Stock Market Update: শেয়ার বাজার জুড়ে রীতিমতো টালমাটাল পরিস্থিতি। পুরো রেড জোনে চলে গেছে বাজার। সেনসেক্স প্রায় ১,৩৯২.৫০ পয়েন্ট অর্থাৎ, ১.৮৩% হ্রাস পেয়ে ৭৪,৬৪১.৯২ পয়েন্টে নেমে যায়।অন্যদিকে, নিফটি প্রায় ৪৬৮ পয়েন্ট অর্থাৎ, ২% কমে গিয়ে ২৩,১৭০.৭৫ পয়েন্টে এসে দাঁড়িয়েছে। পশ্চিম এশিয়ার ভু-রাজনৈতিক পরিস্থিতি এই পতনের জন্য অনেকটাই দায়ী।

Stock Market Update: স্টক মার্কেটের অবস্থা তথৈবচ (share market highlights)। কার্যত, ধরাশায়ী ভারতের শেয়ার বাজার! নিঃসন্দেহে পশ্চিম এশিয়ার ভু-রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং আমেরিকা-ইজরায়েল-ইরান যুদ্ধকালীন অবস্থা এই পতনের জন্য অনেকটাই দায়ী (stock market news india)। শুক্রবার, মোট ক্ষতির পরিমাণ ৯ লক্ষ কোটি টাকা। 

ধরাশায়ী শেয়ার বাজার

শেয়ার বাজার জুড়ে রীতিমতো টালমাটাল পরিস্থিতি। পুরো রেড জোনে চলে গেছে বাজার। সেনসেক্স প্রায় ১,৩৯২.৫০ পয়েন্ট অর্থাৎ, ১.৮৩% হ্রাস পেয়ে ৭৪,৬৪১.৯২ পয়েন্টে নেমে যায়।অন্যদিকে, নিফটি প্রায় ৪৬৮ পয়েন্ট অর্থাৎ, ২% কমে গিয়ে ২৩,১৭০.৭৫ পয়েন্টে এসে দাঁড়িয়েছে।

বিএসই-তে (BSE) তালিকাভুক্ত সংস্থাগুলির মোট মার্কেট ক্যাপিটালাইজেশন ৪৪০ লক্ষ কোটি টাকা থেকে কমে ৪৩১ লক্ষ কোটি টাকায় নেমে এসেছে। সবথেকে উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, ভারতীয় বাজার থেকে ক্রমাগত টাকা তুলে নিতে শুরু করেছে বিদেশের প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা। মার্চ মাসের শুরু থেকে এখনও পর্যন্ত, মোট ৩৯,০০০ কোটি টাকারও বেশি অ্যাসেট বিক্রি করে দিয়েছেন বিদেশি বিনিয়োগকারীরা। 

অন্যদিকে, ডলারের তুলনায় ভারতীয় টাকার দাম আরও হ্রাস পেয়েছে। শুক্রবার, ১২ পয়সা কমে গিয়ে ১ ডলারের মূল্য দাঁড়িয়েছে ৯২.৩৭ টাকা। যা প্রায় সর্বকালীন নিম্নস্তরের কাছাকাছি এসে দাঁড় করিয়েছে। যার ফলে, আমদানি করা পণ্যের দাম বাড়তে পারে এবং মুদ্রাস্ফীতির ঝুঁকিও তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

ধাক্কা খেল নিফটি মিডক্যাপ এবং স্মলক্যাপ সূচক

তবে শুধুমাত্র ভারত নয়, এশিয়া এবং মার্কিন বাজারের পরিস্থিতিও খুব একটা ভালো নয়। সপ্তাহের শেষদিন, সবথেকে বেশি ক্ষতির মুখে পড়েছে অটোমোবাইল, মেটাল এবং ব্যাঙ্কিং সেক্টর। নিফটি মিডক্যাপ এবং স্মলক্যাপ সূচকও প্রায় ২.৫% করে ধাক্কা খেয়েছে বলে খবর।

YouTube video player

সেইসঙ্গে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম এই মুহূর্তে ১০০ ডলারের কাছাকাছি রয়েছে। যদিও ইতিমধ্যেই আমেরিকা আবার রাশিয়াতে আটকে থাকা তেল কেনার জন্য ৩০ দিনের ছাড়ের কথা ঘোষণা করেছে। কিন্তু তারপরেও মধ্যপ্রাচ্যের ভু-রাজনৈতিক পরিস্থিতির জেরে তেলের দাম পুরোপুরি আকাশছোঁয়া। ব্রেন্ট ক্রুড বর্তমানে ব্যারেল প্রতি ৯৯.৯৯ ডলারে ট্রেড করছে।

ফলে, বোঝাই যাচ্ছে যে, বিশ্ববাজারের সরাসরি প্রভাব এসে পড়ছে ভারতের স্টক মার্কেটে। শুক্রবার, ভারতীয় ইক্যুইটি বেঞ্চমার্কগুলি ব্যাপকভাবে নিম্নমুখী লেনদেন করেছে। বিশেষ করে এল অ্যান্ড টি, হিন্ডালকো, টাটা স্টিল, আল্ট্রাটেক সিমেন্ট এবং টাটা মোটরসের শেয়ার মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। 

Disclaimer: এশিয়ানেট নিউজ বাংলা কখনও কোথাও বিনিয়োগের পরামর্শ দেয় না। বাজারে বিনিয়োগ একটি ঝুঁকিসাপেক্ষ বিষয়। তাই বিনিয়োগ করার আগে অবশ্যই বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে পরামর্শ করে নিন।

আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।