Captain Smit Machchhar: হিরো পাইলটকে নিয়ে কেন চুপ কংগ্রেস? তোপ বিজেপির

Published : Oct 04, 2026, 04:53 PM IST
flydubai pilot smitt machhar netanyahu praise 180 passengers cockpit attack photo video

সংক্ষিপ্ত

ফ্লাইদুবাইয়ের হিরো পাইলট ক্যাপ্টেন স্মিত মাচ্ছারকে নিয়ে কংগ্রেস কেন চুপ, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলল বিজেপি। ভোটব্যাঙ্কের রাজনীতির জন্যই সনিয়া ও রাহুল গান্ধী নীরব রয়েছেন বলে তোপ দেগেছেন বিজেপি নেতা সুধাংশু ত্রিবেদী।

হিরো পাইলটকে নিয়ে কংগ্রেসের নীরবতায় তোপ বিজেপির

ফ্লাইদুবাইয়ের বিমানে যাত্রীদের প্রাণ বাঁচিয়েছিলেন ক্যাপ্টেন স্মিত মাচ্ছার। তাঁর এই অদম্য সাহসিকতা নিয়ে কংগ্রেস কেন চুপ, রবিবার সেই প্রশ্নই তুললেন বিজেপি নেতা সুধাংশু ত্রিবেদী। বিরোধী দল ভোটব্যাঙ্কের রাজনীতি করছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। ত্রিবেদী বলেন, গোটা বিশ্ব যখন এই পাইলটের প্রশংসা করছে, তখন কংগ্রেসের এই নীরবতা সত্যিই অবাক করার মতো।

সাংবাদিক বৈঠকে ত্রিবেদী বলেন, ক্যাপ্টেন মাচ্ছারের সাহসিকতা নিয়ে গোটা দেশ আজ গর্বিত। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী নিজে ফোন করে ওই পাইলটের সাহসিকতার প্রশংসা করেছেন। এমনকি ইজরায়েল ও আমেরিকার প্রেসিডেন্টও তাঁর এই বীরত্বের কথা স্বীকার করেছেন।

অভিযুক্ত ওমানি পাইলট হামাম আল-হামামির সঙ্গে আল-কায়দার যোগসাজশের অভিযোগ উঠেছে। এই প্রসঙ্গ টেনে ত্রিবেদী প্রশ্ন তোলেন, কেন সনিয়া গান্ধী বা রাহুল গান্ধী এখনও পর্যন্ত ক্যাপ্টেন মাচ্ছারের প্রতি সহানুভূতি জানিয়ে কোনও বিবৃতি দেননি বা সোশ্যাল মিডিয়ায় কোনও পোস্ট করেননি। তিনি বলেন, "ভারতের জন্য এটা অত্যন্ত গর্বের একটা মুহূর্ত। কিন্তু কিছু ঘটনা লজ্জারও। কংগ্রেস পরিবারের তরফ থেকে ক্যাপ্টেন স্মিত মাচ্ছারের জন্য একটা শব্দ, একটা পোস্ট বা একটা প্রেস বিবৃতিও আসেনি। এটা একটা বড়সড় প্রশ্ন তুলে দিচ্ছে।"

কংগ্রেসের পুরনো অবস্থানের তুলনা টানলেন ত্রিবেদী

কংগ্রেস নেত্রী সনিয়া গান্ধী ও রাহুল গান্ধীকে নিশানা করে তাঁদের পুরনো কিছু অবস্থানের কথা মনে করিয়ে দেন ত্রিবেদী। তিনি বলেন, "বাটলা হাউস এনকাউন্টারে অভিযুক্তদের জন্য কংগ্রেস নেত্রী সনিয়া জির চোখে জল এসেছিল। অথচ ক্যাপ্টেন স্মিতের জন্য তাঁর মুখে একটাও সহানুভূতির কথা শোনা গেল না।"

