ভোটযুদ্ধে প্রবেশ করেছে কর্ণাটক, ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে জোরদার প্রচার, যে কর্ণাটকে আগে উড়ত কংগ্রেসের জয়কেতন এখন সেখানে বিজেপি-র জয়জয়াকার | এক্সক্লুসিভ সাক্ষাৎকারে এশিয়ানেট নিউজের মুখোমুখি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
কর্ণাটকে ভোট রণাঙ্গণের দামাম বেজে গিয়েছে। জোর কদমে শুরু হয়ে গিয়েছে নির্বাচনী প্রচারও। নরেন্দ্র মোদী থেকে অমিত শাহ-র বারবারই নির্বাচনী প্রচারে আসছেন কর্ণাটকে। এমনই এক সময়ে এশিয়ানেট নিউজ নেটওয়ার্কের মুখোমুখি অমিত শাহ। জানালেন কর্ণাটক নির্বাচন ২০২৩-এ বিজেপির ভবিষ্যৎ। খুব ভাল পরিস্থিতিতি। গত আড়াই মাসে আমি ১৭বার এখানে এসেছি। কর্ণাটকের প্রায় পুরোটা সফর করেছি। আমি অধিকাংশ জেলায় গিয়েছি। সমস্ত এলাকা কভার করা হয়। বিজেপি এবার নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে জয়ী হবে। অমিত শাহের প্রশ্ন, অনেক সমস্যা আছে। তারপরেও সার্জিক্যাল স্ট্রাইক নিয়ে এখানকার মানুষ খুশি। বিশ্বে যে ভারতের আধিপত্য বে়ড়েছে এতেও খুশি তারা। মহাকাশে আমাদের সাফল্যে তারাও খুশি। তাই তারা কেন কংগ্রেসকে ভোট দেবে? একেকজন নেতার কাছে সেই এলাকার সুবিধেভোগীদের পুরো তথ্য থাকে। আমি সবেমাত্র ১৭টি বিধানসভা কেন্দ্রে মিটিং করেছি। প্রত্যেকেরই পূর্ণ বিবরণ রয়েছে। আমাদের ইনচার্জের কাছে বুথভিত্তিক তথ্য রয়েছে। কোনও টেনশন নেই। কংগ্রেস কী করছে যে লিঙ্গায়েত ভোট কংগ্রেসের দিকে যাবে। কংগ্রেস ৭০ বছরে মাত্র দুই জন লিঙ্গায়েত মুখ্যমন্ত্রী দিয়েছে। বাকিটা তাদের ব্যবহার করেছে, তাদের অপমান করে তাড়িয়ে দিয়েছে। একজনকে বিমানবন্দর থেকে বের করে দিয়েছিলেন ইন্দিরা গান্ধী। অন্যজনকে রাজীব গান্ধী। আমাদের মুখ্যমন্ত্রীও লিঙ্গায়েত। আমাদের ইয়েগুরাপ্পাজির মত কোনও নেতা আছে? লিঙ্গায়েতে কেউ নেই।