
সবজি বাজার থেকে অটো ভাড়া - ৫০ টাকার নোট সবচেয়ে বেশি হাত বদল হয়। আর এই সুযোগেই বাজারে ঢুকে পড়ছে নকল নোট। RBI বলছে আতঙ্কিত হওয়ার দরকার নেই, শুধু ৩ সেকেন্ড সময় দিয়ে নোটটা দেখে নিলেই হবে।
নতুন এবং পুরনো মহাত্মা গান্ধী সিরিজের ৫০ টাকার নোটের ক্ষেত্রেই এই ফিচারগুলো আছে।
নোটটাকে আলোর দিকে ধরুন। বাঁ দিকে মহাত্মা গান্ধীর ছবির পাশে ফাঁকা জায়গায় গান্ধীজির আরেকটা হালকা ছবি আর ৫০ লেখা ভেসে উঠবে। এটাই জলছাপ। জাল নোটে এটা ঝাপসা বা একদম থাকেই না।
নোটের মাঝামাঝি একটা চকচকে সুতোর মতো দাগ আছে। আলোয় ধরলে তাতে "RBI" আর "50" লেখা দেখতে পাবেন। নোট নড়ালে এই সুতোর রং সবুজ থেকে নীল হয়ে যায়। জাল নোটে এটা শুধু প্রিন্ট করা থাকে।
গান্ধীজির ছবির ডান দিকে একটা আয়তকার বক্স আছে। সোজা করে দেখলে ফাঁকা লাগবে। কিন্তু তেরছা করে আলোয় ধরলে তার মধ্যে ৫০ লেখাটা স্পষ্ট দেখা যাবে।
৪. উঁচু প্রিন্ট
আসল নোটের গান্ধীজির ছবি, RBI লেখা, নোটের নম্বর আর অশোক স্তম্ভের জায়গাটা আঙুল দিয়ে ঘষলে একটু উঁচু-উঁচু লাগবে। কারণ এটা ইন্টাগ্লিও প্রিন্টিং। জাল নোট একদম মসৃণ হয়।
নোটের ডান দিকে নিচে ৫০ লেখা আছে। নোটটাকে এদিক-ওদিক ঘোরালে দেখবেন লেখার রং সবুজ থেকে নীলে বদলে যাচ্ছে।
১. মাইক্রো লেখা: গান্ধীজি আর ভারত লেখার মাঝে "RBI" আর "50" খুব ছোট করে লেখা আছে। খালি চোখে বা ম্যাগনিফাইং গ্লাসে দেখা যায়।
২. কাগজের কোয়ালিটি: আসল নোটের কাগজ একটু মোটা আর শক্ত হয়। জল লাগলে সহজে নষ্ট হয় না। নকল নোটের কাগজ পাতলা আর নিউজপেপারের মতো।
১. সাথে দোকানদার বা যার কাছ থেকে নিয়েছেন তাকে জানান।
২. নোটটা নিয়ে নিকটবর্তী ব্যাঙ্ক বা থানায় জমা দিন।
৩. জেনে-বুঝে নকল নোট চালানো কিন্তু আইনত অপরাধ।
৫০ টাকা ছোট অ্যামাউন্ট মনে হলেও ১০টা নকল নোট মানে ৫০০ টাকা লোকসান। তাই টাকা নেওয়ার সময় ৩ সেকেন্ড আলোয় ধরে এই ২-৩টা পয়েন্ট মিলিয়ে নিন।