
Shiprocket IPO: লজিস্টিকস প্ল্যাটফর্ম শিপরকেট লিমিটেড আগামী সপ্তাহে স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত হবে। কোম্পানিটির আইপিও ১২ আগস্ট শুরু হয়ে ১৪ আগস্ট শেষ হয়েছে। বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে কোম্পানিটির আইপিও ব্যাপক সমর্থন পেয়েছে এবং শেষ দিনে মোট ৯৯.৩৮ গুণ সাবস্ক্রিপশন লাভ করেছে। এই আইপিওর মাধ্যমে কোম্পানিটি ১,৬১৭ কোটি টাকা সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছে, যেখানে মোট ১৬,৬৭,৬১,৫৬৬টি শেয়ার বরাদ্দ করা হয়েছে।
শিপরকেট তার আইপিওর অধীনে ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি শেয়ারের জন্য ৯২-৯৭ টাকার একটি প্রাইস ব্যান্ড নির্ধারণ করেছিল। আইপিওতে অংশগ্রহণকারী কর্মচারীদের শেয়ার প্রতি ৯ টাকা ছাড় দেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার, ১৪ আগস্ট আইপিও বন্ধ হওয়ার পর, সোমবার, ১৭ আগস্ট শেয়ার বরাদ্দ করা হবে। ১৮ আগস্ট ডিম্যাট অ্যাকাউন্টে শেয়ার জমা করা হবে এবং যে আবেদনকারীদের শেয়ার বরাদ্দ করা হয়নি, তারা ১৮ আগস্ট অর্থ ফেরত পাবেন। অবশেষে, ১৯ আগস্ট কোম্পানিটি স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত হবে।
শিপরকেট আইপিও-র অধীনে, ৮৮৫ কোটি মূল্যের ৯,১২,৯৯,২০৩টি নতুন শেয়ার ইস্যু করা হবে। কোম্পানির প্রোমোটাররা একটি ওএফএস (OFS)-এর মাধ্যমে ৭৩২ কোটি মূল্যের ৭,৫৪,৬২,৩৬৩টি শেয়ার বিক্রি করবে। উল্লেখ্য যে, শিপরকেট ডিসেম্বর ২০২৫-এ সেবি (SEBI)-র কাছে ২,৩৪২.৩ কোটির একটি আইপিও প্রস্তাব করে খসড়া নথি জমা দিয়েছিল। তবে, কোম্পানিটি এখন তার আইপিও-র আকার কমিয়ে এনেছে।
investorgain.com-এর তথ্য অনুযায়ী, শনিবার শিপরকেট লিমিটেডের শেয়ার ৩১ টাকা (৩১.৯৬%) শক্তিশালী প্রিমিয়ামে লেনদেন হয়েছে। গ্রে মার্কেটে কোম্পানিটির শেয়ার ভালো সাড়া পাচ্ছে। তবে, ১৩ আগস্টের তুলনায় কিছুটা দরপতন হয়েছে। ১৩ আগস্ট শিপরকেটের শেয়ার ৩৬.৫ টাকা প্রিমিয়ামে লেনদেন হচ্ছিল। উল্লেখ্য যে, দেশীয় শেয়ার বাজারে কোম্পানিটির তালিকাভুক্ত হওয়ার আগ পর্যন্ত জিএমপি (GMP) উল্লেখযোগ্যভাবে ওঠানামা করার সম্ভাবনা রয়েছে।
দ্রষ্টব্য: শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ ঝুঁকিপূর্ণ। এশিয়ানেট নিউজ বাংলা বিনিয়োগের জন্য উৎসাহিত করে না। এই প্রতিবেদন কেবলমাত্র তথ্য প্রদানের জন্য দেওয়া। বাজারে বিনিয়োগ করতে হলে অবশ্যই বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নিন।