Hero Xtreme 125R: সাধারণ ১২৫সিসি বাইক নয়! ৩ রাইডিং মোডও আছে, হিরো এক্সট্রিম ১২৫আর-এর দাম কত?

Published : Nov 08, 2026, 10:28 AM IST

Hero Xtreme 125R: হিরো এক্সট্রিম ১২৫আর স্টিলথ এডিশন: নতুন বাইক ক্রেতাদের আকর্ষণ করতে হিরো ভারতে এক্সট্রিম ১২৫আর বাইকের স্টিলথ এডিশন আনল। এটির দাম, ইঞ্জিন ক্ষমতা এবং সম্পূর্ণ ফিচারগুলো এক নজরে দেখে নেওয়া যাক।

PREV
15
১.১৬ লাখে এল নতুন হিরো বাইক

ভারতের টু-হুইলার বাজারে জনপ্রিয় হিরো মোটোকরপ তাদের এক্সট্রিম ১২৫আর লাইনআপে নতুন স্টিলথ এডিশন লঞ্চ করল। এর এক্স-শোরুম দাম ঠিক হয়েছে ১,১৬,২৫০ টাকা। স্পোর্টি লুকের সঙ্গে আধুনিক প্রযুক্তি পছন্দ করেন, এমন তরুণ প্রজন্মের কথা ভেবে এই নতুন মডেলটি তৈরি। বিশেষত, ১২৫সিসি সেগমেন্টে সাধারণ ফিচারের বাইরে এতে অনেক উন্নত প্রযুক্তি রয়েছে।

25
৪.২ ইঞ্চি কালার স্ক্রিন, ব্লুটুথ কানেক্টিভিটি

এই নতুন স্টিলথ এডিশনে ৪.২ ইঞ্চি কালার টিএফটি স্ক্রিন দেওয়া হয়েছে। এতে ব্লুটুথ কানেক্টিভিটি থাকায় বাইকের সঙ্গে স্মার্টফোন যুক্ত করা যাবে। এর সাহায্যে চলন্ত অবস্থায় নেভিগেশন, ইনকামিং কল, মেসেজ নোটিফিকেশন এবং মিউজিক কন্ট্রোল করা সম্ভব। টায়ারের হাওয়া মাপার সেন্সরও রয়েছে। হাওয়া কমলে চালককে জানান দেবে, যা সুরক্ষার জন্য ভীষণ জরুরি।

35
মিডনাইট ব্ল্যাকে স্পোর্টি লুক

নতুন স্টিলথ এডিশনকে এক্সক্লুসিভ মিডনাইট ব্ল্যাক রং দেওয়া হয়েছে। এর সঙ্গে লাল রঙের ছোঁয়া ও ম্যাচিং কালার অ্যালয় হুইল থাকছে। ফলে সাধারণ এক্সট্রিম ১২৫আর-এর থেকে এই নতুন এডিশন দেখতে একেবারে আলাদা। সুরক্ষার জন্য ডুয়াল চ্যানেল এবিএস দেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে তিনটি রাইডিং মোড আছে - রেইন, রোড এবং স্পোর্ট। লম্বা সফরে স্পিড ঠিক রাখতে ক্রুজ কন্ট্রোল ফিচারও রয়েছে।

45
ইঞ্জিন ও পারফরম্যান্সে বদল নেই

এই নতুন এডিশনের ইঞ্জিনে কোনও পরিবর্তন করা হয়নি। আগের ১২৪.৭সিসি এয়ার-কুলড সিঙ্গেল সিলিন্ডার ইঞ্জিনটিই ব্যবহার করা হয়েছে। এই ইঞ্জিন ৮,২৫০ আরপিএম-এ ১১.৪ বিএইচপি পাওয়ার এবং ৬,৫০০ আরপিএম-এ ১০.৫ এনএম টর্ক দেয়। এর সঙ্গে ৫-স্পিড গিয়ারবক্স যুক্ত আছে। নতুন স্টিলথ এডিশনের মূল পরিবর্তন আসলে ইঞ্জিন পারফরম্যান্সে নয়, বরং প্রযুক্তি, নিরাপত্তা এবং লুকে।

55
নতুন বাইকের জন্য কি এটা সঠিক পছন্দ?

১,১৬,২৫০ টাকা এক্স-শোরুম দামে আসা হিরো এক্সট্রিম ১২৫আর স্টিলথ এডিশন প্রযুক্তি-প্রেমী ক্রেতাদের নজর কাড়বে। বিশেষ করে টায়ার প্রেসার মনিটরিং, ডুয়াল চ্যানেল এবিএস, কালার স্ক্রিন এবং ক্রুজ কন্ট্রোলের মতো ফিচারগুলোই এর মূল আকর্ষণ। কেনার আগে নিজের প্রয়োজন, রক্ষণাবেক্ষণ খরচ, রাইডিং অভিজ্ঞতা এবং ডিলারের দাম তুলনা করে নেওয়া ভালো। ১২৫সিসি সেগমেন্টে নতুন বাইকের সন্ধানে থাকলে এই স্টিলথ এডিশন ভালো বিকল্প হতে পারে।

আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।

Read more Photos on
click me!

Recommended Stories