Joint Warfare: এবার একসঙ্গে লড়বে সেনা-নৌসেনা, যুগান্তকারী চুক্তি দুই বাহিনীর মধ্যে

Published : May 14, 2026, 05:04 PM IST
Joint Warfare: এবার একসঙ্গে লড়বে সেনা-নৌসেনা, যুগান্তকারী চুক্তি দুই বাহিনীর মধ্যে

সংক্ষিপ্ত

সেনা ও নৌবাহিনীর মধ্যে বোঝাপড়া আরও বাড়াতে এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ নেওয়া হল। বৃহস্পতিবার দুই বাহিনীর মধ্যে একটি মউ (MoA) স্বাক্ষরিত হয়েছে, যার ফলে একসঙ্গে কাজ করার পথ আরও মসৃণ হবে।

নয়াদিল্লি: দেশের তিন বাহিনীর মধ্যে সমন্বয় আরও মজবুত করতে বড়সড় পদক্ষেপ। বৃহস্পতিবার ভারতীয় সেনাবাহিনী ও নৌবাহিনীর মধ্যে একটি মউ (মেমোর‍্যান্ডাম অফ অ্যাসোসিয়েশন) স্বাক্ষরিত হল।

সেনাবাহিনীর পক্ষে এই চুক্তিতে সই করেন অ্যাডজুট্যান্ট জেনারেল লেফটেন্যান্ট জেনারেল ভিপিএস কৌশিক। অন্যদিকে, নৌবাহিনীর পক্ষে সই করেন চিফ অফ পার্সোনেল ভাইস অ্যাডমিরাল গুরচরণ সিং।

এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সেনাবাহিনীর ভাইস চিফ লেফটেন্যান্ট জেনারেল ধীরাজ শেঠ এবং নৌবাহিনীর ভাইস চিফ ভাইস অ্যাডমিরাল সঞ্জয় ভাটসায়ন।

এক প্রতিরক্ষা আধিকারিক বলেন, "আজকের এই জটিল নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে দেশের ভৌগোলিক অখণ্ডতা রক্ষার পাশাপাশি ভারতের সামুদ্রিক এবং অর্থনৈতিক স্বার্থ রক্ষা করাও সমান জরুরি। নৌবাহিনী যেমন দেশের জলসীমা এবং ব্যবসা-বাণিজ্যের পথ সুরক্ষিত রাখে, তেমনই সেনাবাহিনী ভারতের উপমহাদেশে প্রতিরক্ষা, স্থিতিশীলতা এবং নিরাপত্তার মূল স্তম্ভ।"

তিনি আরও যোগ করেন, "ভবিষ্যতের যুদ্ধ বা অভিযানে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া, বিভিন্ন বাহিনীর মধ্যে সমন্বয় এবং একে অপরের সরঞ্জাম ব্যবহারের ক্ষমতা অত্যন্ত জরুরি হয়ে উঠবে। তাই দুই বাহিনীর মধ্যে নিখুঁত বোঝাপড়া থাকা আবশ্যক।"

এই মউ স্বাক্ষরের মূল উদ্দেশ্য হল দুই বাহিনীর মধ্যে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে সহযোগিতা বাড়ানো, পারস্পরিক বোঝাপড়া বৃদ্ধি করা, একসঙ্গে কাজ করার ক্ষেত্রে সমন্বয় আরও মজবুত করা এবং পেশাদারি সম্পর্ক আরও দৃঢ় করা।

এই ধরনের সমন্বয়ের গুরুত্ব 'অপারেশন সিন্দুর'-এর সময় স্পষ্টভাবে দেখা গিয়েছিল। সেই অভিযানে তিন বাহিনীর মিলিত প্রচেষ্টায় অসাধারণ সাফল্য এসেছিল।

এই চুক্তি ভবিষ্যতে সেনা ও নৌবাহিনীর মধ্যে এই ধরনের আরও অনেক সহযোগিতার পথ খুলে দেবে। এর মাধ্যমে দুই বাহিনীর মধ্যে সম্পর্ক কেমন হবে, তার একটা রূপরেখা তৈরি করা হয়েছে।

এর ফলে দুই বাহিনীর সদস্যরা পেশাদারি স্তরে নিজেদের মধ্যে মত বিনিময় করতে পারবেন, একে অপরের কাজের ধরণ বুঝতে পারবেন, একসঙ্গে বিভিন্ন মহড়া বা কার্যক্রমে অংশ নিতে পারবেন এবং একে অপরের ক্ষমতা ও ভূমিকা সম্পর্কে আরও ভালোভাবে জানতে পারবেন।

এই চুক্তি স্বাক্ষর সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে সমন্বয়, একীকরণ এবং বোঝাপড়া বাড়ানোর পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত, একীভূত এবং মাল্টি-ডোমেন অপারেশনের জন্য যা অত্যন্ত জরুরি।

PREV
Read more Articles on
click me!

Recommended Stories

8th Pay Commission: জুনিয়র থেকে সিনিয়র সবার বেতন বাড়বে! ২০ হাজার টাকা যাদের বেতন তাদের কত টাকা বাড়বে?
জ্বালানি সাশ্রয়ে পদক্ষেপ দিল্লি সরকারের, সপ্তাহে ২ দিন ‘ওয়ার্ক ফ্রম হোম’, ‘নো কার ডে’