
Jio Platforms IPO: রিল্যায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজের টেলিকম এবং ডিজিটাল শাখা জিও প্ল্যাটফর্মস শেয়ার বাজারে দুর্দান্ত এন্ট্রি নিল। কোম্পানির ডিরেক্টর অনন্ত আম্বানি এই আইপিও লিস্টিং অনুষ্ঠানেই দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে বিশেষ ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর 'ডিজিটাল ইন্ডিয়া' ভিশনই জিও-কে সঠিক লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে নিয়ে গেছে। তিনি কোম্পানির ওপর ভরসা রাখার জন্য কোটি কোটি গ্রাহক, কর্মী এবং ব্যবসায়িক অংশীদারদেরও ধন্যবাদ জানান। অনন্ত আম্বানি জানিয়েছেন, "আজকের দিনে আমার কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শব্দ হল 'ধন্যবাদ'। শেয়ার বাজারের এই লিস্টিং বেলকে আমার মন্দিরের ঘণ্টার মতো মনে হচ্ছে।" তিনি আরও বলেন, ব্যবসা তাঁদের কাছে পুজোর মতো। পুজো শেষে যেমন প্রসাদ বিলি করা হয়, ঠিক তেমনই আজ জিও-র শেয়ার ভারতের সাধারণ মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে (Jio Platforms IPO)।
তিনি আরও জানান, 'বিকশিত ভারত'-এর স্বপ্ন পূরণে রিলায়েন্স সবসময় সামনের সারিতে থাকবে। অনন্ত বলেন, তাঁর বাবা মুকেশ আম্বানি এবং ঠাকুরদা ধীরুভাই আম্বানির দেখা স্বপ্নই আজ এই জায়গায় এসে দাঁড়িয়েছে। অনন্ত জানান, দাদা আকাশ এবং দিদি ইশার সঙ্গে মিলে তিনি এই বিশাল দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিচ্ছেন।
জিও প্ল্যাটফর্মস অনুষ্ঠানের পরপরই বিএসই (BSE) এবং এনএসই (NSE)-তে দারুণভাবে লিস্টেড হয়। ইস্যু প্রাইস ছিল ১,১১৯ টাকা। শেয়ারের লেনদেন সেখান থেকে ২১.৩৬ শতাংশ প্রিমিয়ামে ১,৩৫৮ টাকায় শুরু হয়। কোম্পানির মার্কেট ক্যাপ বা বাজারদর লিস্টিংয়ের সঙ্গেই প্রায় ১২.৫ লক্ষ কোটি টাকায় পৌঁছয়। এর ফলে জিও, মূল কোম্পানি রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজের পরেই ভারতের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ মূল্যবান কোম্পানি হয়ে উঠল। ৩০,২০০ কোটি টাকা তোলার লক্ষ্যে আনা এই আইপিও ২২.১৯ গুণ সাবস্ক্রাইব হয়। জিও প্ল্যাটফর্মসে বর্তমানে মেটা (Meta) এবং অ্যালফাবেট (Google)-এর মতো গ্লোবাল টেক জায়ান্টদের বিনিয়োগ রয়েছে। তাদের গ্রাহক সংখ্যাও ৫৩ কোটির গণ্ডি পার করেছে।
Disclaimer: এশিয়ানেট নিউজ বাংলা কখনও কোথাও বিনিয়োগের পরামর্শ দেয় না। বাজারে বিনিয়োগ একটি ঝুঁকিসাপেক্ষ বিষয়। তাই বিনিয়োগ করার আগে অবশ্যই বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে পরামর্শ করে নিন।
আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।