
অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনের পেশ করা ২০২৬ সালের কেন্দ্রীয় বাজেটে নির্বাচন কমিশনের জন্য বরাদ্দ ২৫.৩৩ শতাংশ বৃদ্ধি করা হয়েছে। বাজেট বরাদ্দ ২০২৫/২৬ সালের ৩০৪.৯৮ কোটি টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০২৬/২৭ সালের জন্য ৩৮২.২২ কোটি টাকা করা হয়েছে। ২০২৭ অর্থবর্ষের জন্য নির্বাচন কমিশনকে বরাদ্দকৃত মোট অর্থের মধ্যে ৩৬৭.৬৯ কোটি টাকা নির্বাচন-সম্পর্কিত ব্যয়ের জন্য নির্দিষ্ট করা হয়েছে এবং বাকি অর্থ প্রশাসনিক ও পরিচালনগত ব্যয়ের জন্য ব্যবহৃত হবে।
কমিশনের জন্য এই বরাদ্দ বৃদ্ধি এমন এক সময়ে হয়েছে যখন ক্ষমতাসীন বিজেপির সঙ্গে আঁতাতের অভিযোগে নির্বাচন কমিশন বিরোধী দলগুলোর তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছে। যদিও নির্বাচন কমিশন এবং সরকার উভয়ই এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
গুরুত্বপূর্ণ রাজ্য নির্বাচনের আগে তোড়জোড়
নির্বাচন কমিশন আগামী দুই বছরে বেশ কয়েকটি রাজ্যের নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে এই বছর তামিলনাড়ু, পশ্চিমবঙ্গ, আসাম এবং কেরালার বিধানসভা নির্বাচন এবং ২০২৭ সালে উত্তর প্রদেশ ও পাঞ্জাবের নির্বাচন।
আইন মন্ত্রকে বরাদ্দ
এদিকে, আইন মন্ত্রককে ভোটার আইডি কার্ডের জন্য ২৫০ কোটি টাকা এবং ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের ব্যয়ের জন্য ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। এই ৫০০ কোটি টাকা বিভিন্ন সংস্থা এবং রাজ্য সরকারগুলির দ্বারা করা ব্যয়ের পরিশোধ বাবদ দেওয়া হয়েছে। ভোটার আইডি কার্ড, অর্থাৎ ভোটার আইডেন্টিটি কার্ড বা EPIC-এর ব্যয় কেন্দ্র এবং রাজ্যগুলি ভাগ করে নেয়, যেখানে প্রতিটি রাজ্য ভোটারের সংখ্যার অনুপাতে টাকা দেয়। বর্তমানে ভারতের ভোটার সংখ্যা প্রায় ৯৯ কোটি, কিন্তু নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া বা এসআইআর চলার কারণে আগামী কয়েক বছরে এই সংখ্যা সম্ভবত উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাবে। গত বছর বিহারে এই বিশেষ নিবিড় সংশোধনের পরে ৪৭ লক্ষ নাম বাদ দেওয়া হয়েছিল। বিহার বিদানসভা নির্বাচনে বিজেপি-জেডিইউ জোট সহজেই জয়লাভ করে।