বিশ্বব্যাঙ্কের জিডিপি ক্রমতালিকায় এক ধাপ নেমে সপ্তম স্থানে ভারত

Published : Aug 02, 2019, 01:47 PM IST
বিশ্বব্যাঙ্কের জিডিপি ক্রমতালিকায় এক ধাপ নেমে সপ্তম স্থানে ভারত

সংক্ষিপ্ত

প্রকাশিত হল বিশ্বব্যাঙ্কের ২০১৮ সালের জিডিপি তালিকা এক ধাপ নেমে সপ্তমস্থানে জায়গা করে নিয়েছে ভারত 'গ্লোবাল জিডিপি'র নিরিখে প্রথম স্থানে রয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ২০১৮ সালের হিসেব অনুযায়ী ভারতের মোট জিডিপির পরিমাণ ২.৭ ট্রিলিয়ন ডলার

প্রকাশিত হল বিশ্বব্যাঙ্কের ২০১৮ সালের জিডিপি ক্রমতালিকা। তালিকা অনুযায়ী এক ধাপ নেমে সপ্তম স্থানে জায়গা করে নিয়েছে ভারত। ভারতের ঠিক আগে, অর্থাৎ পঞ্চম এবং ষষ্ঠ স্থানে রয়েছে যথাক্রমে ইংল্যান্ড এবং  ফ্রান্স। বিশ্ব ব্যাঙ্কে প্রকাশিত, ২০১৭ সালের জিডিপি তালিকা অনুযায়ী ফ্রান্সকে সপ্তম স্থানে ঠেলে দিয়ে ভারত ষষ্ঠস্থানে বছর শেষ করে।   

বিশ্বব্যাঙ্কের তালিকা অনুযায়ী, গ্লোবাল জিডিপির নিরিখে প্রথম স্থানে রয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। তাঁদের মোট জিডিপির পরিমাণ ২০.৫ ট্রিলিয়ন ডলার। তার ঠিক পরেই রয়েছে এশিয়ান সুপারপাওয়ার চিন। তাদের মোট জিডিপির পরিমাণ ১৩.৬ ট্রিলিয়ন ডলার। তৃতীয় স্থানে রয়েছে আর এক এশিয় দেশ জাপান। জাপানের অর্থনীতির মোট পরিমাণ ৫ ট্রিলিয়ন ডলার। ২০১৮ সালের হিসাব অনুযায়ী, ভারতের মোট জিডিপির পরিমাণ ছিল ২.৭ ট্রিলিয়ন ডলার, যা ইংল্যান্ড এবং ফ্রান্সের ২.৮ ট্রিলিয়ন ডলার জিডিপির থেকে সামান্য কম। 
 
বিশ্বব্যাঙ্কের ২০১৭ সালের তালিকা অনুযায়ী ভারতের মোট জিডিপির পরিমাণ ছিল ২.৬৫ ট্রিলিয়ন ডলার, যা ছিল ইংল্যান্ড এবং ফ্রান্সের ( যথাক্রমে ২.৬৪ এবং ২.৫০ ট্রিলিয়ন ডলার) মোট জিডিপির থেকে সামান্য বেশি । এরফলে এশিয়ার তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি ভারত খুব সহজেই আন্তর্জাতিক ক্রমতালিকায় পঞ্চম স্থান অধিকার করে নেয়। বিশেষজ্ঞদের দাবী এক ধাক্কায় পঞ্চম স্থান থেকে সপ্তম স্থানে নেমে যাওয়ার পেছনে ডলারের তুলনায় ভারতীয় টাকার দাম পড়ে যাওয়া একটি বড় কারণ। এছাড়াও অর্থনীতির 'স্লো-ডাউন' বা বৃদ্ধির গতিহ্রাসও অন্যতম মুখ্য কারণ হিসেবে উঠে আসছে।  
 
প্রসঙ্গত ২০১৭ সালে ডলারের তুলনায় টাকার দাম ক্রমাগত বেড়ে চলে। উল্টোদিকে অর্থনৈতিক মন্দার কারণে গোটা ২০১৮ সাল ধরে ডলারের তুলনায় পতন ঘটে টাকার দামে। ইন্ডিয়া রেটিংস সংস্থার মুখ্য অর্থনীতিবিদ দেবেন্দ্র পন্থের দাবি, বৃদ্ধির হার ঊর্ধ্বমুখী হলে জিডিপি র‍্যাঙ্কিং এ নতুন করে পরিবর্তন ঘটতেই পারে ।  
 
ক্রমতালিকায় পতন হলেও ভারতীয় অর্থনীতির বৃদ্ধির হার এখনও বিশ্বে দ্রুততম। তবে অর্থনীতিবিদদের আশঙ্কা ২০১৯-২০ অর্থবর্ষের শেষেই বৃদ্ধির হার ৭ শতাংশের আশেপাশে নেমে আসতে পারে। যদিও লন্ডনের একটি সমীক্ষা সংস্থা আইএইচএস মার্কিট-এর দাবি, ২০১৯-২০ অর্থবর্ষের শেষেই ভারত ইংল্যান্ডকে পেছনে ফেলে জিডিপির নিরিখে বিশ্বে পঞ্চম স্থান অধিকার করতে পারে। তাদের আরও দাবি, ২০২৫ সাল নাগাদ ভারত জাপান -কে ছাপিয়ে এশিয়ার দ্বিতীয় এবং বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি হয়ে উঠতে পারে।  

ভারত সরকার ইতিমধ্যেই ঘোষণা করেছে ২০২৫ সালের মধ্যেই ভারত ৫ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি হয়ে উঠবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, সেই লক্ষ্যে পৌঁছতে গেলে ভারতকে নিরবিচ্ছিন্ন ভাবে বার্ষিক বৃদ্ধির হার ৮ শতাংশে রাখতে হবে। এখন দেখার ৭ শতাংশের আশেপাশে ঘোরাফেরা করা বৃদ্ধির হারকে ৮ শতাংশে পৌঁছে দিতে পারে কিনা মোদী সরকার এখন সেটাই দেখার। 
 
 

PREV
click me!

Recommended Stories

Jharkhand Train Accident: ঝাড়খণ্ডে চলন্ত ট্রেনের ধাক্কা ট্রাকে, ভিডিও ভাইরাল সোশ্যাল মিডিয়ায়
Republic Day 2026: কর্তব্যপথে ৩০টি ট্যাবলো, পশ্চিমবঙ্গের ট্যাবলোতে কী থাকবে?