Abhijeet Dipke: ২০২৯-এ মোদী সরকারের পতন নিশ্চিত! বিস্ফোরক দাবি 'ককরোচ' অভিজিৎ দীপকের

Published : Nov 08, 2026, 11:31 AM IST
CJP US Funding abhijeet dipke

সংক্ষিপ্ত

২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে কি ক্ষমতা হারাবে নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বাধীন বিজেপি সরকার? এখন থেকেই সেই দাবি ঘিরে জাতীয় রাজনীতিতে চর্চা শুরু হয়েছে। কেরলের কোচিতে এক প্রতিবাদ সভা থেকে এমনই বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন ককরোচ জনতা পার্টি (CJP)-র প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে।

২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে কি ক্ষমতা হারাবে নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বাধীন বিজেপি সরকার? এখন থেকেই সেই দাবি ঘিরে জাতীয় রাজনীতিতে চর্চা শুরু হয়েছে। কেরলের কোচিতে এক প্রতিবাদ সভা থেকে এমনই বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন ককরোচ জনতা পার্টি (CJP)-র প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। শুধু ২০২৯ সালের সরকার পরিবর্তনের কথা বলাই নয়, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগও দাবি করেছেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, নির্বাচন কমিশনকে স্বাধীন ও নিরপেক্ষভাবে কাজ করতে হলে এই পদক্ষেপ জরুরি। তবে ২০২৯ সালে মোদী সরকারের পতন হবে কি না, তা নিয়ে অভিজিৎ দীপকের বক্তব্য রাজনৈতিক দাবি মাত্র। এটি কোনও নির্বাচনী ফলাফল বা নিশ্চিত পূর্বাভাস নয়।

২০২৯ সালে মোদী সরকারের বিদায়? কী বললেন অভিজিৎ দীপক?

শনিবার, ৭ নভেম্বর কেরলের কোচিতে আয়োজিত একটি প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য রাখেন অভিজিৎ দীপক। ককরোচ জনতা পার্টির 'জন্তর মন্তর অ্যাট কোচি' কর্মসূচির অংশ ছিল এই সভা। সেখানে তিনি বলেন, ২০২৯ সালের জন্য প্রস্তুত থাকুন। নরেন্দ্র মোদী সরকারকে নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতা থেকে সরানো হবে বলেও দাবি করেন তিনি। তাঁর বক্তব্য ঘিরে সভায় উপস্থিত প্রতিবাদীদের মধ্যে উচ্ছ্বাস দেখা যায়।

জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ দাবি কেন?

প্রতিবাদ সভায় মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে সরানোর দাবি তোলেন অভিজিৎ। তাঁর বক্তব্য, একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ নির্বাচনী ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হলে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্নের জবাব দিতে হবে। এমনকি জ্ঞানেশ কুমার পদত্যাগ করলে নরেন্দ্র মোদীর সরকারও ক্ষমতা হারাবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা SIR-এর মাধ্যমে ভোটার তালিকা সংশোধনের প্রক্রিয়া নিয়েও সরব হন অভিজিৎ। তাঁর অভিযোগ, এই প্রক্রিয়াকে নির্বাচনী ফলাফল প্রভাবিত করার কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। যদিও নির্বাচন কমিশন এর আগে ভোটার তালিকা সংশোধনে রাজনৈতিক পক্ষপাতের অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

মোদী সরকারের বিরুদ্ধে আরও কী কী অভিযোগ?

প্রতিবাদ সভা থেকে কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তোলেন অভিজিৎ। তাঁর দাবি, মানুষের খাদ্যাভ্যাস, ব্যক্তিগত সম্পর্ক এবং ভোটদানের অধিকার নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চলছে। এছাড়াও তরুণ প্রতিবাদীদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক পদক্ষেপের অভিযোগ তোলেন তিনি। নিজের দিল্লিতে গ্রেফতার হওয়ার প্রসঙ্গ টেনে জাতীয় পতাকা নিয়ে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার কথাও জানান। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের আমলের সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতির তুলনা করে তাঁর দাবি, সেই সময় সরকারের সমালোচনা করার সুযোগ বেশি ছিল।

কেন কোচিতে এই প্রতিবাদ কর্মসূচি?

ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা SIR এবং মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের ভূমিকা নিয়ে প্রতিবাদ জানাতেই এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছিল। সভায় বিভিন্ন যুব ও সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। অভিনেতা প্রকাশ রাজও মেরিন ড্রাইভ থেকে রাজেন্দ্র ময়দান পর্যন্ত প্রতিবাদ মিছিলে নেতৃত্ব দেন। অভিজিৎ দীপকের বক্তব্য, দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হলে নির্বাচন কমিশনের স্বাধীনভাবে কাজ করা জরুরি।

PREV
Read more Articles on
click me!

Recommended Stories

দীপাবলিতে কর্মীদের হাতে ১ লক্ষ টাকা বোনাস! ২০ জনকে নগদ টাকা দিলেন ব্যবসায়ী
Fuel Prices: কালীপুডোর দিন দাম কমল জ্বালানীর! ৮ নভেম্বর কোন শহরে পেট্রোল-ডিজেলের দাম কত?