
RBI Monetary Policy: গোটা পৃথিবী জুড়ে জটিল ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি (rbi monetary policy)। আর অন্যদিকে, ঘরোয়া বাজারে জ্বালানির দাম রয়েছে ঊর্ধ্বমুখী। পেট্রোল এবং ডিজ়েল থেকে শুরু করে আরও দামি হয়েছে রান্নার গ্যাস (rbi policy news)। সেই পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে, সাধারণ মানুষকে স্বস্তি দিয়ে সুদের হার পুরোপুরি অপরিবর্তিত রাখল ভারতীয় রিজ়ার্ভ ব্যাঙ্ক (আরবিআই)।
ফলে, বাড়ি এবং গাড়ির লোনের কিস্তিতে আপাতত কোনও অতিরিক্ত টাকা দিতে হবে না। শুক্রবার তথা ৫ জুন, তিনদিনের মুদ্রানীতি কমিটির বৈঠক শেষে রেপো রেট ঘোষণা করেন আরবিআই গভর্নর সঞ্জয় মালহোত্রা। তখনই জানা যায়, বর্তমান পরিস্থিতি বিচার করে সুদের হার ৫.২৫%-তেই স্থির করছে তারা। উল্লেখ্য, গত বছরের ডিসেম্বর থেকে এই সূচকে কোনও বদল আনা হয়নি।
রিজ়ার্ভ ব্যাঙ্কের অনুমান, জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির জেরে খুচরো বাজারে জিনিসপত্রের দাম আরও বৃদ্ধি পেতে পারে। সেইসঙ্গে, দেশের আর্থিক বৃদ্ধির হারও কিছুটা দুর্বল হওয়ার পূর্বাভাস দিয়েছে আরবিআই। আর্থিক বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পরিস্থিতিতে রেপো রেট বৃদ্ধি পেলে সংসার চালাতে গিয়ে রীতিমতো হিমশিম খেয়ে যেত সাধারণ মানুষের একটা অংশ। তবে রিজ়ার্ভ ব্যাঙ্কের গভর্নরের ঘোষণায় তারা কিছুটা হলেও স্বস্তি পেয়েছেন।
আরবিআই গভর্নরের কথায়, চলতি আর্থিক বছরে (২০২৬-’২৭) খুচরো মুদ্রাস্ফীতির হার থাকবে ৫.১%। অতীতে সেটা ৪.৬% আটকে থাকবে বলে অনুমান করা হয়। ফলে, নিত্যপ্রয়োজনীয় জরুরি জিনিসের দাম হতে পারে আকশছোঁয়া।
অন্যদিকে, চলতি অর্থবর্ষে দেশের আর্থিক বৃদ্ধির হার বা জিডিপি ৬.৯ শতাংশ থেকে কমে ৬.৬ শতাংশে নামতে পারে বলে জানিয়ে দিয়েছে রিজ়ার্ভ ব্যাঙ্ক। তৃতীয় এবং চতুর্থ ত্রৈমাসিকে সবচেয়ে ভালো হতে পারে এটা। সেক্ষেত্রে অক্টোবর-ডিসেম্বর এবং ২০২৭ সালের জানুয়ারি থেকে মার্চ মাসের মধ্যে বৃদ্ধির সূচক পৌঁছে যেতে পারে ৭ এবং ৭.২%-তে।
আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।