Airfare Rules: এবার কি কমবে বিমানের টিকিটের দাম? বিশেষ পরিস্থিতিতে হস্তক্ষেপের বার্তা মোদী সরকার

Saborni Mitra   | ANI
Published : Nov 02, 2026, 10:51 AM IST
Indian Government Introduces New Aviation Rules To Control Flight Ticket Prices

সংক্ষিপ্ত

বিমানের টিকিটের আকাশছোঁয়া দাম নিয়ন্ত্রণে এবার কড়া পদক্ষেপ নিল কেন্দ্র। নতুন 'ভারতীয় বায়ুযান নিয়ম, ২০২৬' অনুযায়ী, বিশেষ পরিস্থিতিতে টিকিটের দাম নির্ধারণে সরাসরি হস্তক্ষেপ করতে পারবে সরকার।

অপরিশোধিত তেল এবং এভিয়েশন টারবাইন ফুয়েলের (ATF) দাম বাড়ার কারণে বিমানের ভাড়াও এখন আকাশছোঁয়া। এই পরিস্থিতিতে সাধারণ যাত্রীদের কথা মাথায় রেখে নতুন নিয়ম আনল কেন্দ্র। এবার থেকে বিশেষ কোনও পরিস্থিতিতে জনস্বার্থে বিমানের টিকিটের দামে সরাসরি হস্তক্ষেপ করতে পারবে সরকার।

অসামরিক বিমান মন্ত্রকের বিজ্ঞপ্তি

কেন্দ্রীয় অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রকের জারি করা 'ভারতীয় বায়ুযান নিয়ম, ২০২৬' অনুযায়ী, সরকার যদি মনে করে যে কোনও বিশেষ পরিস্থিতিতে হস্তক্ষেপ করা জরুরি, তবে তারা বিমান সংস্থাগুলিকে ভাড়ার বিষয়ে নির্দেশ দিতে পারবে। তবে এই নির্দেশিকা পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করবে এবং শুধুমাত্র একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্যই তা কার্যকর থাকবে।

নতুন নিয়মের ১৯২ নম্বর ধারা অনুযায়ী, বিমান সংস্থাগুলিকে তাদের পরিচালনার খরচ সহ অন্যান্য বিষয়ের ওপর ভিত্তি করে টিকিটের দাম ঠিক করতে হবে। এরপর সেই ভাড়ার বিস্তারিত তথ্য ডিরেক্টরেট জেনারেল অফ সিভিল এভিয়েশন বা ডিজিসিএ-র (DGCA) কাছে জমা দিতে হবে। নিয়মে স্পষ্ট বলা হয়েছে, সরকার যদি বোঝে যে কোনও অস্বাভাবিক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে এবং জনস্বার্থে হস্তক্ষেপ করা দরকার, তাহলে তারা লিখিত নির্দেশিকা জারি করতে পারে।

বিমান ভাড়া

ভাড়ার ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা বজায় রাখতে এবং যাত্রীদের সঠিক তথ্য দিতে, বিমান সংস্থাগুলিকে তাদের ওয়েবসাইট ও অন্যান্য ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে টিকিটের দাম প্রকাশ করতে হবে। বিমান সংস্থাগুলি কী ভাড়া ঠিক করছে, তার ওপর কড়া নজর রাখবে ডিজিসিএ। টিকিট বুকিংয়ের সময় যাত্রীদের ঠিক কত টাকা দিতে হবে, তা বুকিং প্রসেস এবং টিকিটের ওপর স্পষ্ট করে লেখা থাকা এখন বাধ্যতামূলক। এর ফলে টিকিট কাটার ক্ষেত্রে আরও বেশি স্বচ্ছতা আসবে। শুধু তাই নয়, বেস ফেয়ার, ট্যাক্স, ফি, ক্যানসেলেশন চার্জ, রিফান্ডের শর্ত এবং অন্যান্য প্রযোজ্য চার্জের আলাদা আলাদা হিসেবও যাত্রীদের দিতে হবে। সরকারকে দেওয়া ট্যাক্স এবং যাত্রীদের পরিষেবা দেওয়ার জন্য বিমান সংস্থার নেওয়া ফি-র মধ্যে স্পষ্ট পার্থক্য রাখা হয়েছে এই নতুন নিয়মে।

প্রসঙ্গত, ১৯৯৪ সালে ভারতে বিমানের ভাড়া নির্ধারণের ওপর থেকে সরকারি নিয়ন্ত্রণ তুলে নেওয়া হয়। এরপর থেকে বাজারের অবস্থার ওপর ভিত্তি করেই টিকিটের দাম ঠিক করে আসছে সংস্থাগুলি। অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রক বরাবরই জানিয়ে এসেছে যে, টিকিটের চাহিদা, পরিচালনার খরচ এবং বুকিংয়ের সময়ের ওপর ভিত্তি করেই সাধারণত ভাড়া ঠিক করা হয়।

এর আগে 'এয়ারক্রাফট রুলস, ১৯৩৭'-এর ১৩৫(৪) নম্বর ধারা অনুযায়ী, বিমান পরিবহণ ক্ষেত্রে অতিরিক্ত ভাড়া বা একচেটিয়া ব্যবসার প্রমাণ পেলে ডিজিসিএ-র কাছে নির্দেশিকা জারি করার ক্ষমতা ছিল। নতুন জারি করা ১৯২ নম্বর ধারায় বিমান ভাড়ার ওপর নজরদারির কথা বলা হলেও, অতিরিক্ত ভাড়া বা একচেটিয়া ব্যবসার মতো বিষয়গুলিকে সরকারি হস্তক্ষেপের কারণ হিসেবে আলাদা করে উল্লেখ করা হয়নি। তবে নতুন এই কাঠামোর মাধ্যমে, নিয়মে উল্লেখ করা শর্ত সাপেক্ষে বিশেষ পরিস্থিতিতে বিমানের ভাড়ার ওপর নির্দেশিকা জারি করার ক্ষমতা কেন্দ্রের হাতেই থাকছে।

PREV
Read more Articles on
click me!

Recommended Stories

HPCL Visakhapatnam: বিশাখাপত্তনমে হিন্দুস্তান পেট্রোলিয়ামের তৈল শোধনাগারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড! এলাকাজুড়ে আতঙ্ক
Climate Change: হিমাচলের গ্রামে গ্রামে কীভাবে চলছে জলবায়ু মোকাবিলার প্রস্তুতি?