Pinarayi Vijayan: কেরলের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়নের বাড়িতে ইডি তল্লাশি, কেসটা ঠিক কী?

Published : May 27, 2026, 10:45 AM IST
Pinarayi Vijayan ed raid

সংক্ষিপ্ত

কেরলের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়নের বাড়িতে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডি-র তল্লাশি। এই তল্লাশি 'কোচিন মিনারেলস অ্যান্ড রুটাইল লিমিটেড' (CMRL)-এর দুর্নীতি মামলার সঙ্গে যুক্ত অর্থ পাচারের একটি তদন্তের অংশ। যে মামলায় বিজয়ের কন্যাও অভিযুক্ত হিসেবে জড়িত। বিজয়নের বাড়ি ছাড়াও আরও ৯টি জায়গায় তল্লাশি চালাচ্ছে ইডি।

কেরলের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়নের বাড়িতে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডি-র তল্লাশি। এই তল্লাশি 'কোচিন মিনারেলস অ্যান্ড রুটাইল লিমিটেড' (CMRL)-এর দুর্নীতি মামলার সঙ্গে যুক্ত অর্থ পাচারের একটি তদন্তের অংশ। যে মামলায় বিজয়ের কন্যাও অভিযুক্ত হিসেবে জড়িত। বিজয়নের বাড়ি ছাড়াও আরও ৯টি জায়গায় তল্লাশি চালাচ্ছে ইডি। CMRL মামলায় ইডি-র তদন্ত বাতিল করার আবেদন কেরালা হাইকোর্ট খারিজ করার ঠিক একদিন পরেই এই তল্লাশি চালানো হল। ইডি-র তদন্তকারীরা কোঝিকোড়ে প্রাক্তন মন্ত্রী ও বিধায়ক পিএ মুহাম্মদ রিয়াজের বাড়িতেও তল্লাশি চালিয়েছেন। তিনি পিনারাই বিজয়নের মেয়ে টি বীণার স্বামী।

CMRL সিন্থেটিক রুটাইল এবং শিল্প-রাসায়নিক সামগ্রী উৎপাদনের কাজ করে। ঘুষ দেওয়া ও অর্থ পাচারের অভিযোগ রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে। অভিযোগ, CMRL-এর কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ নিয়েছিল এক্সালজিক সলিউশনস, অথচ বিনিময়ে তারা CMRL-কে কোনও ধরনের পরিষেবা দেয়নি। যদিও এই মামলায় বিজয়নকে সরাসরি অভিযুক্ত হিসেবে নথিভুক্ত করা হয়নি। CMRL-এ 'কেরালা স্টেট ইন্ডাস্ট্রিয়াল ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশন'-এর ১৩.৪ শতাংশ শেয়ার বা মালিকানা ছিল।

CMRL মামলাটি আসলে কী?

এই অভিযোগগুলো সর্বপ্রথম প্রকাশ্যে আসে ২০২৩ সালের আগস্ট মাসে। সে সময় প্রকাশিত বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয় যে, ২০১৭ থেকে ২০২০ সালের মধ্যবর্তী সময়ে এক্সালজিক সলিউশনস CMRL-এর কাছ থেকে ১.৭২ কোটি টাকা নিয়েছিল, অথচ এই সময়ের মধ্যে তারা CMRL-কে কোনও পরিষেবা দেয়নি। কেন্দ্রীয় সরকার 'সিরিয়াস ফ্রড ইনভেস্টিগেশন অফিস' (SFIO)-কে তদন্ত করার নির্দেশ দেয়। SFIO তাদের ১৬০ পৃষ্ঠার অভিযোগপত্রে (prosecution complaint) টি বীণা, CMRL-এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর শশীধরন কার্থা এবং আরও ২৫ জনকে অভিযুক্ত করেছে। তদন্তকারী সংস্থাটি CMRL, এক্সালজিক সলিউশনস এবং এক্সালজিকের সহযোগী প্রতিষ্ঠান 'এমপাওয়ার ইন্ডিয়া ক্যাপিটাল ইনভেস্টমেন্টস' সহ বেশ কয়েকটি কোম্পানিকেও এই মামলায় অভিযুক্ত হিসেবে উল্লেখ করেছে।

SFIO-এর তথ্যমতে, টি বীণার মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানটি CMRL-এর কাছ থেকে মোট ২.৭০ কোটি টাকা নিয়েছিল। এছাড়াও ২০২৩ সালে 'ইনকাম ট্যাক্স ইন্টারিম সেটেলমেন্ট বোর্ড' তাদের রিপোর্টে জানিয়েছে যে CMRL-এর কর্মীদের দেওয়া জবানবন্দির ভিত্তিতে এটি নিশ্চিত হওয়া গেছে যে, ওই কোম্পানিটিকে ১.৭২ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছিল। ২০২৫ সালের এপ্রিল মাসে কথিত অবৈধ অর্থ দেওয়ার ঘটনায় টি বীণার বিরুদ্ধে আইনি কার্যক্রম শুরুর অনুমোদন দেয় কেন্দ্রীয় কর্পোরেট বিষয়ক মন্ত্রক। বীণার বিরুদ্ধে ‘কোম্পানি আইন, ২০১৩’-এর ৪৪৭ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

PREV
Read more Articles on
click me!

Recommended Stories

ডাবল ইঞ্জিনের খেলা শুরু! মাসে ৩০০ ইউনিট ফ্রি বিদ্যুৎ, মিলবে ১৮ হাজার টাকা! কীভাবে আবেদন করবেন?
Flight Cancellation: জুন থেকে শয়ে শয়ে ফ্লাইট বাতিল করছে Air India-IndiGo! কোন রুটে কোপ?