Investment Tips: দীর্ঘমেয়াদে শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ, অন্যান্য বিনিয়োগের তুলনায় অনেক বেশি রিটার্ন দেয়। ভারতের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং কোম্পানিগুলির লাভের মতো বিষয়গুলিও এক্ষেত্রে অবদান রাখে।
বিনিয়োগ করার সময়, “দীর্ঘমেয়াদে কোনটি বেশি রিটার্ন দেয়?” এই প্রশ্নটি সবারই মনে আসে। ব্যাঙ্ক, এফডি কিংবা পিপিএফ-এর মতো স্থির আয়ের প্রকল্প, সোনা-রুপোর মতো ধাতু এবং শেয়ার বাজার, একাধিক বিকল্প রয়েছে। ১৫-৩০ বছরের তথ্য বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, শেয়ার বাজার অন্যান্য সকল বিকল্পের তুলনায় অনেক বেশি রিটার্ন দিয়েছে।
24
শেয়ার বাজারে দীর্ঘমেয়াদী বিনিয়োগ সবসময় এগিয়ে
উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, ১৯৯৫-২০০৫ সালের মধ্যে নিফটি ৫০০ প্রায় ১৫% বৃদ্ধি পেয়েছে। সেনসেক্স ১৪% রিটার্ন দিয়েছে। ঠিক একই সময়ে, সোনা মাত্র ১২%, পিপিএফ ৮% এবং এফডি ৭% রিটার্ন দিয়েছে। সেই কারণে, শেয়ার বাজারে দীর্ঘমেয়াদী বিনিয়োগ সবসময় এগিয়ে।
34
সম্পদ বৃদ্ধির জন্য শেয়ারকেই সেরা বলে মনে করে থাকেন বিশেষজ্ঞরা
এই সাফল্যের অনেক কারণও রয়েছে। ভারতের দ্রুত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, কোম্পানিগুলির বিপুল লাভ, উন্নত ব্যবস্থাপনা, খুচরো এবং প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের বর্ধিত অংশগ্রহণ শেয়ার বাজারকে আরও শক্তিশালী করে তুলেছে। সোনা সবসময় একটি নিরাপদ বিনিয়োগ হলেও, এটি বছরে প্রায় ১১-১২% রিটার্ন দেয়। সোনার প্রধান ভূমিকা বিনিয়োগ বৈচিত্র্যকরণে। তবে সম্পদ বৃদ্ধির জন্য শেয়ারকেই সেরা বলে মনে করে থাকেন বিশেষজ্ঞরা।
বিনিয়োগ বৈচিত্র্যকরণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তরুণদের যেমন ২০-৩০ বছর বয়সীদের ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদে প্রায় ৭০% শেয়ারে, ১৫% সোনায় এবং ১৫% স্থির আয়ের ক্ষেত্রে বিনিয়োগ করা উচিত। বয়স্কদের (৬০ বছরের বেশি) বেশি প্রয়োজনীয়তা বিবেচনা করে, ৬৫-৭০% স্থির আয়ের বিনিয়োগে, ১৫-২০% সোনায় এবং খুব কম শেয়ারে বিনিয়োগ করা ভালো।
Disclaimer: বাজারে বিনিয়োগ একটি ঝুঁকিসাপেক্ষ বিষয়। তাই বিনিয়োগ করার আগে অবশ্যই বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে পরামর্শ করে নিন।