বাড়ি ফেরার পথে বিহারের পরিযায়ী শ্রমিকদের দেওয়া হচ্ছে কন্ডোম, করোনা আটকাতে না অন্য কারণ

Published : Jun 02, 2020, 04:33 PM IST
বাড়ি ফেরার পথে বিহারের পরিযায়ী শ্রমিকদের দেওয়া হচ্ছে কন্ডোম, করোনা আটকাতে না অন্য কারণ

সংক্ষিপ্ত

অনেক রাজ্য়েই ভিনরাজ্যের শ্রমিকদের বাড়ি ফেরার সময় দেওয়া হচ্ছে মাস্ক কোথাও কোথাও হ্যান্ড স্যানিটাইজারও বিতরণ করা হচ্ছে বিহারে অবশ্য কোয়ারেন্টাইন থেকে বাড়ি ফেরার সময় শ্রমিকরা পাচ্ছেন কন্ডোম এও কি করোনা আটকাতে, না পিছনে আছে অন্য কারণ  

ভিনরাজ্য থেকে ফিরলে পরিযায়ী শ্রমিকদের বাধ্যতামূলকভাবে ১৪ দিনের জন্য কোয়ারেন্টাইনে রাখছে বিহার সরকার। তারপর তাঁরা যখন বাডড়ি যাচ্ছেন, সেই সময় সেই রাজ্যের স্বাস্থ্য বিভাগ পরিযায়ী শ্রমিকদের হাতে তুলে দিচ্ছেন পর্য়াপ্ত সংখ্যক কন্ডোম। এইডস ঠেকাতে সরকারি উদ্যোগে ভারতের অনেক রাজ্যেই কন্ডোম বিলি করা হত। কিন্তু করোনাভাইরাস মহামারির প্রাদুর্ভাবে কেন কন্ডোম বিতরণ করা হচ্ছে বিহারে?

স্বাস্থ্য বিভাগের এক ঊর্ধ্বতন কর্তা জানিয়েছেন, ২৮ থেকে ২৯ লক্ষ পরিযায়ী শ্রমিক এই সময়ে রাজ্যে ফিরে এসেছেন। তাঁদের মধ্যে ৮.৭৭ লক্ষ মানুষ ১৪ দিনের কোয়ারেন্টাইনের মেয়াদ শেষ করে বাড়ি ফিরেছেন। দীর্ঘদিন ভিনরাজ্যে কাটিয়ে ঘরে ফিরছেন তাঁরা। স্বাভাবিকভাবেই এই সময় মহিলাদের অযাচিত গর্ভধারণের সম্ভাবনা বেড়ে যাচ্ছে। তাই স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে এই অযাচিত গর্ভাবস্থা এড়াতে পরিযায়ী শ্রমিকদের এই বিষয়ে সচেতন করা হচ্ছে এবং কন্ডোমের মতো  প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম-ও দেওয়া হচ্ছে।

রাজ্যের পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের ওই কর্মকর্তা সাফ জানিয়েছেন কন্ডোম বিলি কোনওভাবেই কোভিড-১৯ সমক্রমণ ঠেকানোর জন্য দেওয়া হচ্ছে না। এটা একেবারেই পরিবার পরিকল্পনার কথা মাথায় রেখে দেওয়া হচ্ছে। শ্রমিকদের মধ্যে যাতে এই নিয়ে ভুল ধারণা তৈরি না হয়, তার জন্য তাদেরকে ভালোভাবে বোঝানোও হচ্ছে। তিনি জানিয়েছে 'আমরা স্বাস্থ্য পরিষেবায় যুক্ত। জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ করাটা আমাদের দায়িত্বের মধ্য়ে পড়ে'। এই কাজে বিহারের স্বাস্থ্য বিভাগের অংশীদার 'কেয়ার ইন্ডিয়া' এনজিও-র সহায়তা নেওয়া হচ্ছে, বলেও জানিয়েছেন তিনি।

লকডাউনের সময় উৎপাদন বন্ধ। টান পড়েছে কন্ডোমেপ সংখ্যাতেও। বিশ্বজুড়েই অবাঞ্ছিত গর্ভধারণ নিয়ে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এই পটভূমিতে বিহারের স্বাস্থ্য বিভাগ দাবি করছে এই পদক্ষেপ অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। কোয়ারান্টাইন কেন্দ্রগুলি সম্পূর্ণ বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত এই উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে। ১৫ জুনের মধ্যে কোয়ারেন্টাইন কেন্দ্রগুলি বন্ধ হয়ে যাবে বলে মনে করা হচ্ছে।

তাই কোয়ারেন্টাইন সেন্টার থেকে বাড়ি ফেরার পথে দুই প্যাকেট করে কন্ডোম পাচ্ছেন। এর পাশাপাশি আশাকর্মীরাও ঘরে ঘরে স্ক্রিনিং করতে যাওয়ার সময় কন্ডোম বিতরণ করছেন।

PREV
click me!

Recommended Stories

Central Govt Employees: কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের বড় চমক! নির্ধারিত সময়ের আগে ২৫ তারিখে মিলবে এই মাসের বেতন, কিন্তু কেন?
Dengue Vaccine: ডেঙ্গির ভয় এবার শেষ? ২০২৭-এ ভারতে আসছে কিউডেঙ্গা, কারা পাবেন, কত ডোজ, কতটা কাজ করবে?