Anil Ambani: চাটার্ড বিমান থেকে জমি জায়গা, অনিল আম্বানির ৫১০ কোটির সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করল ED

Saborni Mitra   | ANI
Published : Nov 03, 2026, 09:29 PM IST
reliance anil ambani ed attach assets ED Attaches Assets Worth Rs 510 Crore of Anil Ambani Group in Bank Fraud Case

সংক্ষিপ্ত

ব্যাঙ্ক জালিয়াতির মামলায় রিলায়েন্স অনিল আম্বানি গ্রুপের ৫১০ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED)। এর মধ্যে রয়েছে বিমান, জমি এবং ব্যাঙ্ক ব্যালেন্স।

ব্যাঙ্ক জালিয়াতির মামলায় রিলায়েন্স অনিল আম্বানি গ্রুপের বিরুদ্ধে বড়সড় পদক্ষেপ করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED)। মঙ্গলবার তদন্তকারী সংস্থা জানিয়েছে, এই গ্রুপের ৫১০.১৭ কোটি টাকার সম্পত্তি তারা বাজেয়াপ্ত করেছে।

অনিল আম্বানির বাজেয়াপ্ত সম্পত্তির তালিকা

বাজেয়াপ্ত করা সম্পত্তির মধ্যে রয়েছে বিমান, ব্যাঙ্ক ব্যালেন্স, ফিক্সড ডিপোজিট, স্থাবর সম্পত্তি এবং বিভিন্ন বিনিয়োগ। ইডি জানিয়েছে, রিলায়েন্স হোম ফিন্যান্স লিমিটেড এবং রিলায়েন্স কমার্শিয়াল ফিন্যান্স লিমিটেডের ২৬৩.০৫ কোটি টাকার জালিয়াতি এবং রিলায়েন্স কমিউনিকেশন লিমিটেডের ২৪৭.১২ কোটি টাকার জালিয়াতির মামলায় এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

আরকম (RCOM) মামলায় ইডি দুটি চার্টার্ড বিমান (VT-AAT, Dassault Falcon 2000 এবং VT-OMM Embraer EMB-135BJ), মহারাষ্ট্রের ছ'টি জমির প্লট এবং একটি অফিস বাজেয়াপ্ত করেছে। অন্যদিকে, আরসিএফএল (RCFL) ও আরএইচএফএল (RHFL) মামলায় তামিলনাড়ুর দুটি উইন্ডমিল বা বায়ুকল, ব্যাঙ্ক ব্যালেন্স, ফিক্সড ডিপোজিট এবং অন্যান্য বিনিয়োগ বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।

প্রিভেনশন অফ মানি লন্ডারিং অ্যাক্ট (PMLA) এবং ফরেন এক্সচেঞ্জ ম্যানেজমেন্ট অ্যাক্ট (FEMA)-এর আওতায় রিলায়েন্স অনিল আম্বানি গ্রুপের বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে। নতুন করে এই সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার পর, এখনও পর্যন্ত এই গ্রুপের মোট ২৩,১০০ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করল ইডি।

অনিল আম্বানির সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার কারণ

সেন্ট্রাল ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশন (CBI) এবং মুম্বই পুলিশের ইকোনমিক অফেন্সেস উইং (EOW)-এর দায়ের করা একাধিক এফআইআরের ভিত্তিতে পিএমএলএ (PMLA) আইনে এই তদন্ত শুরু করেছিল ইডি।

ইডি জানিয়েছে, ফেমা (FEMA) আইনের আওতায় তারা দুটি মামলার তদন্ত করেছে। যে কোম্পানিগুলির বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে, তার মধ্যে রয়েছে রিলায়েন্স কমিউনিকেশন লিমিটেড, রিলায়েন্স হোম ফিন্যান্স লিমিটেড, রিলায়েন্স কমার্শিয়াল ফিন্যান্স লিমিটেড, রিলায়েন্স ইনফ্রাস্ট্রাকচার লিমিটেড, রিলায়েন্স পাওয়ার লিমিটেড এবং রিলায়েন্স ক্যাপিটাল লিমিটেড।

ইডির তদন্তে উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। জানা গিয়েছে, ব্যাঙ্ক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলি থেকে সাধারণ মানুষের টাকা সরিয়েছে এই গ্রুপ। ব্যক্তিগত স্বার্থে কর্পোরেট সম্পত্তি বাঁচাতে আইবিসি (IBC) আইনের অপব্যবহার করা হয়েছে। এমনকি, ভারতের টাকা বিদেশে ট্যাক্স হেভেন বা করমুক্ত দেশগুলিতে পাচার করার অভিযোগও উঠেছে।

তদন্তকারী সংস্থা এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, "এই টাকার একটা বড় অংশ প্রোমোটার এবং তাঁদের পরিবারের ব্যক্তিগত সুবিধার জন্য ব্যবহার করা হয়েছে।"

এই মামলাগুলিতে এখনও পর্যন্ত ১০ জনকে গ্রেফতার করেছে ইডি। পিএমএলএ (PMLA) আইনের আওতায় ৬টি প্রসিকিউশন অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। পাশাপাশি, ফেমা (FEMA) আইনের আওতায় আরও একটি অভিযোগ দায়ের হয়েছে।

PREV
Read more Articles on
click me!

Recommended Stories

West Asia Conflict: পশ্চিম এশিয়া ও কৃষ্ণসাগরে সংঘাতে নিহত ২৮ ভারতীয়, জানাল বিদেশ মন্ত্রক
Rahul Gandhi: মোদীকে ফের বিতর্কে চ্যালেঞ্জ রাহুল গান্ধীর, পাল্টা আক্রমণ কিরেন রিজিজুর