
ভারতীয় বায়ুসেনা (IAF) ২০২৬ সালের প্রজাতন্ত্র দিবসের প্যারেডে ফ্লাইপাস্টের সময় "সিঁদুর" ফর্মেশন প্রদর্শন করবে। অপারেশন সিন্দুরে অংশ নেওয়া যুদ্ধবিমানগুলো বায়ুশক্তির প্রতীকী প্রদর্শনে আকাশে উড়বে। আধিকারিকরা জানিয়েছেন, এই ফর্মেশনে দুটি রাফাল জেট, দুটি সু-৩০ বিমান, দুটি মিগ-২৯ ফাইটার এবং একটি জাগুয়ার ফাইটার জেট থাকবে।
পহেলগাঁও সন্ত্রাসবাদী হামলায় ২৬ জনের মৃতদ্যুর জবাব দিতেই ৭ মে অপারেশন সিঁদুর অভিযান শুরু করেছিল ভারত। পাকিস্তান পাল্টা জবাব দিলে ৭ থেকে ১০ মে পর্যন্ত সংঘর্ষ চলে। এই অপারেশনের সময়, ভারত রাফাল জেট, স্কাল্প মিসাইল এবং হ্যামার বোমা ব্যবহার করে মাত্র ২৩ মিনিটে ১০০ জনেরও বেশি সন্ত্রাসহাদীকে হত্যা করার দাবি করেছিল।
নিহতদের বেশিরভাগই জইশ-ই-মহম্মদ, লস্কর-ই-তৈবা এবং হিজবুল মুজাহিদিনের মতো জঙ্গি সংগঠনের সদস্য ছিল। প্রতিরক্ষা মন্ত্রক জানিয়েছে যে এই অপারেশনে সাধারণ মানুষের ন্যূনতম ক্ষতি নিশ্চিত করে জঙ্গি পরিকাঠামোতে সর্বাধিক ক্ষতি করা হয়েছে।
এদিকে, দিল্লি পুলিশ রাজধানী জুড়ে নজরদারি কঠোর করতে এবং হুমকি শনাক্তকরণ উন্নত করার জন্য একটি আপগ্রেডেড নিরাপত্তা ব্যবস্থার অংশ হিসেবে AI-সক্ষম স্মার্ট গ্লাস এবং উন্নত ফেসিয়াল রিকগনিশন সিস্টেম ব্যবহার করবে। অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার দেবেশ কুমার মাহালা বলেছেন, নিরাপত্তা সংক্রান্ত দৃষ্টিকোণ থেকে পুলিশ বাহিনী প্রযুক্তি-চালিত সমাধানগুলির সম্পূর্ণ ব্যবহার করছে। তিনি উল্লেখ করেছেন যে সমস্ত সিসিটিভি ক্যামেরা ভিডিও অ্যানালিটিক্স এবং ফেসিয়াল রিকগনিশন সিস্টেম (FRS) দিয়ে সজ্জিত থাকবে, যা পুলিশকে আরও নির্ভুলভাবে সন্দেহভাজনদের শনাক্ত করতে সক্ষম করবে। মাহালা বলেন, "বিভিন্ন ধরনের ভিডিও অ্যানালিটিক্স রয়েছে এবং আমরা সেগুলিও ব্যবহার করব। এবার আমরা বিশেষভাবে তৈরি করা ক্যামেরা এবং পরিধানযোগ্য চশমাও ব্যবহার করছি।"
মাহালার মতে, প্রজাতন্ত্র দিবসের প্যারেডে দিল্লি পুলিশের কর্মীরা প্রথমবারের মতো এই ধরনের উন্নত পরিধানযোগ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করবে। প্যারেডের রুটে ভিড় পর্যবেক্ষণ এবং সম্ভাব্য হুমকি শনাক্ত করার জন্য নির্বাচিত পুলিশ কর্মীরা ডিউটিতে থাকাকালীন স্মার্ট গ্লাস পরবেন।