়ি কেনার আগে রেঞ্জ, চার্জিং সুবিধা আর ব্যাটারির ওয়ারেন্টির দিকগুলো অবশ্যই যাচাই করে নেওয়া উচিত। কোম্পানিগুলোর দাবি করা মাইলেজ আর রেঞ্জ রাস্তার অবস্থা বা চালানোর ধরনের ওপর নির্ভর করে কিছুটা বদলাতে পারে। এছাড়া, এখানে দেওয়া দামগুলো এক্স-শোরুম। ইনস্যুরেন্স আর রেজিস্ট্রেশন যোগ হলে গাড়ির অন-রোড দাম কিছুটা বাড়বে।

আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।

Read more Photos on
click me!

Recommended Stories