Budget 2026: ২০টি নতুন বন্দে ভারত ট্রেন? বাজেটে রেল নিয়ে সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা চড়ছে

Published : Jan 16, 2026, 09:57 AM IST
Railway Budget 2026

সংক্ষিপ্ত

২০২৬-২৭ সালের বাজেট অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন ১ ফেব্রুয়ারি পেশ করবেন। এর ঠিক আগেই অর্থনৈতিক সমীক্ষা পেশ করা হবে, যা দেশের অর্থনৈতিক চিত্র তুলে ধরবে এবং বাজেটের সম্ভাব্য দিকনির্দেশনা দেবে।

২০২৬-২৭ সালের বাজেট অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন ১ ফেব্রুয়ারি পেশ করবেন। এর ঠিক আগেই অর্থনৈতিক সমীক্ষা পেশ করা হবে, যা দেশের অর্থনৈতিক চিত্র তুলে ধরবে এবং বাজেটের সম্ভাব্য দিকনির্দেশনা দেবে। তবে, অর্থনৈতিক সমীক্ষাটি একদিন আগে নাকি দুই দিন আগে পেশ করা হবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। ১ ফেব্রুয়ারি রবিবার। সংসদের বাজেট অধিবেশন ২৮ জানুয়ারি শুরু হচ্ছে। অর্থনৈতিক সমীক্ষাটি ২৯ বা ৩০ তারিখে পেশ করা হতে পারে। পুরো দেশ অধীর আগ্রহে বাজেটের দিকে তাকিয়ে থাকে। কর্পোরেট জগৎ, শেয়ারবাজার, সাধারণ মানুষ এবং বিশেষ করে করদাতারা অধীর আগ্রহে এই দিনটির জন্য অপেক্ষা করেন। ২০২5 সালের বাজেটে সরকার নতুন কর ব্যবস্থায় ১২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত আয়কে করমুক্ত করেছিল। এবারও প্রত্যাশা অনেক বেশি, বিভিন্ন ক্ষেত্র থেকে দাবি ক্রমাগত বাড়ছে। আশা করা হচ্ছে যে অর্থমন্ত্রী নতুন কর ব্যবস্থাকে আরও আকর্ষণীয় করতে আরও অনেক ঘোষণা করতে পারেন। কেন্দ্রীয় বাজেট নিয়ে সকল ক্ষেত্রেরই নানা প্রত্যাশা রয়েছে। মানুষের মনে একটা প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে, তা হল, এই বাজেটের পর কী সস্তা, কীসের দাম বাড়বে? এছাড়াও, পরিষেবা খাতে কোথায় কত বরাদ্দ হবে। আগে রেল বাজের আলাদা করে পেশ করা হতো। কিন্তু বর্তমানে অর্থ বাজেটের সঙ্গেই রেলের বাজেট পেশ করা হয়। আলাদা করে রেল বাজেট পেশ করেন না রেলমন্ত্রী। রেল নিয়ে সাধারণ মানুষের আগ্রহ থাকে। কারণ, বাজেটের মাধ্যমেই জানা যায়, নতুন কোনও ট্রেন চালু হবে কি না, রেলের ভাড়া বাড়ছে কি কমছে? ইত্যাদি।

কী কী আশা করা যায়

রেল খাত এমন একটি পর্যায়ে প্রবেশ করছে, যেখানে বাস্তবায়ন এবং সংস্কারও গুরুত্বপূর্ণ হবে। অনেক বিশেষজ্ঞ আশা করছেন, রেল খাতে বরাদ্দ প্রায় পাঁচ শতাংশ সুপরিকল্পিতভাবে বৃদ্ধি পাবে, যা বাজেট-বহির্ভূত সম্পদসহ মোট বরাদ্দকে প্রায় ২.৬৫ লক্ষ কোটি টাকায় নিয়ে যাবে। এছাড়াও, বিদ্যুতায়ন প্রায় সম্পন্ন হওয়ায়, মূলধন বিনিয়োগ নতুন লাইন স্থাপন, গেজ রূপান্তর, ট্র্যাক দ্বিগুণ করা, ডেডিকেটেড ফ্রেট করিডর ও অর্থনৈতিক করিডর সম্প্রসারণের মাধ্যমে যানজট নিরসনের দিকে পুনঃনির্দেশিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়াও, নিরাপত্তা, রক্ষণাবেক্ষণ এবং ট্রেন পরিচালনার জন্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও উন্নত প্রযুক্তি নিয়ে ঘোষণা করতে পারেন নির্মলা সীতারামন। রেটিং সংস্থা আইসিআরএ আশা করছে যে রেল একটি প্রধান মনোযোগের ক্ষেত্র হিসেবেই থাকবে। বিদ্যুতায়নের কাজ মূলত সম্পন্ন হওয়ায়, নীতিগত মনোযোগ সম্ভবত নতুন লাইন নির্মাণ, ট্র্যাক দ্বিগুণ করা, গেজ রূপান্তর এবং ডেডিকেটেড ফ্রেট করিডোরের কাজে অগ্রগতির মাধ্যমে যানজট কমানো ও সক্ষমতা বাড়ানোর দিকে সরে যাবে।

এদিকে, রেল খাত পণ্য পরিবহনে তার হারানো অংশ পুনরুদ্ধার করছে, যা সম্প্রতি প্রায় ২৯ শতাংশে অনুমান করা হয়েছে। জাতীয় রেল পরিকল্পনার অধীনে, ভারতীয় রেল ২০৩০ সালের মধ্যে ৩,০০০ মিলিয়ন টন পণ্য পরিবহনের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে এবং ২০৪৫ সালের মধ্যে পণ্য পরিবহনে তার অংশীদারিত্ব প্রায় ৪৫ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্যমাত্রা স্থির করেছে।

কী কী ঘোষণা হতে পারে

সূত্র থেকে জানা গেছে যে রেলের জন্য মোট বরাদ্দ ৮% বাড়ানো হতে পারে, এবং এর জন্য ২.৬৫ থেকে ২.৮ লক্ষ কোটি টাকার সম্ভাব্য সংস্থান রাখা হতে পারে। রেল দুর্ঘটনা হ্রাস পাবে এবং কবচ ৪.০ ও ৫.০ প্রকল্পে উল্লেখযোগ্য বরাদ্দ করা হবে। নতুন ট্রেন, রুট এবং আধুনিকীকরণ নিয়ে বড় ঘোষণা করা হবে। ২০টি নতুন বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের ঘোষণা আসার সম্ভাবনা রয়েছে, পাশাপাশি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যাপক ব্যবহার, স্টেশনগুলির আধুনিকীকরণ এবং প্রবীণ নাগরিকদের জন্য পুরনো ছাড় পুনরায় চালু করার সম্ভাবনা রয়েছে। হাইড্রোজেন ট্রেনের বিষয়েও আশা করা হচ্ছে।

 

PREV
Read more Articles on
click me!

Recommended Stories

EPFO: UPI-এর মাধ্যমেই তোলা যাবে পিএফ-এর টাকা! কবে থেকে? প্রক্রিয়াটি কেমন হবে?
আইটি জায়ান্টদের ৪৩৭৩ কোটির ধাক্কা! নয়া লেবার কোডের থাবায় টিসিএস এর মতো সংস্থাগুলিরও বাড়ল ব্যায়