অপারেশ সিঁদুরে রাফাল-সহ ৩ বিমান হারায় ভারত? সুইস সামরিক থিঙ্ক ট্যাঙ্কের রিপোর্টে চাঞ্চল্য

Published : Jan 26, 2026, 08:37 AM IST
Indian Air Force established clear air superiority over Pakistan during Operation Sindoor

সংক্ষিপ্ত

সুইস সামরিক থিঙ্ক ট্যাঙ্ক সেন্টার ফর মিলিটারি হিস্ট্রি অ্যান্ড পারস্পেক্টিভ স্টাডিজ (CHPM) ৪৭ পৃষ্ঠার একটি রিপোর্ট প্রকাশ করেছে। সেই রিপোর্টে বলা হয়েছে, অপারেশন সিঁদুরের সময় ভারতীয় বিমান বাহিনী পাকিস্তানের উপর একটি গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য অর্জন করে।

সুইস সামরিক থিঙ্ক ট্যাঙ্ক সেন্টার ফর মিলিটারি হিস্ট্রি অ্যান্ড পারস্পেক্টিভ স্টাডিজ (CHPM) ৪৭ পৃষ্ঠার একটি রিপোর্ট প্রকাশ করেছে। সেই রিপোর্টে বলা হয়েছে, অপারেশন সিঁদুরের সময় ভারতীয় বিমান বাহিনী পাকিস্তানের উপর একটি গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য অর্জন করে। ৭ থেকে ১০ মে, ২০২৫ পর্যন্ত ৮৮ ঘণ্টার এই সংঘর্ষের সময় পাকিস্তানের অভ্যন্তরে সন্ত্রাসবাদী ঘাঁটিতে নির্ভুলভাবে হামলা চালায় ভারত। রাফাল এবং মিরাজ-২০০০ বিমান ব্যবহার করে ভারতের বায়ুসেনা বাহাওয়ালপুরে জইশ-ই-মুহাম্মদের সদর দফতর এবং মুরিদকেতে লস্কর-ই-তইবার সদর দফতরে হামলা চালায়। পাকিস্তানের PL-15 মিসাইল এবং ৯০০ টিরও বেশি ড্রোন থাকা সত্ত্বেও ভারতের S-400 এবং এয়ার ডিফেন্স নেটওয়ার্ক বেশিরভাগ হুমকিকে ব্যর্থ করে দিয়েছিল। অবশেষে, প্রতিশোধ নেওয়ার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলার পর পাকিস্তান ১০ মে বিকেলের মধ্যে যুদ্ধবিরতির অনুরোধ জানায়, যা ভারত মেনে নেয়।

৭ মে রাতে...

সংঘাত শুরু হয় ৭ মে রাতে, যখন ভারতীয় বিমান বাহিনীর রাফাল এবং মিরাজ-২০০০ জেট সীমান্ত অতিক্রম করে জইশ এবং লস্কর-ই-তইবার সদর দফতরে আক্রমণ করে। পাকিস্তান বিমান বাহিনী (PAF) ৩০টিরও বেশি যুদ্ধবিমান এবং দূরপাল্লার মিসাইল দিয়ে প্রতিশোধ নেওয়ার চেষ্টা করে।

ড্রোন এবং ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ব্যর্থতা

৭ মে থেকে পাকিস্তান দুটি বৃহৎ সংখ্যক ড্রোন ব্যবহার করে ভারতীয় রাডারগুলিকে সক্রিয় এবং তাদের লোকেশন শনক্ত করতে। তবে, ভারতের আকাশতীর নেটওয়ার্ক এবং ইলেকট্রনিক জ্যামিংয়ের কারণে এই কৌশল ব্যর্থ হয়। অর্ধেকেরও বেশি ড্রোন কেবল বিমান-বিধ্বংসী বন্দুকের আঘাতে ধ্বংস হয়। পাকিস্তান ভারতের S-400 সিস্টেম বা অন্য কোনও গুরুত্বপূর্ণ সামরিক সম্পদের ক্ষতি করতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়। ভারতের পাল্টা আক্রমণ এবং পাকিস্তানের পরাজয় ১০ মে রাত ২টো থেকে ৫টার মধ্যে। ভারত তার সীমান্তের ভেতর থেকে পাকিস্তানি বিমানঘাঁটি এবং রাডারগুলিতে ব্রহ্মস এবং SCALP-EG এর মতো দূরপাল্লার মিসাইল ব্যবহার করে বিশাল আক্রমণ শুরু করে। এই হামলায় অসংখ্য পাকিস্তানি যুদ্ধবিমান, রাডার এবং কমান্ড সেন্টার ধ্বংস হয়ে যায়। রানওয়ে ধ্বংসের ফলে পাকিস্তানি বিমান বাহিনী আতঙ্কিত হয়ে পড়ে এবং দুপুরের মধ্যে ইসলামাবাদ আত্মসমর্পণ করে যুদ্ধবিরতির আবেদন জানাতে বাধ্য হয়।

পাকিস্তান দাবি করেছে যে তারা ৬টি ভারতীয় বিমান আকাশে ধ্বংস করেছে। তবে, সুইস রিপোর্ট বলছে যে একটি মাত্র রাফাল ধ্বংস হওয়ার প্রমাণ মিলছে। এছাড়াও, একটি মিরাজ-২০০০ এবং একটি অতিরিক্ত যুদ্ধবিমানের ক্ষতিও হয়েছে। সেটি হয় MiG-29 অথবা Su-30MKI। ভারত য়দিও বিমানের ক্ষতির পাকিস্তানের দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে। ভারতীয় বিমানবাহিনী মূল্যায়ন করেছে যে এই হামলায় পাকিস্তানের চার থেকে পাঁচটি যুদ্ধবিমান, একটি সতর্কীকরণ বিমান, একটি পরিবহন বিমান, একাধিক ড্রোন এবং বেশ কয়েকটি রাডার, কমান্ড সেন্টার এবং একটি ক্ষেপণাস্ত্র ব্যাটারি ধ্বংস হয়েছে। পাকিস্তান একটি বিমান ঘাঁটিতে হতাহতের কথা স্বীকার করেছে কিন্তু ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিয়ে দ্বিমত পোষণ করেছে।

সুইস স্টাডির উপসংহার

সামরিক ইতিহাসবিদ অ্যাড্রিয়ান ফন্টানেলেজের তৈরি এই প্রতিবেদনটি সুইস বিমান বাহিনীর একজন অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল সহ বিশেষজ্ঞদের একটি প্যানেল পর্যালোচনা করেছে। রিপোর্টের উপসংহারে বলা হয়েছে যে ভারত সফলভাবে তার রাজনৈতিক-সামরিক লক্ষ্য অর্জন করেছে। ভারত কেবল সন্ত্রাসবাদী অবকাঠামোকে ধ্বংস করেনি, বরং পাকিস্তানের বিমান প্রতিশোধমূলক ক্ষমতাকেও ধ্বংস করেছে। যার ফলে আধুনিক যুদ্ধের মতো দীর্ঘস্থায়ী সংঘাতের পরিবর্তে দ্রুত সংঘাতের অবসান ঘটেছে।

 

PREV
Read more Articles on
click me!

Recommended Stories

77th Republic Day: প্রজাতন্ত্র দিবসে প্রধান অতিথিদের সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানুন এক ক্লিকে
Republic Day 2026: ৭৭তম প্রজাতন্ত্র দিবসে কর্তব্য পথে ভারতের শৌর্যের চমক দেখবে বিশ্ব