UAPA Case: উমর খালিদ ও শারজিল ইমামের জামিনের আর্জি, আজই হতে পারে রায়দান

Saborni Mitra   | ANI
Published : Jul 04, 2026, 03:27 PM IST
Sharjeel Imam and Umar KhalidDelhi Court Reserves Verdict on Umar Khalid Sharjeel Imam Bail Pleas in UAPA Case

সংক্ষিপ্ত

২০২০ সালের দিল্লি হিংসার ষড়যন্ত্রের অভিযোগে UAPA মামলায় উমর খালিদ ও শারজিল ইমামের জামিনের আবেদনের ওপর রায়দান স্থগিত রাখল দিল্লির কারকারদুমা আদালত। আজই এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানানো হতে পারে। 

২০২০ সালের দিল্লি হিংসার ঘটনায় বড়সড় ষড়যন্ত্রের অভিযোগে UAPA আইনে দায়ের হওয়া মামলায় উমর খালিদ এবং শারজিল ইমামের জামিনের আবেদনের শুনানি শেষ। দিল্লির কারকারদুমা আদালত এই বিষয়ে রায়দান স্থগিত রেখেছে। অভিযুক্ত ও দিল্লি পুলিশের আইনজীবীদের সওয়াল-জবাব শোনার পর অতিরিক্ত দায়রা বিচারক (ASJ) সমীর বাজপেয়ী রায়দান স্থগিত রাখেন।

রায় নিয়ে বিচারকের প্রতিক্রিয়া

আদালত জানিয়েছে, সম্ভবত দিনের শেষেই রায় ঘোষণা করা হবে। বিচারক বাজপেয়ী বলেন, "আজ যদি ডিক্টেশন শেষ হয়ে যায়, তাহলে রায় দিয়ে দেব। না হলে সোমবার রায় দেওয়া হবে।"

প্রসঙ্গত, ২০২৬ সালের ৫ জানুয়ারি সুপ্রিম কোর্ট তাঁদের আগের জামিনের আবেদন খারিজ করে দেওয়ার পর উমর ও শারজিল আবার ট্রায়াল কোর্টে নিয়মিত জামিনের জন্য আবেদন করেন।

৬ বছর পরেও চার্জ গঠন হয়নি

শারজিল ইমামের জামিনের আবেদনে বলা হয়েছে, সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পর ছয় মাস কেটে গেলেও মামলার বিশেষ কোনও অগ্রগতি হয়নি। তিনি প্রায় ছয় বছর ধরে জেলে বন্দি রয়েছেন। উমর খালিদের তরফেও একটি আলাদা জামিনের আবেদন করা হয়েছে। এর আগে ১৩ জুন শারজিল ইমামের জামিনের আবেদনের ভিত্তিতে দিল্লি পুলিশকে নোটিস পাঠিয়েছিল আদালত। তারও আগে, ৯ জুন উমর খালিদের আবেদনের ভিত্তিতে নোটিস জারি করা হয়।

শারজিলের আইনজীবী আহমদ ইব্রাহিম তাঁর আবেদনে জানিয়েছেন, ২০২৬ সালের ৫ জানুয়ারি সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পর বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এসেছে, যার ভিত্তিতে এই দ্বিতীয় জামিনের আবেদন করা হয়েছে।

আবেদনে আরও বলা হয়, সুপ্রিম কোর্টের রায়ের ছয় মাস পরেও মামলার বিচারপ্রক্রিয়ায় কোনও উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়নি। এখনও চার্জ গঠনের ওপর শুনানিই শেষ হয়নি। এই পরিস্থিতিতে আবেদনকারী প্রায় ছয় বছর ধরে এই FIR-এর ভিত্তিতে জেল খাটছেন। আবেদনে বলা হয়েছে, "এই আবেদন করার দিন পর্যন্ত, ট্রায়াল কোর্টে মামলাটি চার্জ গঠনের পর্যায়েও পৌঁছতে পারেনি। চার্জ নিয়ে সওয়াল-জবাব এখনও চলছে।"

শারজিলের আবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, সুপ্রিম কোর্টের একটি বেঞ্চ 'সৈয়দ ইমতিয়াজ আনদ্রাবি বনাম ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি' মামলায় স্পষ্টভাবে জানিয়েছে যে 'গুলফিশা ফতিমা' মামলার রায় 'কে এ নজীব' মামলার সাংবিধানিক শক্তিকে দুর্বল করেছে।

এছাড়াও, যে বেঞ্চ 'গুলফিশা ফতিমা' মামলার রায় দিয়েছিল, সেই বেঞ্চই ২০২৬ সালের ২২ মে 'তসলিম আহমেদ' মামলায় এই একই ষড়যন্ত্র মামলার এক সহ-অভিযুক্তকে অন্তর্বর্তী জামিন দিয়েছে। একই সঙ্গে UAPA-র ৪৩ডি (৫) ধারার অধীনে জামিনের পুরো আইনি প্রশ্নটি ভারতের প্রধান বিচারপতির দ্বারা গঠিত একটি বৃহত্তর বেঞ্চে রেফার করা হয়েছে।

 

PREV
Read more Articles on
click me!

Recommended Stories

UAPA: পাকিস্তানের মদতপুষ্ট UAPA-র অধীনে ২৩ জনকে জঙ্গি ঘোষণা কেন্দ্রের, জানুন তাদের ভয়ঙ্কর কাজকর্ম
Deputy PM: ২২ বছর পর কি ফের উপপ্রধানমন্ত্রী? নরেন্দ্র মোদীর ডেপুটি নিয়ে আলোচনায় ২টি নাম