
Price Rise in Air Travel: দিল্লি থেকে লন্ডন, দুবাই এবং নিউ ইয়র্কগামী ফ্লাইটের ভাড়া আকাশছোঁয়া হয়েছে। ইরান-ইজরায়েল-মার্কিন সংঘাতের পর, পশ্চিম এশিয়ার আকাশপথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিমান সংস্থাগুলো দীর্ঘতর রুটে ফ্লাইট পরিচালনা করতে বাধ্য হয়েছে। এটিএফ (ATF)-এর দাম সর্বকালের সর্বোচ্চ পর্যায়ে রয়েছে, যা সরাসরি টিকিটের দামকে প্রভাবিত করছে।
একটি টিকিট বুকিং ওয়েবসাইটে দেখা যাচ্ছে, দিল্লি থেকে লন্ডন হিথ্রো পর্যন্ত একটি নন-স্টপ ইকোনমি ক্লাসের টিকিটের দাম ১,৪৯,৪৭৯। বিজনেস ক্লাসের ভাড়া বেড়ে হয়েছে ১,৭৯,৩৫৪। এমনকি এক-স্টপ ইকোনমি ক্লাসের ভাড়াও শুরু হচ্ছে ১,৩২,৩৫৩ থেকে। পশ্চিম এশিয়ার সংঘাতের আগে, দিল্লি-লন্ডন রুটের গড় ইকোনমি ভাড়া ছিল ৪৫,০০০ থেকে ৬৫,০০০-এর মধ্যে, যার অর্থ হলো ভাড়া এখন দ্বিগুণেরও বেশি হয়ে গেছে।
দুবাই রুটটি এখন আর আগের মতো সহজ নেই। ইন্ডিগোর ওয়েবসাইটে দিল্লি-দুবাই ইকোনমি ক্লাসের ভাড়া ২৮,৭৬২ টাকা, যেখানে বিজনেস ক্লাসের ভাড়া ৫৫,৮৭৯ টাকায় পৌঁছেছে। পশ্চিম এশিয়ার উত্তেজনার আগে দিল্লি-দুবাই রুটের ভাড়া ১২,০০০ থেকে ২০,০০০ টাকার মধ্যে ছিল। ইন্ডিগোর ওয়েবসাইটে, নিউ ইয়র্ক (জেএফকে) থেকে দিল্লি যাওয়ার ভাড়া একটি স্টপসহ ২,৩৯০ ডলার—যা প্রায় ২,০৫,০০০ টাকা—থেকে শুরু। দিল্লি থেকে নিউ ইয়র্ক যাওয়ার টিকিটের দাম ১,২৬,১৮১ টাকা থেকে শুরু, তবে এতে দুটি স্টপ রয়েছে। স্বাভাবিক পরিস্থিতিতে, দিল্লি-নিউ ইয়র্ক রুটের ভাড়া ৫৫,০০০ থেকে ৮০,০০০ টাকার মধ্যে থাকত।
মার্চ মাসের প্রথম সপ্তাহে ইউরোপগামী রুটের ভাড়া ৪০ শতাংশের বেশি বৃদ্ধি পায়। সংঘাতের প্রাথমিক পর্যায়ে ৭০০টিরও বেশি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছিল। এভিয়েশন টারবাইন ফুয়েলের (এটিএফ) দাম ব্যারেল প্রতি ৮৫-৯০ ডলার থেকে বেড়ে ১৫০-২০০ ডলার হয়েছিল। সংঘাতের আগে ব্রেন্ট অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেল প্রতি ৭২ ডলার থাকলেও, ২৬ মার্চের মধ্যে তা বেড়ে ১০৫ ডলারে পৌঁছেছিল।