রাহুল গান্ধীকে কটাক্ষ করে তিনি আরও বলেন, "যুবরাজ রাহুল গান্ধী ২০২৩ সালের অক্টোবরে গাজা নিয়ে এতটাই ব্যথিত হয়েছিলেন যে তিনি টুইট করেছিলেন। কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটির রেজোলিউশনে সেই কথা বলেছিলেন, খবরের কাগজে আর্টিকেল লিখেছিলেন। আর আজ ভোটব্যাঙ্কের ভয়ে তিনি এতটাই গুটিয়ে গেছেন যে তাঁর মুখ থেকে একটা শব্দও বেরোচ্ছে না।"

'সন্ত্রাসবাদকে নীরব সমর্থন'-এর অভিযোগ

দুটি ভিন্ন রাজনৈতিক মতাদর্শের তুলনা টেনে বিজেপি মুখপাত্র অভিযোগ করেন, একপক্ষ সন্ত্রাসবাদকে 'নীরব সমর্থন' জোগায়। আর অন্যদিকে বিজেপি তাদের প্রতিনিধিত্ব করে, যারা অন্যের জীবন বাঁচাতে নিজেদের প্রাণ বাজি রাখে। ত্রিবেদী প্রশ্ন করেন, "আমরা কংগ্রেসের কাছে স্পষ্ট জানতে চাই, যারা জাকির নায়েককে শান্তির মসিহা বলেছিল, আফজল গুরুকে পরিস্থিতির শিকার বলেছিল, বুরহান ওয়ানিকে বিপথগামী যুবক বলেছিল, ইয়াকুব মেমনের ফাঁসিকে জুডিশিয়াল কিলিং বলেছিল বা বাটলা হাউস এনকাউন্টার নিয়ে চোখের জল ফেলেছিল, তারা আজ ক্যাপ্টেন স্মিত মাচ্ছারের মতো একজন সাহসী মানুষের জন্য কেন একটা কথাও বলছে না?"

ইউপি কংগ্রেসের রদবদল নিয়ে সমালোচনা

উত্তরপ্রদেশ কংগ্রেসে সাম্প্রতিক রদবদল নিয়েও কড়া সমালোচনা করেন ত্রিবেদী। বিশেষ করে ইমরান মাসুদকে কার্যকরী সভাপতি করার বিষয়টি তিনি তুলে ধরেন। ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে মাসুদের বিতর্কিত মন্তব্যের কথা মনে করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, রাহুল গান্ধী তাঁর সঙ্গে প্রচার করেছিলেন এবং পরে তাঁকে দলে টেনে সাংসদ বানিয়েছেন।

ইউপি কংগ্রেসের সভাপতি হিসেবে আরাধনা মিশ্রের নিয়োগেরও সমালোচনা করেন তিনি। একটি ভিডিওর প্রসঙ্গ টেনে তিনি দাবি করেন, আরাধনা দলীয় কর্মীদের 'ভারতমাতা কি জয়' স্লোগান দিতে বারণ করেছিলেন এবং দলের স্লোগান দিতে বলেছিলেন। ত্রিবেদী বলেন, "গান্ধী জয়ন্তীতে 'ভারতমাতা কি জয়' স্লোগান থামিয়ে দেওয়া এবং মোদীকে টুকরো টুকরো করে কাটার কথা বলা একজনকে কার্যকরী সভাপতি করাটা কংগ্রেসের কাছে নতুন কিছু নয়।"

ত্রিবেদী দাবি করেন, উত্তরপ্রদেশ সহ গোটা দেশের মানুষ এই বিতর্কিত সিদ্ধান্ত এবং ক্যাপ্টেন স্মিত মাচ্ছারকে নিয়ে নীরবতার জন্য রাহুল গান্ধীর কাছে জবাব চাইবে। তিনি অভিযোগ করেন, নিজেদের রাজনৈতিক স্বার্থ চরিতার্থ করতে দেশবিরোধী শক্তিকে পরোক্ষ বা প্রত্যক্ষভাবে সমর্থন করাটা কংগ্রেসের পুরনো স্বভাব।

PREV
Read more Articles on
click me!

Recommended Stories

'স্বেচ্ছায় একাকী শক্তিধর রাষ্ট্রে পরিণত হচ্ছে আমেরিকা', তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য এস জয়শঙ্করের
পরমাণু বোমার সঙ্গে দীর্ঘপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র, আরও শক্তিশালী ভারতের ‘নিউক্লিয়ার পাঞ্চ’